আজ বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ০১:০৮ অপরাহ্ন

২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী
National Election
জবিতে শিক্ষা দিবস উপলক্ষে ছাত্রফ্রন্টের র‍্যালি

জবিতে শিক্ষা দিবস উপলক্ষে ছাত্রফ্রন্টের র‍্যালি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষা দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয় ভাস্কর্যর্ চত্বরে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি কিশোর কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সমিত ভৌমিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে সদস্য তিথি চক্রবর্তীর পরিচালনায় একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি কিশোর কুমার সরকার বলেন,“শিক্ষাকে কোনভাবেই পণ্য করা চলবে না ; কোনভাবেই শিক্ষার অধিকারকে সংকুচিত করা চলবে না এবং শিক্ষার সকল ব্যয়ভার বহন করবে রাষ্ট্র- এই দাবিগুলোকে সেদিন বুকের রক্ত দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মোস্তফা, বাবুল, ওয়াজিউল্লাহরা। তাদের স্বপ্ন ছিল শিক্ষার সকল ক্ষেত্রে অবাধ প্রবেশাধিকার থাকবে কৃষক-শ্রমিকসহ সকল শ্রেণীপেশার মানুষের। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সবারই অবদান আছে। কিন্তু‘ বাস্তবতা হলেও আজ এটাই সত্য যে, তাদের স্বপ্ন আজও সত্যি হয়নি। বরং ক্রমে ক্রমে আরও ফিকে হয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতা-পূর্ব এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী সমস্ত সরকারই শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, বেসরকারীকরণসহ আরও নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষার সর্বজনীন চরিত্রকে হত্যা করার চেষ্টা করে গেছে এবং সেই অপচেষ্টা চলমান আছে আজও। ইউজিসি-র প্রস্তবনা অনুসারে একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অভ্যন্তরীণ আয়ের নামে শিক্ষাব্যয় বাড়ানো হচ্ছে; নামে বেনামে আরও নানান ফি চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ঘাড়ে। অন্যদিকে ক্রমাগতভাবে কমানো হচ্ছে রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন খর্ব করার লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে ‘উচ্চশিক্ষা কমিশন’। ২৭/৪ ধারা নামক কালো আইনের অধীনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে বাণিজ্যিকীকরণের মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পর ছাত্র সমাজের তীব্র আন্দোলনের মুখে সরকার সেই কালো আইন বাতিল করতে বাধ্য হলেও, আবাসিক হল, পর্যাপ্ত পরিবহণ সুবিধা, গবেষণায় পর্যাপ্ত বরাদ্দসহ ন্যায্য এবং গণতান্ত্রিক অধিকারসমূহ পূরণে কার্যকরী কোন উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। ”
বক্তা আরও বলেন , “’৬২-র শিক্ষা আন্দোলনের শহীদদের রক্ত এবং শিক্ষা বৃথা যেতে পারে না। এদেশের ছাত্রসমাজ তাদের রেখে যাওয়া শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে শিক্ষার অধিকার আদায়ের এবং শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবে।” তিনি এসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলের জমি অধিগ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা আগামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের মধ্যেই বাস্তবায়নের দাবি জানান।
######

লাইক দিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com