বশেমুরবিপ্রবিতে ইটিই'র দাবির বিরুদ্ধে ইইই'র পাল্টা কর্মসূচি | Nobobarta

আজ বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
প্রথম রাতে ৩৭শ পরিবার পেলো খাদ্যসামগ্রী : সিসিক বস্তিতে ভরা দুপুরে কন্ঠশিল্পী নয়ন দয়া ও হাজী আরমান ৬৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেবে সিসিক ভালুকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন সাদিকুর রহমান ঝালকাঠি করোনা প্রতিরোধে রক্ত কণিকা ফাউন্ডেশন জীবাণুনাশক স্প্রে করোনাঃ দুস্থদের খাদ্য দিলো কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সিরাজদিখানে দেড় হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রাজাপুরে সাইদুর রহমান এডুকেশন ওয়েল ফেয়ার ট্রাষ্ট’র হতদারিদ্রদের মাঝে ত্রান বিতরণ রাজাপুরে পল্লী বিদ্যুত সমিতির গরীব মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ রাজাপুরে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করলেন ইউপি সদস্য
বশেমুরবিপ্রবিতে ইটিই’র দাবির বিরুদ্ধে ইইই’র পাল্টা কর্মসূচি

বশেমুরবিপ্রবিতে ইটিই’র দাবির বিরুদ্ধে ইইই’র পাল্টা কর্মসূচি

Rudra Amin Books

ফয়সাল হাবিব সানি, স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) বিভাগ একীভূতকরণের দাবিতে টানা ৯০ দিনের অধিক অনশন কর্মসূচি পালন করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

প্রথমে তারা নিজ বিভাগের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করলেও পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে আশানুরূপ কোনো ফল না পাওয়ায় গত ১৫ জানুয়ারি থেকে তারা শহীদ মিনারের সামনে আমরণ অনশনে অবস্থান নেন। কিন্তু অবস্থান নেবার ৯ ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহজাহানের আশ্বাসে তারা আমরণ অনশন প্রত্যাহার করে নেন। কিন্তু তারপর আবারও প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো সাড়া না পেলে তারা আবার আমরণ অনশনে শহীদ মিনারের সামনে স্থলাভিষিক্ত হন৷ এমতাবস্থায়, ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবিতে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এদিকে, ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবির বিরুদ্ধে নানান কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে (জয় বাংলা চত্বর) ইটিই শিক্ষার্থীদের দাবি অযৌক্তিক দাবি করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

এসময় তারা বলেন, ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগ একীভূতকরণের যে দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করে আসছেন তা সম্পূর্ণই অযৌক্তিক ও অপ্রাসঙ্গিক। তারা তাদের পাঠ্যসূচির সিলেবাসে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ মিল থাকার কথা উল্লেখ করলেও ৪০ শতাংশ তাদের সিলেবাসের সঙ্গে অমিল রয়েছে বলে দাবি করেন ইইই বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষার্থী। এছাড়াও, তারা (ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা) আরও যোগ করে বলেন যে, বর্তমানে ওই বিভাগে (ইইই) যে পরিমাণ ল্যাব রয়েছে তা তাদের জন্যই পর্যাপ্ত নয়। এমন মুহূ্র্তে আরও শিক্ষার্থী অর্থাৎ, ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের সাথে যুক্ত হলে শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্ট হবে এবং শিক্ষার মানেরও ক্ষতি হবে বলে মনে করেন ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

অন্যদিকে, এই একই দাবির বিপরীতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) প্রেস ব্রিফিং, প্রতিবাদ মিছিল এবং উপ-রেজিস্ট্রার বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করেন ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বর (জয় বাংলা চত্বর) থেকে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মিছিলটি গোল চত্বরে (জয় বাংলা চত্বর) এসে শেষ হয়। তারা আবারও পরবর্তীতে তাদের কর্মসূচির কথা জানিয়ে দেয়া হবে বলে এসময় সাংবাদিকদের জানান।

প্রসঙ্গত, প্রেস ব্রিফিংয়ে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবিকে একেবারেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে বলেন, এই শতাব্দীতে সারা বিশ্বে ইইই বিভাগ সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রমে শীর্ষে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ভর্তি পরীক্ষায় ইইই এর শেষ চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মেধাস্থান ছিলো ১৯৮, যেখানে ইটিই এর শেষ চান্স পেয়েছে ৫৫০ মেধাস্থানেরও পরে। যদি ইইই এবং ইটিই বিভাগ একীভূত করা হয় তবে যারা ইইই ফার্স্ট চয়েজ দিয়েও ১৯৮ এর পরের সিরিয়ালে ইইই পায়নি, তবে তাদের প্রতি এটা অবিচার হয়৷ এমন হলে তো তারাও পরবর্তীতে ইইই বিভাগে একীভূত হবার জোর দাবি জানাবে যা নিতান্তই প্রশাসনের ও আমাদের কাম্য নয়।’


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta