আজ বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন

চার যুগেও নির্মাণ হয়নি কাউখালী-ভান্ডারিয়ার জোলাগাতী খালের সংযোগ সেতু

চার যুগেও নির্মাণ হয়নি কাউখালী-ভান্ডারিয়ার জোলাগাতী খালের সংযোগ সেতু

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কাউখালী প্রতিনিধি: স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও কাউখালী ও ভান্ডারিয়া উপজেলার আন্ত যোগাযোগের এক মাত্র বন্ধন জোলাগাতী খালের উপর কোন সংযোগ সেতু আজ পর্যন্ত নির্মান না হওয়ায় জন দূর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না। জোলাগাতী খালে দীর্ঘ ৮ কি:মি মধ্যে এপার থেকে ওপার যাওয়ার জন্য কোন পাকা বা আধাপাকা কোন ব্রিজ নির্মাণ করা আজও হয়নি।

এলাকাবাসির দীর্ঘদিনের দাবি এই খালের উপর গুরুত্বপূর্ন স্থানে পাকা ব্রিজ নির্মান করলে দুই উপজেলার যোগাযোগের সেতু মেলবন্ধন সৃষ্টি হত। যুগের পর যুগ ধরে তারা বিভিন্ন সময় ব্রিজের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম, ও কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন নিবেদন করেও বিষয়টি সুরা করা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন সময় অস্থায়ী ভাবে স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে বাশঁ ও সুপারি গাছের জোড়া তালি দিয়ে কোন মতে এই জোলাগাতির খালের বিভিন্ন গুরুত্ব স্থান ৬ টি সাঁকো দিয়ে কোন মতে ঝুঁকি নিয়ে পাড়াপাড় হচ্ছে।

এ খালের উপর গুরুত্বপূর্ন সাঁকো গুলো হল। সরদার হাট সংলগ্ন সাঁকো, জোলাগাতি সাইজউদ্দিন মেম্বারের বাড়ির সামনে সাঁকো, চটির হাট এলাকার সাঁকো, ওয়াজিদ সিকদারের বাড়ির সামনের সাঁকো, মিড়া বাড়ির সংলগ্ন সাঁকো এবং জোলাগাতি বেলায়েত মাদ্রাসা ও এতিমখানা সংলগ্ন সাঁকো। এই সকল সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ ব্যবসা-বানিজ্য, স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। গুরুত্বপূর্ন এই সাঁকো গুলো পাকা না হওয়ার কারনে বেকুটিয়া ফেরি ও চরখালি ফেরি পাড়াপাড়ে যেতে হলে যাত্রীদের দীর্ঘ ১০-১৫ কি:মি ঘুরে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় অপচয় করে তাদেরকে জেলা বিভাগ ও ঢাকা সহ বিভিন্ন গন্তব্যতে পৌছাতে হয়। গ্রামে এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে দরিদ্র, হতদরিদ্র পরিবারে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো স্কুল কলেজে শিক্ষাথেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

যার ফলে সাধারণ শিক্ষা গ্রহণ করে জেলেসহ অন্যান্য পেশায় জড়িয়ে পরতে বাধ্য হচ্ছে। এ সব এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন স্থবির হয়ে পড়ছে। জোলাগাতি এলাকার অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আঃ বারেক ক্ষোভের সাথে বলেন এই দুই উপজেলার সীমানায় জোলাগাতি খালের উপর কোন ব্রিজ না থাকায় খালের দুই পাড়ে থাকা ঐতিহ্য বাহী কাপালির হাট হাইস্কুল ও বালিকা বিদ্যালয় এবং আজাহারিয়া দাখিল মাদ্রাসা সহ ৭-৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শত শত ছাত্র-ছাত্রী চরম দুর্ভোগ নিয়ে লেখাপড়া করতে বাধ্য হচ্ছে। আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল ব্যাক্তিরা যোগাযোগ দুরবস্থার কারনে জেলা শহরে ও পাড়ি জমাচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান এস,এম আহসান কবির জানান জোলাগাতি খাল চওড়া বেশি ও দুই উপজেলার সীমান্তবর্তি খাল হওয়ায় প্রশাসনিক জটিলতার কারনে একটু সময় লাগছে। ব্রিজ নির্মানের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন




Leave a Reply

জনসম্মুখে পুরুষ নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com