ভোলার ৩০টি গ্রাম তলিয়ে পানিবন্দি লাখো মানুষ | Nobobarta

ভোলার ৩০টি গ্রাম তলিয়ে পানিবন্দি লাখো মানুষ

উত্তরাঞ্চলের পর এখন বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে দেশের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়। ভোলায় ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ। মাদারীপুর ও রাজবাড়িতে বেড়েছে বন্যার পানি । তবে টাঙ্গাইলে বন্যার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। অপররিবর্তিত রয়েছে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি। উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও ভাঙনের কারণে ভোলার নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ভোলা সদর, তজুমুদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার ৩০টি গ্রাম।

লাখো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাব। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকেই অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে, বন্যায় ভেঙে যাওয়া বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো: ইউনুস। কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থতির কিছুটা উন্নতি হলেও ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা দুর্গত দেড় লাখ পরিবারের জন্য ৫৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও, স্থান সংকুলানের অভাবে অনেকেই খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। এসব এলাকায় ত্রাণ দেয়া হলেও তা নিতান্তই অপ্রতুল বলে দুর্গরা জানিয়েছেন।

লালমনিরহাটের বন্যা পরিস্থিতিও উন্নতির পথে। দুর্গতদের মধ্যে শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন বানভাসীরা। সিরাজগঞ্জেও বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। বন্যা কবলিতদের মধ্যে ত্রাণ -সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। দেশের সবকটি বন্যা কবলিত এলাকা মনিটনরিং করা হয়েছে বলে জানান ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়া।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.