মুদ্দত চেয়ারম্যানের কারসাজিতে প্রকাশ্যে সেগুনটিলা পাহাড় কাটা অব্যাহত | Nobobarta

আজ বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
প্রথম রাতে ৩৭শ পরিবার পেলো খাদ্যসামগ্রী : সিসিক বস্তিতে ভরা দুপুরে কন্ঠশিল্পী নয়ন দয়া ও হাজী আরমান ৬৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেবে সিসিক ভালুকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন সাদিকুর রহমান ঝালকাঠি করোনা প্রতিরোধে রক্ত কণিকা ফাউন্ডেশন জীবাণুনাশক স্প্রে করোনাঃ দুস্থদের খাদ্য দিলো কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সিরাজদিখানে দেড় হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রাজাপুরে সাইদুর রহমান এডুকেশন ওয়েল ফেয়ার ট্রাষ্ট’র হতদারিদ্রদের মাঝে ত্রান বিতরণ রাজাপুরে পল্লী বিদ্যুত সমিতির গরীব মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ রাজাপুরে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করলেন ইউপি সদস্য
মুদ্দত চেয়ারম্যানের কারসাজিতে প্রকাশ্যে সেগুনটিলা পাহাড় কাটা অব্যাহত

মুদ্দত চেয়ারম্যানের কারসাজিতে প্রকাশ্যে সেগুনটিলা পাহাড় কাটা অব্যাহত

Rudra Amin Books

মিজানুর রহমান সোহেল, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ উপজেলা ও বাহুবল উপজেলার সীমান্তবর্তী পুটিজুরি ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের সেগুনটিলা থেকে প্রকাশ্যে চলছে পাহাড় কাটা। পাহাড়ে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপের কাছে।

মহাসড়ক নিকটবর্তী কল্যানপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশপাশ এলাকায় পাহাড় থেকে মাটি কেটে এনে যেখানে সেখানে মজুদ করা হচ্ছে। দেখেও না দেখার ভান করছে প্রশাসন এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

সরেজমিনে রবিবার বিকেলে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের গোপলার বাজার নিকটবর্তী বসুন্ধরা গ্রুপের জায়গায় মাটি ভরাটের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে পাহাড় কাটার মাটি। একাধিক ট্রাক দিয়ে পাহাড় থেকে মাটি এনে ভরাট করে আসছে কোম্পানিটি। মাটি আনার একটি ট্রাকের পিঁছু নিয়ে পুটিজুরি ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের সেগুনটিলায় পৌঁছে পাহাড় থেকে মাটি কাটার দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করেন প্রতিবেদক। এসময় মাটি কাটায় ব্যবহারকৃত এক্সেলেটারের চালক প্রতিবেদককে ছবি তুলতে নিষেধ করেন তখন তার সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয় একপর্যায়ে তিনি বলেন এটা মুদ্দত চেয়ারম্যানের কাজ পত্রিকায় লিখলে কিছুই হবেনা। এদিকে মাটির কাটার বিষয়ে প্রশাসনের বরাবরে ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন সচেতনমহল ।

এব্যাপারে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, কয়েক বছর ধরেই বাহুবল,নবীগঞ্জসহ হবিগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে পাহাড় কেটে নিচ্ছে পাহাড় খেকোরা, পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্বেও বরাবরই প্রশাসন কোনো জুড়ালো ভূমিকা নেয়নি। এব্যাপারে কার্যকরী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করে যারা পরিবেশ নষ্ট করছে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান তিনি।

এব্যাপরে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এব্যাপাওে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ প্রসঙ্গে জানতে মুদ্দত আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta