আজ শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন

শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে চীনা নববর্ষ উৎযাপন

শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে চীনা নববর্ষ উৎযাপন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  

মারুফ সরকার, বিনোদন প্রতিনিধি: চীনাদের জন্য চীনা নববর্ষ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী উৎসব। চার হাজার বছরের প্রাচীন এ উৎসবটি বসন্ত উৎসব নামেও পরিচিত। গতকাল ১৭ জানুয়ারি ছিলো চীনের নববর্ষ। চীনা সংস্কৃতির প্রকাশ হিসেবে চীনা নববর্ষ বিশ্বব্যাপি একটি আলাদা মঞ্চে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর বিশ্বের ১৩০টি দেশের ৪০০ শহরে এই উৎসব পালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সন্ধায় শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে চীনা নববর্ষ ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করা হয়।

এর আয়োজন করেছে বাংলাদেশে চীনের দূতাবাসসহ চীনের ইউনান প্রদেশের সংস্কৃতি এবং পর্যটন বিভাগ, বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমি এবং চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী কেন্দ্র। এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত মিস্টার ঝ্যাং ঝু, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃতি সচিব রোক্সানা মালেক।

এ সময় চীনা রাষ্ট্রদদূত মিস্টার ঝ্যাং ঝু বলেন, ‘চীনা নতুন বছরকে সামনে রেখে, চীনের বাংলাদেশ দূতাবাসচীনের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমি এবং বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী কেন্দ্র আজকের গালা নাইট আয়োজন করেছে, যাতে আমরা আমাদের বাংলাদেশি বন্ধুসহ অন্যান্য দেশের বন্ধুদের সঙ্গে এই আনন্দময় মূহুর্ত ভাগাভাগি করতে পারি। চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে থাকা চীনের নাগরিক আর বাংলাদেশের জনগণকে শুভ নববর্ষ জানাই। আমি ইউনান শিল্প দলকে স্বাগত জানাই, যারা বহুদূর ভ্রমণ করে এদেশে এসেছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং অন্য যেসকল বন্ধুরা আমাদের এই অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন এবং ইউনান শিল্প দলকে আতিথেয়তা প্রদান করেছেন তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, ‘চীনা লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে এর দৃঢ় আবেগি বন্ধন রয়েছে। চীনা চিরায়ত সংস্কৃতিরও এটি উজ্জলতম উদাহরণ। চীনা একটি প্রবাদে বলা হয়েছে, ‘একটি ভালো বছর একটি ভালো বসন্তের শুরুর উপর নির্ভরশীল।’ নতুন বছর মানে নতুন শুরু। নতুন বছর মানে নতুর আশার সঞ্চার হওয়া। ভালো বসন্ত এবং ভালো জীবনের জন্য মানুষের আকাঙ্ক্ষা দেশ, জাতি এবং জাতীয়তায় সীমাবদ্ধ থাকে না। চীনা সংস্কৃতির প্রকাশ হিসেবে চীনা নববর্ষ সারা বিশ্বব্যাপি একটি আলাদা মঞ্চে পরিণত হয়েছে। সংস্কৃতি সচিব রোক্সানা মালেক বলেন, ‘বাংলাদেশ চীন মৌত্রির বন্ধন আরো শক্তিশালী হলো। জনগনের বন্ধুত্বই রাষ্ট্রীয় মিত্রতার মূল চাবিকাঠি। সাংস্কৃতিক সম্পর্কের মাধ্যমেই চীন এবং বাংলাদেশের বন্ধুত্ব আরো সুদৃঢ় হবে।’

অনুষ্ঠানে হাজারো দর্শকের ভেতর উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী ও কূটনৈতিক কর্মকর্তারা। এসময় তাঁরা ইউনান এথনিক ভিলেজ পালাটিউ আর্ট ট্রুপ এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দলের একটি যৌথ পরিবেশনা উপভোগ করেন। এছাড়া ইউনান প্রদেশের সাংস্কৃতিক সামগ্রির প্রদর্শনী এবং একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দুই ঘন্টার মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা করা হয়। বাংলাদেশে চীনা নববর্ষ উদযাপনে চীনা দূতাবাস নানান উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।বাংলাদেশের প্রধান শহরগুলোতে এটি পর্যায়ক্রমে আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সিনেমা উৎসব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী চীনা পোষাক প্রদর্শনী এবং কক্সবাজারে ঘুরি উৎসব।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন




Leave a Reply

জনসম্মুখে পুরুষ নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com