আজ শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

সিরাজদিখানের চর পানিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

সিরাজদিখানের চর পানিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান

  • 16
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    16
    Shares
সালাহউদ্দিন সালমান॥
পাঁচ বছর পূর্বে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা করা হলেও ছোট ছোট কোমলমতি শিশুদের জীবনের ঝুকি নিয়েই পড়া-লেখা করতে হচ্ছে বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবনে। শিার্থীদের পাঠ দানের জন্য অতিরিক্ত কোন ক না থাকায় শিকরাও ২৮০ জন শিার্থী নিয়ে কাস চালিয়ে যাচ্ছেন এই ভবনেই। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে কাস রুমে। তখন সকলের মনেই ছাদ ধ্বসে পড়ার শঙ্কা থাকলেও জীবনের ঝুকি নিয়েই পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছেন মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের এই চর পানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক-শিার্থীরা।
চর পানিয়া সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের এই ভবনটি স্থাপিত হয় ১৯৯২/৯৩সালে।মাত্র ২৭ বছরের মাথায় এই ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। বিগত ৫ বছর পূর্বে প্রকৌশলীগণ জরিপ করে বিদ্যালয় ভবটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে ঘোষনা করে। অতি

পুরাতন ও জরাজীর্ণ এ ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করছে শিার্থীরা ও অভিবাবকরা। বিদ্যালয় ভবনটি দেখলে যেকেউই আঁতকে উঠবেন। ভবনের ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা উঠে গেছে। ছাদের পলেস্তারা উঠে গিয়ে ঢালাইয়ের সুরকি পড়েছে। মাঝে মধ্যে ছাদ থেকে পলেস্তারা ও সুরকি খসে পড়ে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। ভবনের পিলার ও ছাদের ঢালায়ের সুরকি খসে গিয়ে রড বেড়িয়ে পড়েছে। ভবনটি হয়ে পড়েছে সেঁতসেঁতে। যেকোন সময় এটি ধ্বসে পড়ে প্রাণ হানির কারণ হতে পারে। বর্ষার দিনে সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুঁইয়ে শ্রেনী কে পানিতে ভরে যায়। বৃষ্টিতে ভিজে যায় বইপত্র ও শিার্থীরা। এ সময় অধিক বেশী ঝুকিতে থাকে শিার্থীদের প্রাণ। ভারী বর্ষণ হলে আতঙ্কে থাকে অভিবাবকগণ। কারণ ভারী বর্ষণের ফলে ছাদ ভিজে নরম হয়ে যে কোন সময় এটি ধসে পড়ে প্রিয় সন্তানের প্রানটি কেড়ে নিতে পারে। এ ঝুকির মধ্যে বিদ্যালয় ভবনটি থাকলেও পাঁচ বছর আগে ঝুকিপূর্ণ করা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে কোনো পদপে গ্রহণ না করায় এলাকাবসীর মধ্যে চাপা ােভ বিরাজ করছে প্রশাসন তথা সরকারের উপর।

বিদ্যালয়ের একাধিক শিার্থী জানায়, একটু বৃষ্টি হলেই শ্রেনী কগুলোর ছাদ চুঁইয়ে চুঁইয়ে রুমের ভেতর পানি পড়ে। অথচ এর মধ্যেই তাদের কাস করতে হয়। অভিভাবকরা জানান, তাদের প থেকে বিষয়টি বিদ্যালয় কর্তৃপরে নজরে আনা হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই ঝুকিপূর্ণ জেনেও তারা সন্তানকে শিা দিতে স্কুলে পাঠাচ্ছেন।
বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ নূর জামান জানান যেকোন সময় ভবনটি মাটিতে ধসে পড়ে যেতে পারে বলে প্রকৌশলী গন এই ভবনটিকে ৫ বছর আগে ঝুকিপূর্ন ভবন বলে ঘোষনা দিয়ে যাবার পরেও এই বিদ্যালয়ে শ্রেণীক না থাকায় শিকগন ভয়ে ভয়ে এই ভবনের মধ্যে কাশ করে যাচ্ছেন।
চর পানিয়া সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক আসমা আক্তার জানান, বিদ্যালয়টি বর্তমানে খুবই ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভয়ে ভয়ে কাস করতে হয়।চারটি করে মধ্যে একটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত বাকি তিনটিতে জরাজীর্ণ আশংকা জেনেও উপায়ন্তর নাপেয়ে কাশ নেয়া হচ্ছে। দ্রুত এটি মেরামত করা না হলে যে কোন সময় ভবনটি ধসে পড়ে শিক-শিার্থীদের জানমালের তির কারণ হতে পারে।
সিরাজদিখান উপজেলা প্রাথমিক শিা কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন জানান, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস জরিপের পর ভবনটি ঝুকিপূর্ণে ঘোষনা করে। বিষয়টি ঊধ্বর্তন কতৃপকে জানানো হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাতে এটা হয় সেজন্য আমি চেষ্টা করছি।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন




Leave a Reply

কে এই যুবক? টিস্যু দিয়ে বঙ্গবন্ধুর বিকৃত ছবি পরিস্কার করছে



Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com