বইমেলায় থাকছে সাহিত্যিক জিল্লুর রহমানের উপন্যাস 'দাগ ও প্রিয়ন্তী’ | Nobobarta

বইমেলায় থাকছে সাহিত্যিক জিল্লুর রহমানের উপন্যাস ‘দাগ ও প্রিয়ন্তী’

সর্বক্ষেত্রে বাংলা ভাষাকে প্রধান্য দিতে মাস জুড়ে থাকে নানা আয়োজনে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের ন্যায় অমর ২১শে গ্রন্থ মেলায় ২০২০ থাকছে পাঠকদের জন্য কথা সাহিত্যিক জিল্লুর রহমানের উপন্যাস দাগ ও প্রিয়ন্তী।

এরিমধ্যে তার উপন্যাস ‘দুঃখ বিলাস, খুজেঁ ফিরি তারে, পরীর স্বপ্ন, কিশোর উপন্যাস সেই ছেলেটি, বিজয়নী’ পাঠক হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। প্রকৌশলী জিল্লুর রহমানের দিন দিন বাড়ছে ভক্ত ও শুভাকাঙ্খীর সংখ্যা। পৌঁছে গেছে লক্ষ পাঠকের হৃদয়ের স্পন্দনে। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসে জিল্লুর রহমান। দিনাজপুর জেলার বিরোল উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলী, মাতা মোছা: মরিয়ম নেছার পুত্র জিল্লুর রহমান, জন্ম ১৯৬৮খ্রি:।

মির্জাপুর সঃপ্রাঃবিঃ থেকে ৫ম শ্রেণি পাস করার পর ধর্মপুর ইউসি দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনঃ থেকে প্রথম বিভাগে ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন। ছাত্র জীবন শেষে স্কাইটাচ এপার্টমেন্ট, বেসরকারী সংস্থা কারীতাস এবং নটরডেম কলেজে দীর্ঘ দিন কাজ করার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রকৌশলী অধিদপ্তরে যোগ দান করেন। বর্তমানে তিনি পঞ্চগড় শিক্ষা প্রকৌশলী অফিসে কর্মরত আছেন।

প্রতিবেদকের সাথে জিল্লুর রহমান একান্তই সাক্ষাৎকারে জানান, লেখালেখির অভ্যাস ছিল তার ছাত্র জীবন থেকে। তার লেখা প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় দৈনিক তিস্তা, উত্তর বাংলাসহ বেশ কয়েকটি প্রত্রিকায়। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ছোট্ট একটি ভালোবাসা’ প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে, তারপর শুরু হয় উপন্যাস লেখা প্রথম উপন্যাস ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ প্রকাশিত হয় ২০০৫ সালে। তারপর বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে একে একে প্রকাশিত হতে থাকে ০১টি কাব্যগ্রন্থ, ৩টি কিশোর উপন্যাস, ১২টি উপন্যাস এবং ধারাবাহিক উপন্যাস গড ফাদার ০৩ খন্ড। লেখা শুরু থেকে বিরামহীন ভাবে চলছে একের পর এক উপন্যাস। উপন্যাস দাগ ও প্রিয়ন্তী কিছু অংশ বিশেষ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-প্রিয়ন্তীঃ প্রিয়ন্তীর সঙ্গে সুশান্তর বিয়ে হয়েছে তিন বার। একই বর-কনে তিনবার বিয়ের বিষয়টি অনেকের মনে কৌতুহলের সৃষ্টি করল। কারও অবিশ্বাস্য মনে হলো, কারো কারো মনে হাস্যরসের সৃষ্টি করল। কারও কারও হৃদয়কে আহত করল।

Rudra Amin Books

দাগঃ “শুভ্রর-দু’চোখ পানিতে ছলছল করে উঠলো, তার কন্ঠস্বর রুদ্ধ হয়ে গেল। উর্মি কান্না ভাঙ্গা গলায় বলল, শুভ্র তুমি আমার হাতে যে দোগ দেখছ, এই দাগ মামুনকে আমার ভালোবাসার দাগ, আমার মনের মধ্যে যে দাগ আছে সেটা মামুনকে হারানোরদাগ আর আমার দগ্ধ, বিকৃত মুখে যে দাগ দেখছো এটা প্রতিপত্তি আর আভিজাত্যের দেয়ালে বন্দি কুসঃস্কারাচ্ছন্ন সমাজে বসবাসকারী নির্যাতিত, বঞ্চিত নারীদের হৃদয়ের দাগ, বলেই উর্মি তার মুখের বোরকা খুলে ফেলল”। জিল্লুর রহমানকে প্রতিবেদক আপনি প্রকৌশলী আপনি তো অনেক ব্যস্ত মানুষ, কিভাবে তারপর উপন্যাস লিখেন প্রশ্ন করলে তিনি মৃদু হেসে বলেন, চাকুরী আমার পেশা, আর উপন্যাস লেখা আমার নেশা, দুটি আমার কাছে মুদ্রার এপিট ও ওপিঠের মতো। যেমন একে অপরের সম্পূরক।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.