লাইফসাপোর্ট খুলে দেয়া হয়েছে ফারাবীর | Nobobarta

আজ শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন

লাইফসাপোর্ট খুলে দেয়া হয়েছে ফারাবীর

লাইফসাপোর্ট খুলে দেয়া হয়েছে ফারাবীর

Rudra Amin Books

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের হামলায় গুরুতর আহত সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতা তুহিন ফারাবীর (২৫) অবস্থার উন্নতি হয়েছে। সোমবার সকালে তার লাইফসাপোর্ট খুলে নেয়া হয়েছে। স্থানান্তর করা হয়েছে হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের ওয়ার্ডে।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত তুহিন ফারাবীকে ঢামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফসাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে অবস্থার উন্নতি হলে সোমবার সকালে তার লাইফসাপোর্ট খুলে দেয়া হয়। তাকে ইউরো ওয়ার্ডে স্থান্তান্তর করা হয়েছে।

‘গতকাল ফারাবীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা ছিল বলে তাকে সাপোর্টে দেয়া হয়েছিল। এখন সে আগের চেয়ে অনেক ভালোভাবে শ্বাস নিতে পারছে’-যোগ করেন ঢামেক পরিচালক। হামলায় আহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরকে কেবিনে নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিকে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান সোমবার জানান, সকাল ৮টার দিকে তুহিন ফারাবী চোখ মেলেছিলেন। কিছুক্ষণ পর আবার চোখ বন্ধ করেন।

ভিপি নুরের অবস্থার বর্ণনায় তিনি জানান, ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের অবস্থা আগের মতোই আছে। তুহিন ফারাবী বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের হামলার সময় তিনি ভিপি নুরের সঙ্গে ছিলেন। উল্লেখ্য, রোববার ভিপি নুরুল হককে তার ডাকসুর কক্ষে ঢুকে বাতি নিভিয়ে পেটান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। ভিপি নুরসহ আহতদের অভিযোগ– ছাত্রলীগ এ হামলায় সরাসরি অংশ নেয়।

এ সময় নুরের সঙ্গে থাকা ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্তত ৩০ জনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। দুজনকে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে রোববার রাত পর্যন্ত ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই দফায় নুরুল হক ও তার সহযোগীদের রড, লাঠি ও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়। প্রথম দফায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ডাকসু ভবনে ঢুকে তাদের পেটান।

এর পর ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক (ডাকসুর এজিএস) সাদ্দাম হুসাইন ঘটনাস্থলে আসেন। তাদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় দফায় হামলা ও মারধর করা হয়। এ সময় ডাকসু ভবনেও ভাঙচুর চালান ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী।


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta