আজ শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ১০:৪৭ অপরাহ্ন

অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠনের ৩৩তম বছর পূর্তি উৎসব-২০১৮ সম্পন্ন

অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠনের ৩৩তম বছর পূর্তি উৎসব-২০১৮ সম্পন্ন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠনের ৩৩তম বছর পূর্তি ও ৩৪তম বছরে পদার্পন উপলক্ষ্যে ৪ দিন ব্যাপী ১৩, ২১, ২৮ সেপ্টেম্বর ও ০৫ অক্টোবর, ২০১৮ তারিখ, বিকাল ৫.০০টায় সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র, পরীবাগ, মাজার গলি, ব্যাংক এশিয়ার পাশে, অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি ড. এনামুল হক। দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী, তৃতীয় দিনে প্রধান অতিথি কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী ও চতুর্থ দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থপতি কবি রবিউল হুসাইন।

প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি ও চলচ্চিত্রকার জাকির হোসেন রাজু, দ্বিতীয় দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি শরীফ এম আফজাল হোসেন, তৃতীয় দিনে জাতীয় কবিতা পরিষদের দপ্তর সম্পাদক কবি হানিফ খান ও চতুর্থ দিনে ছিলেন শিশু সাহিত্যিক আসলাম সানী। প্রথম দিনে সভাপ্রধান ছিলেন কবি ও গীতিকার খোশনূর। উৎসব আহবায়ক কবি হাসিনা মতীন ও সমন্বয়ক কবি সামসুন্নাহার ফারুক। দ্বিতীয় দিনে সভা প্রধান কবি অশোক ধর। বিশেষ বক্তা খোশনূর, সভাপতি, অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠন। শুভেচ্ছা বক্তা কবি অনিমেষ বড়াল। স্মৃতিচারণ করেন কবি লিলি হক ও কবি হাবীব আল হাসীব। সমন্বয়ক কবি নীপা চৌধুরী। সঞ্চালনায় অনুপ্রাসের মহাসচিব কবি রীনা তালুকদার, সহযোগীতায় কবি তৌহিদুজ্জামান ও কবি শাহনাজ পারভিন।

তৃতীয় দিনে সভা প্রধান কবি সামসুন্নাহার ফারুক। স্বাগত বক্তব্য কবি ও সাংবাদিক শেখ সামসুল হক, নির্বাহী সভাপতি, অনুপ্রাস। শুভেচ্ছা বক্তা কবি ও গীতিকার খোশনূর, সভাপতি, অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠন। স্মৃতিচারণ কবি অনিমেষ বড়াল। সমন্বয়ক ছিলেন কবি হাবীব আল হাসীব। আপ্যায়নে ছিলেন কবি নীপা চৌধুরী। সঞ্চালনায় অনুপ্রাসের মহাসচিব কবি রীনা তালুকদার, সহযোগীতায় কবি তৌহিদুজ্জামান। স্মৃতিচারণ করেছেন কবি ও গীতিকার খোশনূর ।শুভেচ্ছা বক্তব্যে কবি সামসুন্নাহার ফারুক। সভা প্রধান ছিলেন অনিমেষ বড়াল। সমাপনী বক্তা কবি ও সাংবাদিক শেখ সামসুল হক। সমন্বয়ক কবি তৌহিদুজ্জামান। সঞ্চালনা করবেন অনুপ্রাসের মহাসচিব কবি রীনা তালুকদার এবং সহযোগীতায় ছিলেন কবি নাজমা আক্তার।

প্রধান অতিথি কবি ড.এনামুল হকের সাথে প্রথম দিনে সম্মাননা -২০১৮ প্রাপ্ত লিখিয়েরা

প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে অনুপ্রাস প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্য থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি ড. জাহাঙ্গীর হাবীবুল্লাহ ও কবি নাসরীন নঈমকে সম্মাননা -২০১৮ প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে সংগঠন ও কবিতায় অবদান রাখায় কবি হাসিনা মতীন, কবি হেনা রহমান, কবি তৌহিদুজ্জামান, এবং কবিতায় অবদান রাখায় কবি আতাউল ইসলাম সবুজ, কবি নাজমা আক্তার, কবি রুনা লায়লা, কবি জেসমিন রুমিকে সম্মাননা -২০১৮ প্রদান করা হয়েছে।


প্রধান অতিথি কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর সাথে দ্বিতীয় দিনে সম্মাননা -২০১৮ প্রাপ্ত লিখিয়েরা

দ্বিতীয় দিনে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসাবে খোশনূর -কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই সাথে কবি ইকবাল হুসাইন তাপস-কে কবিতা ও সংগঠনে, কবি মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান-কে কবিতা ও সংগঠনে, কবি এনামুর রব রিপন-কে কবিতা ও সংগঠনে, কবি রওশন আরা সরকার-কে কবিতা ও সংগঠনে, কবি মো: ইসরাফিল হোসেন-কে কবিতা ও সংগঠনে, কবি নাজমা আক্তারকে কবিতা ও সংগঠনে, কবি কাজী হেমায়েত হোসেন-কে কবিতা ও সংগঠনে, কবি মো. মহসিন আলীকে কবিতা ও সংগঠনে এবং কবি শাহনাজ পারভিন-কে কবিতায়, কবি হাসাল আল জায়েদ-কে কবিতায়, কবি আশীষ কুমার দাস-কে কবিতায়, কবি মুনমুন মোনায়েম-কে কবিতা অবদায় রাখায় সম্মাননা-২০১৮ প্রদান করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারীর সাথে তৃতীয় দিনে সম্মাননা -২০১৮ প্রাপ্ত লিখিয়েরা

তৃতীয় দিনে কবি ও সাংবাদিক শেখ সামসুল হক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসাবে, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি শরীফ এম আফজাল হোসেন এবং কবি সামসুন্নাহার ফারুক-কে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসাবে সম্মাননা-২০১৮ প্রদান করা হয়। এছাড়া কবি স্মৃতি ভট্টাচার্য কবিতা ও সংগঠনে, কবি এস আই চৌধুরী-কে কবিতা ও সংগঠনে, কবি রেজাউল ইসলাম সবুজ সংগঠনে, বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার কবি জাকির হোসেন রাজুকে কবিতা ও সংগঠনে, ছড়াকার এইচ এস সরোওয়ার্দী-কে ছড়া সাহিত্যে ও সংগঠনে, কবি মো: মহসিন আলী -কে কবিতায়, কবি মো: আলমগীর হোসেন কবিতায় (নোয়াখালী জেলা অনুপ্রাস), কবি উন্মে জ্বীনাত-এ ফেরদাউসী কুঈন- কবিতা চর্চায় নিয়োজিত থাকায় অনুপ্রাস সম্মাননা -২০১৮ প্রদান করা হয়।

চতুর্থ দিনে কবি ছাত্তার উকিল (টাঙ্গাইল জেলা শাখা অনুপ্রাসের প্রথম সভাপতি, কবি অসুস্থ্য থাকায় পুত্র জাহিদুল ইসলাম সম্মাননা গ্রহণ করেন), কবি বাতেন বাহার (ছড়াসাহিত্যে), কবি লিন্ডা আমিন (সংগঠন ও কবিতায়), কবি মোঃ তসলিমুল ইসলাম চৌধুরী (কবিতায়), কবি রেজা সারোয়ার (কবিতায়), কবি লায়লা আরজুমন শিউলী (ছড়া সাহিত্যে), এ এস শিউলী (কবিতায়)-কে সম্মাননা -২০১৮ প্রদান করা হয়েছে।

দ্বিতীয় দিনে ২১ সেপ্টেম্বর কবি নাজমা আক্তার নাজুকে শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হয়। সমাপনী দিনে কবি মামনুল ইসলামের একক ভাবে ১০টি কবিতা পাঠ করেন। কবি মামুনুল ইসলামের ২টি গান গেয়ে শোনান বাংলা একাডেমীর কর্মকর্তা গীতিকার আরিফুর রহমান। বার্তা : রীনা তালুকদার, মহাসচিব, অনুপ্রাস জাতীয় কবি সংগঠন

পরিপূর্ণ তুমি
শেখ সামসুল হক

ডুবে যাচ্ছি নাতো, ঠাঁই কোথায় ? দূরে না কাছে
ময়ূর পঙ্খী নাও, ভীষণ দুলছে
দুঘন্টি পালে দমকা হাওয়া খেলছে দারুণ খেলা
এরপর আরো আছে ঢেউয়ের মাতলামী
ঠাঁই কি নেই তাহলে আজকে আমার
আপৎকালীন আশ্রয়ের পারাপারে
আপন বলতে এক নাম জানি সে আর কেউ নয়
আশায় ভালোবাসায় সেতো তুমি
তুমি ছাড়া এ দুর্মর ক্ষণে কারো কথা কোন স্মৃতি
মনোভূমি আলোকিত করার সাহস করেনি

ডুবে যাচ্ছি নাতো ঠাঁই কোথায় দূরে না সুদূরে
মনপবনের নাও ভীষণ দুলছে হালে পানি নেই নেই
তুফানী হাওয়া যা খুশী তাই বলছে
ঢেউয়ের দাপট বাড়ন্ত লাউয়ের ডগায় সুন্দরী ফণা তুলে
আপন পর ভুলে হানছে আঘাত
তবে কি কোথাও যাবার নেই কিছুই পাবার নেই
অভীরু মনোপ্রাণ ছুঁই ছুঁই করছে ভয়ের আকাশ
চেনা জানা কেউ নেই ধারে কাছে
অবসাদ আর ক্লান্তির কাটাতারে জড়িয়ে যাচ্ছি কেবল
দশদিক থেকে ঘিরে ফেলছে গোলাপ বাগান
কোথায় তুমি নিশিভোর স্বাগত সূর্যমুখী
উদ্ধার করো ডুবে যাচ্ছি হে বিপত্তরাণেষু
চাঁদ ডুবলে ওঠে আসে রোদে ভাজা কড় কড়ে সূর্য
আমি ডুবলে ওঠে এসো তরতাজা পরিপূর্ণ তুমি।

ধার দেনা
নাসরীন নঈম

নিজের কথা আর নয় এবার
তাহাদের কথা লেখো
আকাশও নয় পাখিও নয়
এবার দুচোখ খুলে আঁধারের রূপ দেখ।
দুঃখের কুসুম থেকে পরাগের দেনা
পুরনো চামড়ার স্যুটকেসে তুলে রাখো
ভাষা হার মেনে যাক
মধ্য আশ্বিনের গুমোট কাটাতে
খুলে দিতে পার মনের জানালা
হাওয়া না আসুক স্মৃতিরা আসুক
পেঁয়াজের খোসার মতো শরীরে লেপ্টে থাকুক নোনা ঘাম
মিটে যাক অনাদি কালের যতো ভুল ধারণা।

আমরা দু’জনেই তখন ছন্দ
সামসুন্নাহার ফারুক

আমরা দু’জনেই তখন ছন্দ
নেচে গেয়ে যে ছন্দ মৃদঙ্গ বাজায়
সৃজনশীল সৃষ্টির মধূর আলয়
প্রাণরসে ভরপুর সুরভিত বোলে
সুষমিত অনিন্দিত ঝংকার তোলে
ভাব ভাষা চিত্রকলা উপমা উৎপ্রেক্ষায়
কবিতারা হয়ে ওঠে তুখোড় বাঙময়
ছন্দের ব্যাকরণে কাব্য কথনে
স্বাচ্ছ্যন্দে নিমগ্ন থাকি নিভৃত ভূবনে
সেই থেকে দু’জনেই হয়ে গেছি সুর
যে সুরে আবিষ্ট মনে
জলসার আয়োজনে
সুখোষ্ণ হৃদয়ে বাজে সহস্র নূপুর
আন্মনে আবীর মাখে উর্বশী সবিতা
অপরূপ ছন্দের বিচিত্র বিন্যাসে
ছন্দায়িত জীবন
পল্লবিত হয়ে ওঠে কবিতার চাষে।

কষ্ট কথা
স্মৃতি ভট্টাচার্য

কষ্ট পেতে চাইনি
পেলাম কষ্টের ঘর বাড়ি
কাউকে কষ্ট দেবার ভাবনা
কখনোই ছিল না
তারপরও কষ্টের তীব্র দহন জ্বালা দিয়েছে
ঘরে বেঘরে
আমার কষ্ট কেউ দেখেনি বুঝেনি কখনও
কষ্টে কষ্টে আমি নীলকণ্ঠ হয়ে গেছি
ভালা লাগা ভালবাসা এখন আর
বুঝতে পারি না
কষ্ট নিয়ে আছি কষ্ট নিয়ে থাকি
কষ্ট পেয়ে কষ্ট নিয়ে
জীর্ণ শীর্ণ হয়ে আছি।

হাসুমনির পাঠশালা
রীনা তালুকদার

হাসুমনির পাঠশালাতে
কিশোর হাসু কবি
জন্মোদিনের উৎসবে তার
রঙ বেরঙের ছবি

সব ছবিতে অন্য রকম
হাসুমনির হাসি
মা মাটি বোন মাতৃসম
সবাই ভালোবাসি

বাংলাদেশের হৃদয় হলো
হাসুমনির মনে
ধন্য এ দেশ দু:খ সুখে
বাড়বে ধনে জনে।

হাসুমনির পাঠশালাতে
তোমরা সবাই এসো
মজার মজার বই পড়ে
নিবিড় ভালোবেসো।

নিয়তি
এস আই চৌধুরী

জীবন তরঙ্গে খেলিছ রঙ্গে
দিনমান বসে একা নদীতীরে
দিবানিশি একাকার সময়ের সাথে
যুদ্ধ করে টিকে আছি একা
ভবনদী পারাপারে হবে দেখা
খর¯্রােতা নদী, আমি বড় একা
আধাঁর ভরা রাতে আকাশে জোৎসনা নাহি জাগে
এক হাত দূরে দেখা মেলাভার স্বজনের
কঠিন দরিয়া ঠান্ডা জল করিতেছে খেলা
নিকষ আধাঁরে তোমরা কারা ?
বাধার প্রাচীর বানিয়েছ সদা
তারপর আমি যাব একা
বিধাতার সাথে হবে দেখা।

আতাউল ইসলাম সবুজ
সত্যের কাছাকাছি

তোমরা সবাই সত্যের কাছাকাছি হও
দেখবে মনের যত ময়লা আছে
সব ধুয়ে মুছে একাকার।

অন্যায় অপরাধ পাপবোধ যতই থাক না কেন
সত্য তোমাদের পৌঁছে দেবে
সুন্দর আদর্শ স্বপ্নিল জীবনে।

সত্য সুন্দর চিরন্তন বানী
সত্য আমাদের জীবনে আসে
সকল আঁধার দূর করে আলো জ্বালাতে।

আমরা সবাই সত্যের পূজারী কথাটি বলি-
কিন্তু অনেকেই তা মানি না।
সত্য আড়াল করে চলে, মিথ্যার জয়গান।

সমাজ সংসার এই জীবনের সকল প্রান্তে
সত্য হয়ে উঠে অনেকের কাছে দূর্বিষহ।
তবুও সত্য, সত্যই থেকে যায় চিরঅ¤øান।

তোমরা সবাই সত্যের কাছাকাছি হও
দেখবে মনের যত ময়লা আছে-
সব ধুয়ে মুছে একাকার।

শান্তনার অশ্রæ
খালেদা তারেক

তোমার পুষ্পিত রোমান্টিক মনটিকে
সাজাব আজ বেদনার অশ্রæ জলে
ঝিনুক কুড়ায়ে কুড়ায়ে মুক্তোর
মালা গড়েছি তোমায় দেব বলে
তা আমি সাজাব সাগরের জলে
যে জ্যোৎ¯œায় তোমার আমার
বাসর সাজিয়েছি পুষ্প দিয়ে
তা ডেকে দেব কৃষ্ণ কালো মেঘে।

তোমার পুষ্পিত রোমান্টিক মনটিকে
সাজাব বেদনার অশ্রæ জলে
যে বলাকা কথা দিয়েছিল
তোমায় আমায় নিয়ে ঘুরবে
আকাশ পথে মেঘের ঢেউয়ে
তাকে আজ নিশেদ করে
মনে শান্তনার অশ্রæ ঝরাব।

বিন্দু বিন্দু ভালবাসা জমায়ে
যে সাগর সৃষ্টির উল্লাসে উল্লাসিত
তা আজ বালুকা বেলায় ভরে
তুলে দুঃখের মরুভূমিতে সাজাব
অল্প অল্প পুষ্প ছিটিয়ে যে
ভালবাসার বেহেস্ত গড়েছ
তা আগুন লাগিয়ে দুঃখের
দোযখ খানা গড়ব
তোমার পুষ্পিত রোমান্টিক মনটিকে
সাজাব বেদনার অশ্রæ জলে।

প্রানের ঢাকা
আশিষ কুমার দাস

ঢাকা আমার প্রানের শহর
কোটি কোটি জনের বহর
হাজার বাজার লক্ষ গলি
বাতাসে তার ধুলা বালি
যানজট আর কালো ধোঁয়া
ভবনগুলো আকাশ ছোঁয়া
এই ঢাকাতে ঢাকেশ্বরী
পুজিতো হন মহেশ্বরী।

লোকের মুখে শুনতে পেরে
ঢাকায় নাকি টাকা উড়ে
গ্রামের মানুষ এসে ঢাকায়
ভরছে নগর কানায় কানায়
ঢাকায় থেকে বড় হলাম
কত কিছুর স্বাক্ষি হলাম
খালগুলো সব রাস্তা হলো
বাসাভারা আকাশ ছুলো।

জন্ম থেকে এই ঢাকাতে
দেখছি কত দিনে রাতে
অযোগ্য কেউ যাচ্ছে চলে
কেউবা বড় আঙ্গুল ফুলে
কেউবা লড়ে প্রান পনে
কেউবা সুখি জনে জনে।

আমি অধম কপাল পোড়া
স্বপ্নগুলো আজও অধরা।
তবুও মনে এই বাসনা
ধরা দিবে সম্ভাবনা।
ঢাকেশ্বরির কৃপা দানে
দৃঢ় বিশ্বাস মনে প্রাণে।

ভবরঙ্গিণী
কবীর হুমায়ূন

সে এক সকাল বেলা এসেছো খেলতে খেলা
খেলেছো তুমি কতোই ছলে!
এঁকেছি তোমার ছবি ভোরের উজ্জ্বল রবি
রেখেছি গোপনে হিয়াতলে।

ভালো লাগা ভালোবাসা দুঃখ-সুখের প্রত্যাশা
ধরে রাখি করিয়া যতন,
বসন্তের বায়ু ধারা যেন তারা আত্মহারা
নবতর পাতার মতন।

ভাসাই তরণী জলে তোমার নামটি বলে
ভবরঙ্গিণী, মম সঙ্করী!
মোহন বাঁশির তানে হৃদয় উতল গানে
গোপনে করিছো মন চুরি।

মন নিয়ে খেলা শেষে চলে গেলে দূর দেশে
ছিলেম ভালোই অন্তরালে,
ভুলে গিয়ে সব কথা শূন্যতার ব্যাকুলতা;
কেনো এলে ফের সন্ধ্যাকালে?

স্মরণের চিহ্নগুলো হোক গোধুলির ধুলো
উড়ে যাক দূর সীমানায়,
ঝেড়ে ফেলে সব মায়া ভালোবাসা শ্যাম ছায়া
চেয়ে রবো নীল নীলিমায়।

বিদায় বেলায়
মো: আলমগীর হোসেন

ঘণ্টা যখন বেজে গেছে এখানে মোর শেষ
বিদায় বেলায় পাইনি সাড়া বেশ হয়েছে বেশ
ছিলে তুমি আমার সখী চলার পথের সাথী
প্রেমালাপে কাটিয়ে দিতে অনেক দিবা রাতি
কাজল কালো মুখটি আমার চোখে ঝরে বারি
কান্না দেখে কাঁদছে যে মোর বেবাক তরুর সারি।
ঘুমের ঘোরে শূন্য খাটে থাকবে নাকো কেউ
পিছু তবু ডাকছে মোরে এ কোন নদের ঢেউ
স্বপ্নের তরী ডুবল নদে ভাঙ্গিল মোর পণ
আছে এখন শুধুই শরীর একটি নিখুঁত মন
ললাটে তব নিঃশ্বাস মম লাগবেনা যে আর
নেইকো শক্তি পাবে সাড়া টেলিফোনের তার।
বারেক ফিরে তাকাই আমি একটু পেতে সাড়া
নিরব ছিল সকল মানুষ নিরব ছিল পাড়া
কল্পনাতে তোমার ছবি ভাসে যে মোর মনে
হৃদয়েরি তার ছিঁড়ে যায় প্রতি ক্ষণে ক্ষণে
জীবন প্রদীপ নিভে গেলে থাকেনা কো-কিছু
তবু তোমার হৃদয় জানি ছাড়বে না মোর পিছু
শূন্য হাতে তোমায় ছেড়ে যাচ্ছি চলে আমি
সুখী, সুন্দর রাখবে তোমায় প্রভু অন্তর্যামী ।

১১ই অক্টোবর, ২০১৮। বিকাল ৫টায় ঢাকার হাতিরঝিল বিগ বার্গার ক্যাফে -তে কবি আতাউল ইসলাম সবুজ-এর একক কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানে সবাইকে সবান্ধব আমন্ত্রন জানানো হলো।

প্রধান অতিথি : কবি সামসুন্নাহার ফারুক
বিশেষ অতিথি : কবি হাসিনা মতীন, কবি নাজমা আক্তার
আলোচক : কবি অনিমেষে বড়াল, কবি তৌহিদুজ্জামান, কবি জেসমিন রুমি।
সভাপ্রধান : ইব্রাহীম ভূইয়া, সভাপতি, অনুপ্রাস মহানগর পূর্বাঞ্চল
সাধারণ সম্পাদক: শাহনাজ পারভিন, সাধারণ সম্পাদক, অনুপ্রাস মহানগর পূর্বাঞ্চল
অনুষ্ঠান স্থান : বিগ বার্গার , মধুবাগ পয়েন্টের বিপরীতে, রানার পয়েন্ট বরাবর নীচে, বৌবাজার, হাতিরঝিল, ঢাকা।বিকাল ৫টায়।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন




Leave a Reply

জনসম্মুখে পুরুষ নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com