চিকিৎসকের অভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ বশেমুরবিপ্রবি'র মেডিকেল সেন্টার | Nobobarta

আজ বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ০১:২২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
প্রথম রাতে ৩৭শ পরিবার পেলো খাদ্যসামগ্রী : সিসিক বস্তিতে ভরা দুপুরে কন্ঠশিল্পী নয়ন দয়া ও হাজী আরমান ৬৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেবে সিসিক ভালুকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন সাদিকুর রহমান ঝালকাঠি করোনা প্রতিরোধে রক্ত কণিকা ফাউন্ডেশন জীবাণুনাশক স্প্রে করোনাঃ দুস্থদের খাদ্য দিলো কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সিরাজদিখানে দেড় হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রাজাপুরে সাইদুর রহমান এডুকেশন ওয়েল ফেয়ার ট্রাষ্ট’র হতদারিদ্রদের মাঝে ত্রান বিতরণ রাজাপুরে পল্লী বিদ্যুত সমিতির গরীব মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ রাজাপুরে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করলেন ইউপি সদস্য
চিকিৎসকের অভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ বশেমুরবিপ্রবি’র মেডিকেল সেন্টার

চিকিৎসকের অভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ বশেমুরবিপ্রবি’র মেডিকেল সেন্টার

Rudra Amin Books

ফয়সাল হাবিব সানি, স্টাফ রিপোর্টার: পর্যাপ্ত চিকিৎসক সংকটে প্রায় ১ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) একমাত্র মেডিকেল সেন্টার। মেডিকেল সেন্টারের ২ জন ডাক্তারই তাদের অব্যাহতিপত্র জমা দেয়ার দরুণ এই সংকট ও দুর্দশার জন্ম হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

প্রসঙ্গত, শুধুমাত্র পর্যাপ্ত চিকিৎসক সংকটই নয়; প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা, জনবল সংকটসহ নানান সমস্যায় দীর্ঘদিন যাবৎ জরা-জীর্ণ ছিলো এই মেডিকেল সেন্টারটি। এছাড়াও, মেডিকেল সেন্টারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা কোনো ভবনের ব্যবস্থা না করার কারণেও অবহেলিত অবস্থাতেই থেকে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী একমাত্র এই মেডিকেল সেন্টার। নববার্তা ডট কমের অনুসন্ধানে জানা যায়, এই মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রতিদিন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মাচরীসহ প্রায় ২০০ জন চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু বর্তামানে তা বন্ধ থাকায় চিকিৎসা সেবা নিয়ে বিপাকের সম্মুখীন হচ্ছেন পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচের তলায় ২টি ক্ষুদ্র কক্ষে এতোদিন অবধি মেডিকেল সেন্টারটি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী, ৩০০ শিক্ষক এবং ৬০০+ কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য মাত্র ২ বেডের মেডিকেল সেন্টারটিতে মাত্র ২ জন চিকিৎসক, ১ জন ব্রাদার এবং ১ জন নার্স কর্মরত ছিলেন। একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এই মেডিকেল সেন্টারটি খোলা থাকা অবস্থাতেও চিকিৎসা সেবা গ্রহণের জন্য অসুস্থতার কথা বললে তাদেরকে কেবল প্যারাসিটামল ট্যাবলেট দেয়া হতো এবং গোপালগঞ্জ সদর হাসাপাতালে চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দিতেন তারা।

এ ব্যপারে যোগাযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. মোঃ শাহজাহান নববার্তা ডট কমকে জানান, `আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত ২জন ডাক্তারই গত নভেম্বর মাসে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন। ফলশ্রুতিতে, পূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য যোগদান না করার পূর্বে আমি ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দেবার সক্ষমতা রাখি না। তারপরও আমি চেষ্টা করছি একজন ডাক্তারের সঙ্গে অল্প সময়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হতে যিনি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে পারবেন।’


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta