আজ শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন

পোষা বিড়ালের মৃত্যুতে অঝোরে কাঁদলেন সংবাদকর্মী

পোষা বিড়ালের মৃত্যুতে অঝোরে কাঁদলেন সংবাদকর্মী

  • 64
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    64
    Shares

রবিউল ইসলাম, তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি :পোষা বিড়ালের মৃত্যুতে অঝোরে কাঁদলেন সংবাদকর্মী ও মোজাবের উদ্যোক্তা এস কে দোয়েল। আজ (৪ মে) শনিবার দুপুরে মৃত বাচ্চা প্রসব জনিত কারণে মৃত্যু হলে অঝোরে চোখের জল ফেলেছেন তিনি ও তার সহধর্মিনী ফিরোজা আক্তার লাবণ্য।

জানা যায়, শিশু বয়স হতেই লালন-পালন শুরু করেন দুটি বিড়াল ছানা। নাম রেখেছিলেন একটির নাম মিনি অপরটির নাম নিশি। অত্যাধিক পোষ মানায় এতোটাই শিকারি হয়েছিল যে, তাদের নাম ধরে ডাকলেই চোখের পলকে হাজির হতো তারা। নির্ধারিত থালা ছাড়া খেতো না খাবার।প্রয়োজনে খাবার সামনে রেখে পাহাড়া দিত তারা। মাছ-মাংস বিড়ালের পছন্দ হলেও কোনদিন কোন খাবারে মুখ দিতে দেখা যায়নি।

বিড়াল দুটির পিছনে প্রতিদিন ৫শ গ্রাম গাভীর দুধ, আড়াইশ গ্রাম মুড়িসহ কেক খায় এরা। এদের একজনের মৃত্যুতে স্বজন হারানোর মতো শোকবিহবলে পড়েছেন এ সংবাদকর্মী। পশু প্রাণী প্রিয় মিনি মারা যাওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি জানান, মিনি গর্ভবতী ছিল। তিনিদিন আগে একটি বাচ্চা দেয়। পরের দিন একটি মরা বাচ্চা প্রসব করে। মনে হয়েছিল, আর দিবে না। কিন্তু পরে বুঝতে পারলাম আরো একটি বাচ্চা পেটে রয়েছে। কিন্তু সেটা প্রসব হচ্ছিল না।

এতে ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাকে শরিবার (৪ মে) সকালে ভেটেরিনারি ডাক্তার এনে মৃত বাচ্চা প্রসব করানো হয়। ভেটেরিনারি ডাক্তার আইবুল হক জানান, বিড়ালটির অবস্থা ভালো না। দুপুরের দিকে মিনির মৃত্যু হয়। সংবাদকর্মীর সহধর্মিনী লাবণ্য জানান, মিনি-নিশিকে ছোট্ট থেকে লালন-পালন করে আসছি। ওরা দু’বোন। খুব যত্ন করেছি। সময় মত খাইয়েছি। গোসল করিয়েছি। মিনি আমাকে মা ডাকে। অসুস্থাবস্থায়ও তাঁর কানের কাছে গিয়ে মিনি ডাকতেই মা বলে সাড়া দিত। আর আমাকে মা ডাকবে না মিনি।

তিনি আরও বলেন, মিনি ছিল খুব ধৈর্যশীল। নিশির দুটি বাচ্চা হাসি-খুশি। তাদেরকে বড় করেছে এই মিনি। বাচ্চা প্রসবের দিনও হাসি-খুশিকে কাছে টেনে আদর করেছে। দুধ খাইয়েছে। বোনের বাচ্চার প্রতি ওর এতোটা টান, খুব অবাক হতাম দেখে। কথাগুলো তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন। সকাল থেকেই কাঁদছিলেন তিনি। বিড়ালের মৃত্যুতে এরকম শোকাবহল পরিবেশ দেখতে এলাকাবাসী ছুটে আসে।

এস কে দোয়েল শুধু সংবাদকর্মী নন, তিনি তরুণ প্রজন্মের তরুণ সাহিত্যিক, কলামিষ্ট, ব্লগার এবং তথ্যপ্রযুক্তি যুগের মোবাইল নেটওয়ার্কভিত্তিক সাংবাদিক সংগঠন মোজাব (মোবাইল জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) এর উদ্যোক্তা। তাঁর গ্রামের বাড়ি দেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী উপজেলা তেঁতুলিয়ার দর্জিপাড়া।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন




Leave a Reply

কে এই যুবক? টিস্যু দিয়ে বঙ্গবন্ধুর বিকৃত ছবি পরিস্কার করছে



Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com