আজ শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

১লা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৭ই রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী
National Election
জামালপুর সদর-৫ আসনে জনপ্রিয় মারুফা আক্তার পপি

জামালপুর সদর-৫ আসনে জনপ্রিয় মারুফা আক্তার পপি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রীনা তালুকদার : সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বর্তমান আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি। তিনি জামালপুর-৫ (সদর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। ১১ অক্টোবর, ২০১৮ তারিখ সকালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ধানমন্ডি থেকে বিপুল সংখ্যক সমর্থন নিয়ে মনোনয়ন ফরম ক্রয় করে সন্ধ্যায় জমা দেন।

আগামী নির্বাচনে জামালপুর-৫ সদর আসনে বিপুল ভোটে নৌকা মার্কায় জয় করাই তাঁর লক্ষ্য। এবার সদর আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে যে কজন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তাদের মধ্যে মারুফা আক্তার পপির অবস্থান বেশ শক্ত। মারুফা আক্তার পপি বিশ্বাস করেন দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার নামই আওয়ামী লীগ।

গণ মানুষের কাছে প্রচন্ড গ্রহণযোগ্যতায় পপি প্রকৃত নেতা। নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় তিনি প্রস্তুত সর্বদায়। তিনি সহজ, সরল, সৎ ও আদর্শবান; যার কাছে মুজিব ভক্ত ও শেখ হাসিনার কর্মীরা অত্যন্ত মূল্যবান। ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্টের সেই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন মারুফা আক্তার পপি। সেদিন আইভি রহমানসহ অনেকেই জীবন হারিয়েছেন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান মারুফা আক্তার পপি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অত্যন্ত পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা মারুফা আক্তার পপি। তিনি সম্মিলিত যে কোনো প্রচেষ্টাকে প্রাধান্য দেন সব সময়। এই রকম মানসিকতা থেকে সবখানেই নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা রাখেন। মানুষকে ভালবাসা, মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানষের সুখে-দুঃখে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া যদি রাজনীতির মূল অনুষঙ্গ হয়ে থাকে, তবে মারুফা আক্তার পপি অনেক আগে থেকেই সেই ইতিবাচক রাজনীতিবিদ। জামালপুরের গর্ব, জামালপুরের অহংকার। অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে কোনও অবস্থায় তীব্র প্রতিবাদ করার নির্ভীক সাহসী একটি নাম মারুফা আক্তার পপি। সমগ্র বাংলাদেশ বা তরুণ ছাত্রসমাজ যাকে এক নামে চিনে ও জানে। রাজপথের লড়াকু সৈনিক, যিনি কোনও অন্যায়ের কাছে কখনও মাথানত করেনি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া সৈনিক শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড মারুফা আক্তার পপি।

মারুফা আক্তার পপি, ২০০৪ সালের ২১শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলার হাত থেকে বেঁচে যাওয়া মৃত্যুঞ্জয়ী এক নেতা।

তিনি তারুন্যকে কাজে লাগাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। সেই লক্ষ্যেই তিনি উন্নয়নমূলক ও ব্যতিক্রমধর্মী কিছু কাজে সম্পৃক্ত করেছেন অসংখ্য তরুণদের। তিনি তরুণদের মাঝ থেকেই আদর্শ নেতৃত্ব খোঁজেন। সেই লক্ষ্যেই শেখ হাসিনার ভিশন-৪১ বাস্তবায়নে তরুণদের তার সকল কাজে সম্পৃক্ত করেন। ১/১১ সরকারের বাহিনী যখন প্রিয় নেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা-কে কারাগারে নিয়ে যাচ্ছে – তখনও পিছনে তার যোগ্য শিষ্য মারুফা আক্তার পপি। সেদিন অনেক প্রভাবশালী আওয়ামী লীগের নেতারা সেইফ জোনে (নো ম্যান্স ল্যান্ড কিংবা দেশের বাইরে) চলে গিয়েছিল। মনে রাখা উচিৎ অতিকায় হস্তি ডাইনোসর) পৃথিবী থেকে লোপ পেয়েছে- চামচিকা ঠিকই রয়ে গেছে ( ঝঁৎারাধষ ড়ভ ঃযব ভরঃঃবংঃ) । অনেক প্রভাবশালীরা হারিয়ে যাবে, মারুফা আক্তার পপি ঠিকই থাকবে। মারুফা আক্তার পপি তরুণদের আইডল ও আধুনিক প্রজন্মের প্রীতিলতা। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও তিনি সাধারণ। অনেক কিছুই গ্রহন করতে পারতেন। করেননি, শুধু সাদামাটা জীবন যাপন করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন বলেই তিনি একনিষ্ঠ ও নিয়মিত একজন রাজনীতিক। তার একমাত্র পেশাই রাজনীতি। সারাজীবন শুধু চেয়েছেন গণমানুষের জন্য রাজনীতিটা করতে। জামাত-বিএনপি জোট সরকারের আমলে আন্দোলন সংগ্রামে তিনি নির্যাতিত হয়েছেন বহুবার। একজন প্রকৃত ত্যাগী ও যোগ্য মানুষ, তার জায়গা থেকে তার প্রকৃত মূল্যায়ন তার প্রাপ্য। এটা মারুফা পপির সাংগঠনিক অধিকার। কিন্তু তিনি কোন বিনিময় খোঁজেন না। কারণ তার নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা মমতাময়ী নেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা।

এই স্বাধীন বাংলাদেশকে কেউ ভালবাসলে সেটা একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই। দেশের সকল রাজনীতিবিদরা যদি বঙ্গকন্যার গুণের ১০% পেতেন তাহলে এই সম্ভাবনাময় দেশটা তার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করতো একটা উন্নত দেশ হিসেবে। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত ঘটনা দেশটাকে অনেক পিছিয়ে দিয়েছে। সত্যিকার অর্থে ঢাকার বাহিরের বাংলাদেশ অসাধারণ সুন্দর। এমন সবুজ ও দৃশ্যময় দেশ কোথাও পাওয়া দেখা যায় না। গত ১০ বছরে দেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনযাপন যে কতটা পরিবর্তন হয়েছে সেটাকে এক কথায় বলা চলে গধংংরাব ঊপড়হড়সরপ ঞৎধহংরঃরড়হ”! এখন এলাকায় মানুষের জীবনমান অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ ও সচ্ছল। দেশের উন্নতি অনেকাংশেই নির্ভর করে দেশের সামাজিক ও শিক্ষাগত উন্নয়নের উপর। বিশ্বের প্রতিটি দেশ এই জায়গায় এগিয়ে গিয়েছে। দেশের মানুষ সচেতন এবং আইন অনুরাগী হলেই কেবল দেশ সত্যিকার অর্থেই এগিয়ে যাবে। আমরা অনেক সময় ইউরোপ ও পাশ্চাত্যের দেশের সাথে তুলনায় আমাদের দেশকে পিছিয়ে রাখি। কিন্তু আজকের ইউরোপ, আমেরিকা বা জাপান, চীন এক শতাব্দীতে এই অবস্থায় আসেনি। ইউরোপ যে কতটা বর্বর ও কলুষিত ছিল তা জানতে হলে জানতে হবে ইউরোপের ইতিহাস, জানতে হবে ঞৎবধঃু ড়ভ ডবংঃঢ়যধষরধ রহ ১৬৪৮, জানতে হবে বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস। তারা অনেক কিছু পেরিয়ে আজকের ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান ইত্যাদি ইত্যাদি। তেমনি বাংলাদেশও একটা ট্রাঞ্জিশন পিরিয়ড এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে অনেক কঠিন মুহূর্তের মধ্য দিযে পার হতে হবে বা হচ্ছে। তবে টিকে থাকার মানসিকতা ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তবেই আসবে কাংক্ষিত সেই সময়। যেকোন দেশ এগিয়ে যাবার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩টি পয়েন্ট হচ্ছে ১. ঝঃৎড়হম এড়াবৎহসবহঃ ২. অপপড়ঁহঃধনরষরঃু ৩. জঁষব ড়ভ খধি এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে প্রয়োজন চড়ষরঃরপধষ ঈড়হংবহংঁং. যখন এই জায়গায় পৌঁছাতে পারবে তখনই আর পিছিয়ে যাবার সন্দেহ নেই। বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৫০% যুবক যারা সবাই কর্মক্ষম। তাদেরকে কাজে লাগানোর জন্য দরকার রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে বিশেষ করে আজকের যুব সমাজকে একটা সুন্দর ও উন্নত দেশ উপহার দিয়েই যাবেন। আর এই তারুণ্য’র অগ্রগতি ও উন্নতির জন্য চাই তারুণ্যের প্রতীক মারুফা আক্তার পপির মত নেতা ও নেতৃত্ব। মারুফা আক্তার পপির সাথে রয়েছে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতা সহ অনেক তরুণ ও মেধাবী মুখ।

মারুফা আক্তার পপি তরুণদের মাঝ থেকেই আদর্শ নেতৃত্ব খোঁজেন। সেই লক্ষ্যেই শেখ হাসিনার ভিশন ৪১ বাস্তবায়নে তরুণদের তার সকল কাজে সম্পৃক্ত করেন। আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মারুফা আক্তার পপি। তাঁর নির্বাচনী আসন জামালপুর-৫। তিনি আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে বিরাট মিছিলসহ ধানমন্ডি কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার লাগিয়ে সরকারের উন্নয়নের ব্যাপক প্রচারণা করে চলছেন সদর আসন-৫ জামালপুরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায়। জামালপুর -৫ আসনের ডোর টু ডোর তিনি গিয়েছেন গণ মানুষের কাছে। জামালপুরের দোকান পাট ও বাজারগুলোতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে এ রাজনীতিবিদের দৃশ্যমান নির্বাচনী প্রচারণা। মানুষের মুখে একটি নামই ঘুরে ফিরে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু; দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও সহজ,সরল রাজনীতিবিদ মারুফা আক্তার পপির নাম। তিনি জামালপুর সদর আসনের সাধারণ মানুষের মন জয় করেছেন ইতোমধ্যেই। জামালপুর সদর আসনের নানামুখী উন্নয়নে সাধারণ মানুষ মারুফা আক্তার পপিকেই এবারের নির্বাচনে তাদের প্রতিনিধি হিসাবে সংসদে দেখতে চায়। এলাকার জনগণ তাদের নানা কার্যকমের মধ্য দিয়ে পপির প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানান দিচ্ছে। এসব প্রচারণায় আওয়ামীলীগ সরকারের বিগত দিনের উন্নয়ন তুলে ধরে নৌকার পক্ষে ভোট চাইছেন মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মারুফা আক্তার পপি ও পপি ভক্তরা। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সাথে প্রতিনিয়তই সভা-সমাবেশ করছেন তিনি। পপি পিয়ারপুরের কৃতি সন্তান। আওয়ামী লীগের প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে তিনি অনেক দীঘ রাজনৈতিক সময়ে থেকেই সক্রিয়। যতো বেশি প্রচার হবে ততোবেশি মানুষ আওয়ামী লীগকে জানবে, বঙ্গবন্ধুকে জানবে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানবে। তাই উন্নয়নের প্রতীক নৌকার পক্ষে তিনিই বেশি প্রচার করে যাচ্ছেন। জামালপুর-৫ আসনে নৌকা মার্কার জয়ের লক্ষ্যে তার সকল কার্যক্রম। দল তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচন করবেন। মারুফা আক্তার পপি ও তার ভক্তদের বিশ্বাস, নেত্রী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেবেন এবং জামালপুরের শান্তি প্রিয় মানুষ তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। ইতিমধ্যে তৃণমূলের নেতা-কর্মী সহ সকল পর্যায়ের জনগণ ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন তার আহবানে। তারা মনেপ্রাণে মারুফা আক্তার পপিকে সংসদ সদস্য হিসেবে পেতে চায়। এলাকার জনগণের অনুপ্রেরণাই মারুফা আক্তার পপি এগিয়ে যচ্ছেন।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শেষ হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের ঢামাঢোলও বেজে উঠেছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর সব দলের অংশগ্রহণেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাবার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গুডবুকে থাকা ৩০ জন তরুণ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রায় নিশ্চিত হয়ে রয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন ও মাঠ জরিপে এগিয়ে থাকা এসব তরুণ প্রার্থী নিজেদের মনোনয়ন ফরমও ইতোমধ্যে জমা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডও চায় তরুণরা এগিয়ে আসুক রাজনীতির মূল ধারায় এবং পরবর্তী রাজনীতির হাল ধরুক। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী তালিকায় নতুন ও তরুণদের স্থান দিতে চান আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা। সেই তরুণ নেতৃবৃন্দের মধ্যে বেশির ভাগই সাবেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও বর্তমান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নাম রয়েছে। তালিকাতে কয়েকজন পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী নেতার নামও রয়েছে বলে জানা যায়। এই তরুণ প্রার্থীরা নিজ নিজ সংসদীয় আসনের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং জনপ্রিয়তা অর্জনে তারা এলাকায় যাচ্ছেন, গণসংযোগ করছেন। বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে মনোনয়ন প্রত্যাশী নতুন ও তরুণদের নজর এখন এলাকার দিকে। ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী এই নেতাদের অনেকেই এলাকায় ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। মনোনয়নের দৌড়ে পুরনো প্রার্থীদের সামনে বড় প্রতিদ্বন্দী এই তরুণরা। তাদের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ নেতা যেমন রয়েছেন তেমনি আছেন ছাত্রলীগ বা অঙ্গ সংগঠনের নেতাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর কয়েকজন সদস্য বলেন, আগামী নির্বাচনে প্রায় ১২০ থেকে ১৩০জন প্রার্থীর পরির্বতন হবে। এই আসনগুলোতে তরুণদের স্থান দেয়া হবে। বয়স্ক প্রার্থীদের নাম বার বার আসলেও এবার আগামী রাজনীতির নেতৃত্ব গড়ে তোলার জন্য তরুণদের বেশি প্রাধান্য দেয়া হবে। এর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে হওয়ায় ওই সময়ে ৫০টি আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হয়। কিন্তু এবার প্রায় ১০০’র বেশী আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে এবং তা হবে। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা বলেন, বয়সের কারণে যারা বিভিন্ন রোগ-শোকে ভূগছেন তারাও এবার দলের মনোনয়ন পাবেন না। এছাড়াও যে সকল সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে; তাদের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত তরুণদের দল মনোনয়ন দেবে। সেখানে মারুফা আক্তার পপি সৎ, আর্দশবান ও যোগ্য হিসাবে এগিয়ে আছেন।

হাসুমনির পাঠশালার সভাপতি মারুফা আক্তার পপি। গত ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল-১১-সন্ধ্যা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী চত্ত¡রে হাসুমণি’র পাঠাশালা উদ্যোগে প্রথমবারের মতো চিত্রাঙ্কন কর্মশালা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ -এর সাথে হাসুমনির পাঠশালার আর্ট ক্যাম্পের মাধ্যমে শিশুরা ছবি আঁকে। হাসুমনির পাঠশালার মাধ্যমে মারুফা আক্তার শিল্প সংস্কৃতিমূলক অভিনব কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন। এখানেও তিনি ছোট্ট শিশুদের সঙ্গে নিয়ে কেক কেটে সেই হাসুমণি’র জন্মদিন উদযাপন করেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সম্পৃক্ত করে। হাসুমণি’র পাঠশালার সভাপতি মারুফা আক্তার পপি মতামত: ‘হাসুমণি’ শব্দটা বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের প্রতীকী শব্দ। বঙ্গবন্ধু তার বড় মেয়ে শেখ হাসিনাকে আদর করে ‘হাসুমণি’ বলে ডাকতেন। যেমনটি বাংলার ঘরে ঘরে প্রতিটি বাবা-মা তাদের প্রাণপ্রিয় সন্তানকে আদর করে সোনামণি বা যাদুমণি বলে ডাকেন। প্রিয় নেতার জন্মদিনে এমন সুন্দর উপহার নিখুঁত কাজ কতটা শিল্প সংস্কৃতিমনা হলেই কেবল করা সম্ভব তা বিবেচনার বিষয়। অথচ দলে থেকে অনেক নেতারই সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। কিন্তু তাদের চেয়ে মারুফা আক্তার পপি একেবারেই ভিন্ন মানসিকতার।

একই ভাবে হাসুমনি’র পাঠশালার প্রথম বর্ষপূর্তিতে ১৮-২৯ অক্টোবর, ২০১৮ পর্যন্ত দেশরতœ শেখ হাসিনার ৭১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মশালায় আঁকা ৭১টি প্রতিকৃতি ও জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী সূঁচিশিল্প প্রদর্শনী করেন হাসুমনি’র (শেখ হাসিনা) জন্মদিনে। যেখানে তিনি পুরো জামালপুরের কৃষ্টিকেই তুলে এনে দেশ-বিদেশে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন। নেত্রীর জন্মদিনে তার যোগ্য কর্মীর এমন শৈল্পিক আয়োজন সত্যিই এক অনন্য উপহার। নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ, ২০২১ সালে রূপকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ হবে, ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হবে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে মারুফা আক্তার পপির মত যোগ্য, সৎ ও তরুণ মেধাবীরাই যোগ্য।

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে ৭১টি প্রতিকৃতি ও জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী সূঁচিশিল্প প্রদর্শনী

মারুফা আক্তার পপি একজন আদর্শিক নেতা। তিনি জামালপুর জেলার সদর উপজেলার(জামালপুর -৫) পিয়ারপুরের বাড়ি ঘাগুড়ী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি প্রয়াত মোসলেম উদ্দীন এবং প্রয়াত হাজেরা বেগমের কনিষ্ঠ সন্তান। স্বামী প্রফেসর মো. জুনায়েদ হালিম এবং এক মেয়েকে নিয়ে সাদামাটা সুখী জীবন যাপন তার। তিনি কৈশোর বয়স থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। রাজনৈতিক কারণে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় তিনি বারবার কারাগারে আটক থেকেছেন। রাজনৈতিক কারণে রাজপথে পুলিশ ও বিএনপি-জামাতের ক্যাডারদের হামলার শিকার হয়েছেন। ১/১১ ‘র রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হলে মারুফা আক্তার পপি নেত্রীকে কারামুক্ত করার আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

পিয়ারপুর শাহীদা খাঁয়ের বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। মিলনায়তন সম্পাদক, নান্দিনা কলেজ ছাত্র সংসদ, জামালপুর। ক্রীড়া সম্পাদক, নান্দিনা কলেজ ছাত্রলীগ, জামালপুর। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, রোকেয়া হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সাধারণ সম্পাদক, রোকেয়া হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সিনিয়র সহসভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি। সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটি (২০০২), কার্যনির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ। ছাত্ররাজনীতির সেই বিপদ সংকুল সময়ের দুঃসাহসী সংগঠক মারুফা আক্তার পপিকে আস্থা ও পরম নির্ভরতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন। জয়তু মুজিব কন্যা, জয়তু হাসুমনি, জয় বাংলা। বাংলাদেশ দীর্ঘজীবি হোক।

লাইক দিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com