অতঃপর আমরণ অনশন ভাঙলেন বশেমুরবিপ্রবি'র ইটিই শিক্ষার্থীরা | Nobobarta

আজ বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২০, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
প্রথম রাতে ৩৭শ পরিবার পেলো খাদ্যসামগ্রী : সিসিক বস্তিতে ভরা দুপুরে কন্ঠশিল্পী নয়ন দয়া ও হাজী আরমান ৬৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেবে সিসিক ভালুকায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন সাদিকুর রহমান ঝালকাঠি করোনা প্রতিরোধে রক্ত কণিকা ফাউন্ডেশন জীবাণুনাশক স্প্রে করোনাঃ দুস্থদের খাদ্য দিলো কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সিরাজদিখানে দেড় হাজার পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ রাজাপুরে সাইদুর রহমান এডুকেশন ওয়েল ফেয়ার ট্রাষ্ট’র হতদারিদ্রদের মাঝে ত্রান বিতরণ রাজাপুরে পল্লী বিদ্যুত সমিতির গরীব মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ রাজাপুরে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করলেন ইউপি সদস্য
অতঃপর আমরণ অনশন ভাঙলেন বশেমুরবিপ্রবি’র ইটিই শিক্ষার্থীরা

অতঃপর আমরণ অনশন ভাঙলেন বশেমুরবিপ্রবি’র ইটিই শিক্ষার্থীরা

Rudra Amin Books

ফয়সাল হাবিব সানি, স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সাথে ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগকে একীভূতকরণের দাবিতে টানা ৯০ দিন নিজেদের অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন বিশ্ববিদ্যায়লয়ের ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

প্রথমে তারা নিজেদের বিভাগের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করলেও পরবর্তীতে প্রশাসনের কাছ থেকে আশানুরূপ কোনো ফল না পাওয়ায় ১৫ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা। লক্ষ্য করা গেছে, ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে একতাবদ্ধ হয়ে বসে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালনও করেন। এমতাবস্থায়, অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহজাহান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে তা সমাধানের জন্য আশ্বাস প্রদান করেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আমরণ অনশন প্রত্যাহার করে নেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ অক্টোবর থেকে নিজ বিভাগকে ইইই বিভাগের সঙ্গে একত্রিত করবার দাবিতে ক্লাস পরীক্ষার ফরম পূরণ না করেই ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে নিজেদের দীর্ঘ এ অনশন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন তারা। পরে প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো ফলপ্রসূ সুরাহা না মিললে তারা আমরণ অনশনে যাবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ইইই বিভাগের সাথে নিজেদের বিভাগের (ইটিই) সিলেবাসের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ মিল থাকা সত্ত্বেও চাকরিক্ষেত্রসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীদের থেকে ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা কেনো পিছিয়ে পড়বেন এবং বঞ্চনার শিকার হবেন এমন কারণ দর্শিয়ে এই টানা ৯০ দিনের অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন উক্ত বিভাগের ১৫৮ জন শিক্ষার্থী।


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta