সিরাজগঞ্জে ইটভাটার গ্রাস থেকে রেহায় পাচ্ছে না ফসলি জমি | Nobobarta

আজ শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২০, ০৫:০২ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জে ইটভাটার গ্রাস থেকে রেহায় পাচ্ছে না ফসলি জমি

সিরাজগঞ্জে ইটভাটার গ্রাস থেকে রেহায় পাচ্ছে না ফসলি জমি

Rudra Amin Books

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ইটভাটা মালিকের গ্রাস থেকে রেহায় পাচ্ছেনা ফসলি জমি, নদীর পাড় ও গ্রামীণ সড়ক। ইট ভাটার মৌসুমের আগে থেকে এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুকুর খনন, ফসলি জমির টপ শিটের মাটি, নদীর পাড়ের মাটি, খাস জমি ও গ্রামীণ কাঁচা সড়কের মাটি অবাধে চলে যাচ্ছে ইঁভাটাগেিলাতে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসি অভিযোগ করলেও এই মাটি বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না।

স্থানীয়রা জানান, উক্ত উপজেলার সরাদহ মৌজার প্রায় ৪ বিঘা খাস জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় ব্যবহার করছে ইটভাটার মালিকরা। তারা করতোয়া নদীর পাড় ও গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা কেটে দেদারছে মাটি নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটায়। এছাড়াও নিঝুরি, বাশুড়িয়া, ইচলাসহ বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমির টপ শিটের মাটি বিক্রির চলছে মহোৎসব। এ ব্যাপারে রায়গঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ভূমি অফিসের সহায়তায় ফসলি জমি থেকে মাটি উত্তোলণ বন্ধ করে দেয়া হয়। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে পুনঃরায় মাটি উত্তোলণ শুরু করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, যেভাবে ফসলী জমিতে পুকুর খনন ও টপ শিটের মাটি বিক্রির মহোৎসব চলছে, তাতে আগামীতে ইরি-বোরো ধান উৎপাদন চরমভাবে ব্যহত হবে এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ার সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে। এ উপজেলায় ইরি-বোরো চাষাবাদের জমির পরিমাণ ছিল ২৬ হাজার হেক্টর। বর্তমানে এ চাষাবাদের জমি ১৯ হাজার ৫’শ হেক্টরে এসে দাঁড়িয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমুর রহমান বলেন, ইটভাটার নামে ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি বিক্রি প্রতিরোধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান শুরু করা হয়েছে। এ অভিযানে মঙ্গলবার দুপুরে এক ইটভাটার মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta