ভালোবাসার ছোঁয়ায় বসন্ত শুরু

বাংলা বর্ষপঞ্জিতে সংশোধনের কারণে আগামীকাল ফাল্গুন মাসের প্রথম দিন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ফাল্গুন মাস শুরু হবে বাঙালির ভালোবাসা ছোঁয়া দিয়েই। যান্ত্রিক সভ্যতার এইযুগেও ঋতুরাজ বসন্ত বাঙালির জীবনে আসে প্রকৃতির শাশ্বত রূপ নিয়ে।

ঋতুরাজ বসন্ত নিয়ে বাংলা সাহিত্যে জীবনধর্মী লেখায়, কবি, সাহিত্যিকরা লিখেছেন অজস্র কবিতা, গান- উপন্যাস। প্রকৃতির সঙ্গে মিল রেখে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসও পালিত হয়। শহরকেন্দ্রিক সভ্যাতায় বসন্ত বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের আনুষ্ঠানিকতা উদ্যাপনের আঁচ লেগেছে গ্রাম বাংলায়ও।

কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় এর বিখ্যাত কবিতায় যেমনটি লেখা হয়েছে, ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক/আজ বসন্ত।’এই চরণের সঙ্গে মিল রেখে কেশবপুর পাবলিক ময়দানে আয়োজন করা হয়েছে পহেলা ফাল্গুন বসন্ত উৎসব। দেশের ঐতিহাসিক বিভিন্ন দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জি। নতুন এই বর্ষপঞ্জিতে জাতীয় দিবসের বাংলা তারিখ এখন থেকে একই থাকবে প্রতি বছর।

সংশোধিত বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, বাংলা বৈশাখ থেকে আশ্বিন পর্যন্ত প্রথম ছয় মাস ৩১ দিন, কার্তিক থেকে মাঘ মাস ৩০ দিন এবং ফাল্গুন মাস ২৯ দিন ধরে গণনা করা হবে। তবে গ্রেগরীয় পঞ্জিকার অধিবর্ষে ফাল্গুন মাস ২৯ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন গণনা করা হবে। সে হিসেবে পহেলা বৈশাখ আগের মতোই ১৪ এপ্রিল থাকবে। এদিকে পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস আর অমর একুশে ঘিরে ফুলের চাহিদা থাকে অনেক বেশি। সেই চাহিদা পূরণে সাভারের গোলাপ চাষিদের ব্যস্ততাও থাকে বেশি। তবে এবার চিত্র একটু ভিন্ন। হতাশার ছায়া তাদের চোখে-মুখে।

গোলাপের রূপ-ঘ্রাণ মুগ্ধ করে সব বয়সের মানুষকেই। সারি সারি গোলাপের মনকাড়া সৌন্দর্য নিয়ে সেজে আছে সাভারের বিরুলিয়ার বিভিন্ন গ্রাম। সাদুল্লাহপুর, বাগ্নিবাড়ি, শ্যামপুর ও সারুলিয়া গ্রামের ৮০ ভাগ বাসিন্দার পেশা গোলাপ চাষ। বাণিজ্যিক চাষাবাদের কারণে এলাকাটি পরিচিত গোলাপ গ্রাম নামে। দেশে গোলাপের চাহিদার বেশিরভাগ পূরণও হয় এখান থেকেই।

Rudra Amin Books
আপনার মতামত লিখুন :