সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন

English Version
সংবাদ শিরোনাম :
সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা : আইনের বাস্তবায়ন জরুরি! মোস্তাফিজের অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে বাংলাদেশের জয় এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাইপর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা জাবি উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের একাংশের ইমরুল-মাহমুদউল্লাহ নৈপুণ্যে টাইগারদের চ্যালেঞ্জিং স্কোর শ্রীনগরে হেরোইনসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রাজাপুরে কবর জিয়ারত এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুজ্জামান। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ পিবিআই’র তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন রিনা ষড়যন্ত্রকারীরা রাজনীতি নয় দুর্নীতির রাঘব-বোয়াল -মোমিন মেহেদী
জেনে নিন পর্নো ছবিতে কেন XXX লেখা থাকে?

জেনে নিন পর্নো ছবিতে কেন XXX লেখা থাকে?

XXX



অঙ্কের খাতায় ‘এক্স’ দিয়ে অজ্ঞাত রাশি বোঝানো হলেও সিনেমার পর্দায় ব্যাপারটি কিন্তু তা নয়। ‘এক্স’ সেখানে বিশেষ এক ধরনের ছবির চিহ্ন বহন করে! পর্নোগ্রাফি। কিন্তু ‘এক্স’ এর মার্কা দিয়ে কেন বোঝানো হয় মার্কামারা সেইসব ছবিকে?

খোলামেলা পর্নো ছবিতে ‘এক্স’ লেখা হয় ‘এক্সপ্লিসিট’ শব্দের সংক্ষেপিত রূপ হিসেবে। এর আড়ালে রয়েছে ‘এমপা’ বা মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকার করা ছবির শ্রেণিবিভাজন।

১৯৬৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সংস্থা ছবির চার ধরনের বিভাগ চালু করে। ‘জি’ (জেনারেল), ‘এম’ (ম্যাচিওর), ‘আর’ (রেস্ট্রিক্টেড) এবং ‘এক্স’ (এক্সপ্লিসিট)। পরবর্তীতে এই বিভাজন বদলালেও শুরুটা ছিল এমনই। মজার কথা হলো- এখানে ‘এক্সপ্লিসিট’কিন্তু কেবল যৌনতায় আবদ্ধ ছিল না। যে কোনো ধরনের ভায়োলেন্সের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত বাড়াবাড়িকে বোঝাতেই এ ‘এক্স’কে বোঝানো হতো।

কিন্তু এইখানেই রয়েছে একটি মজার ব্যাপার। এ বিভাগগুলোর মধ্যে সব কটিরই ‘ট্রেডমার্ক’ ছিল। অর্থাৎ কোনো প্রযোজক বা পরিচালক নিজের ইচ্ছেমতো কোনো বিভাগের মার্কা তার ছবিতে ব্যবহার করতে পারতেন না। মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন ছবিটি ভালো করে দেখে কোন রেটিং তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে তা স্থির করে। সেই মতো চিহ্ন নির্ধারণ করত। তারপর সেই চিহ্ন (‘জি’, ‘এম’ বা ‘আর’) ছবিতে ব্যবহার করা হতো। এ পদ্ধতির একমাত্র ব্যতিক্রম ছিল ‘এক্স’। ছবিতে ‘এক্স’ লিখতে ‘এমপা’র অনুমোদন দরকার ছিল না।

কিন্তু ছবির আকর্ষণ বাড়াতে অনেকে নিজে থেকেই ছবিতে ‘এক্স’ চিহ্ন জুড়ে দিতে লাগল! দর্শকদেরও ‘দুষ্টু’ছবি শনাক্তকরণে সুবিধা হলো। খোলামেলা উষ্ণ দৃশ্যের লোভে ঢল পড়ে গেল। এরপর আরও বেশি দর্শকের লোভে অনেকে তার ছবিতে দেদার বাড়িয়ে দিতে থাকলেন ‘এক্স’-এর সংখ্যা। কেউ দুটি দিলেন, তো কেউ তিনটি। যেন যত বেশি ‘এক্স’, তত বেশি সেক্স! আজও সেই ধারণা রয়ে গেছে- পর্নো কতটা কড়া, তা বুঝিয়ে দেয় ‘এক্স’-এর সংখ্যা।

অথচ এমন চলতি ধারার আড়ালে কোনো স্বীকৃত কারণ নেই। মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশনের হিসেবে ‘এক্সএক্সএক্স’বলে কিচ্ছু নেই। কোনোওদিন ছিলও না। নেহাতই বিপণনের কৌশল হিসেবে জন্ম নিয়ে আবিশ্ব ছড়িয়ে গেছে সংকেতবাহী দুষ্টু ‘এক্স’।

Please Share This Post in Your Social Media




Leave a Reply



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com