হাসপাতালে ক্যাসিনো সম্রাট | Nobobarta

হাসপাতালে ক্যাসিনো সম্রাট

ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার রাতে হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে তাকে হৃদরোগ হাসপাতালের সিসিইউ-১ এ ভর্তি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ডা. মীর জামাল উদ্দিন জানান, সম্রাটের অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন বা অ্যারিদমিয়া সমস্যা। প্রতি মিনিটে স্বাভাবিক হৃৎস্পন্দনের মাত্রা ৬০ থেকে ১০০, এর চেয়ে কম বা বেশি মাত্রায় হৃদস্পন্দন হলে কিংবা দুটিই যদি ঘটে থাকে তবে সেটি অ্যারিদমিয়ার লক্ষণ। হাসপাতালের সহযোগী প্রফেসর ড. মহসিন আহমেদের অধীনে চিকিৎসাধীন আছেন সম্রাট। তার চিকিৎসায় দুপুরে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে বৈঠক করা হবে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতেই রাজধানীর রমনা থানায় সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। এ বিষয়ে সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি মিডিয়া) জিসানুল হক জানান, কাকরাইলের বাসায় অবস্থান করে অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত ১৯৫ কোটি টাকা সহযোগী এনামুল হক আরমানের (৫৬) সহায়তায় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করায় সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।

গত বছরের ৫ অক্টোবর ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে। তার সঙ্গে সহযোগী আরমানকেও আটক করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র‌্যাব। ওইদিন দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল সম্রাটকে নিয়ে কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে তারই কার্যালয়ে ঢুকে অভিযান শুরু করে।

Rudra Amin Books

সম্রাটের কাকরাইলের কার্যালয় থেকে একটি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া জব্দ করে তারা। পরে ছয় মাসের জেল দিয়ে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.