মিন্নির সঙ্গে কারাগারে ১৩ আসামির সাক্ষাৎ! | Nobobarta
Rudra Amin Books

আজ বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন

মিন্নির সঙ্গে কারাগারে ১৩ আসামির সাক্ষাৎ!

মিন্নির সঙ্গে কারাগারে ১৩ আসামির সাক্ষাৎ!

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও নিহতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি রিমান্ড শেষে বর্তমানে বরগুনা জেলা কারাগারে রয়েছেন। কারাগারে মিন্নির জায়গা হয়েছে নারী ওয়ার্ডে। সেখানে মিন্নি ছাড়াও রয়েছেন ১৪ নারী বন্দি। রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অন্য ১৩ আসামিও রয়েছেন একই কারাগারের বিভিন্ন সেলে।

তবে সেল ভিন্ন হলেও দিনের বেলায় তাদের দেখা হয়। কারাগারটি পরিসরে ছোট হওয়ায় আসামিদের দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ রাখা সম্ভব হচ্ছে না। মিন্নি এটা নিয়ে অনেকটাই বিব্রত। যারা চোখের সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তারাই এখন সামনে ঘুর ঘুর করছে। বিষয়টি তাকে ভীষণভাবে কষ্ট দেয়।

Rudra Amin Books

কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির দিন কাটছে বিষণ্ণতায়। তাকে হতাশাগ্রস্ত দেখা গেছে। তিনি অধিকাংশ সময় চুপচাপ থাকেন। কারাগারে বই পড়ার আগ্রহও দেখিয়েছেন তিনি। তার আইনজীবী সেটি কারা কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছেন। কারা কর্তৃপক্ষ আবেদন করলে জেলকোট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বস্ত করেছে। গত বুধবার দুপুরে কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করেন তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও বরগুনা বারের সাধারণ সম্পাদক এবং মিন্নির আইনজীবী মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। তারা উভয়ই দাবি করেন, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় পুলিশের নির্যাতনে খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মিন্নি। তাই তার চিকিৎসা প্রয়োজন। এছাড়াও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিখিয়ে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতে বলেছেন মিন্নি। তাই এ স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করতে চান তিনি।

বৃহস্পতিবার রাতে বরগুনা জেলা কারাগারের সুপার মো. আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মিন্নি আদৌ অসুস্থ না। তার আইনজীবী এসেছিলেন। আমি মিন্নিকে তার আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করিয়ে দিয়েছি। আমার সামনেই মিন্নির আইনজীবী তার কাছে বারবার জানতে চেয়েছেন, তাকে মারধর করা হয়েছে কি না এবং সে অসুস্থ কি না? এর উত্তরে মিন্নি বলেছেন, আমি ঠিক আছি। আমার শরীরে ম্যাজ ম্যাজ করে একটু ব্যথা হয়েছে।’

বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তায় ২৬ জুন সকাল ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। সেদিন বিকাল ৪টায় বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ২৭ জুন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনের নামে এবং চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন। প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ২ জুলাই ভোরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

–বাংলাদেশ জার্নাল


Leave a Reply



Nobobarta © 2020। about Contact PolicyAdvertisingOur Family DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com