তরুণ নির্মাতা মিঠু রায়ের খন্ড নাটক ‘কাছে দূরে’

  • 17
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    17
    Shares

সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে সেভেনটিউনস এন্টারটেইনমেন্ট পরিবেশনায় বিশেষ নাটক ‘কাছে দূরে’। রচনা ও পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা মিঠু রায়। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজী উজ্জ্বল, লিজা খানম, সাগর আহম্মেদ, পারশা ইভানা, বিউটি বেগম, সুবর্ণা কবির সহ আরো অনেকে। নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন জি.এ স্বপন। সম্পাদনায় রবিউল হাসান সোহেল।

‘কাছে দূরে’ নাটকটি সেভেনটিউনস এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেলে প্রচারিত হবে। ‘কাছে দূরে’ নাটকের কাহিনীতে দেখা যাবে শাহেদ খুব হাসিখুশি একজন মানুষ। সে মোটামুটি ভালো একটা চাকরী পাওয়ার পর তার মা তার জন্য মেয়ে দেখা শুরু করে। রিতু ভার্সিটিতে পড়ে। বিয়ে নিয়ে তার খুব হাই এক্সপেক্টেশন। ভার্সিটি রেকটাল ছেলেকে সে পছন্দ করে। রিতুর সাথে শাহেদের বিয়ে নিয়ে কথা হবে। শাহেদকে রিতুর পছন্দ হবে না।

রিতুর বাবা শাহেদের বাবার ছোটবেলার বন্ধু, শাহেদের বাবা মারা গেছে, রিতুর বাবা তাকে একরকম জোর করেই বিয়ে দেবে। বাসর রাতে রিতুর অপছন্দের ব্যাপারটা শাহেদ বুঝে যাবে, সে রিতুকে প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলেছিল। সে নানা ভাবে রিতুকে খুশি রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু রিতু সবকিছুতেই প্রবলেম খুঁজে পায়। বিয়ের এক মাসের মাথায় রিতুর জন্মদিনের তারিখ পড়ে যায়। শাহেদ ঠিক করে রিতুকে সারপ্রাইজ পার্টি দিয়ে ইমপ্রেস করবে। রিতু বাসায় ঢুকেই শাহেদের সাথে খারাপ ব্যবহার শুরু করবে।

এক সময় শাহেদকে মুখের উপর বলে ফেলবে “তোমার মত একটা ছেলে কে আমি ডিজার্ভ করি?” রুমের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অতিথিরা তখন জন্মদিন উইশ করতে করতে বের হবে। সবাই বিব্রত হয়ে বিদায নিয়ে চলে যাবে। রিতু বলবে” আমি তোমার কাছ থেকে মুক্তি চাই”। শাহেদ বলবে ,” তোমাকে মুক্তি দিলাম”। পরের দিন শাহেদ রিতুর হাতে একটা কাগজ দিয়ে বলবে “এটা ডিভোর্স লেটার। সই করে রেখো। সই করলেই তোমার মুক্তি”। রিতু ডিভোর্স লেটার হাতে পাওয়া মাত্র গান শুরু হবে।

গানে শাহেদের ছোট ছোট রোমান্টিক কাজগুলো রিতুর মনে পড়বে। রিতু সেই একই ব্যাপারগুলো শাহেদের সাথে করতে চাইবে। (কয়েকদিন চলে যাবে) শাহেদ সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাবে। গানের শেষে রিতু কোন একটা সিচুয়েশনে শাহেদকে জড়িয়ে ধরতে চাইবে। শাহেদ ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে চলে যেতে চাইবে। রিতু পেছন থেকে হাত ধরে থামাবে। এই জায়গায় গানটা শেষ হবে। রিতু এবার রেগে যাবে। সে বলবে যে আমি জানি আমি ভুল করেছি। তোমাকে হার্ট করেছি। কিন্তু আমি মেনে নিয়েছি আমার ভুল। আমাকে ভুল শোধরানোর একটা সুযোগ তো দিতে হবে। আমি তোমাকে ভালোবাসতাম না সত্যি।

কিন্তু এখন আমি তোমাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। আমি জানি তুমিও আমাকে ভালোবাসো। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে ভালোবাসার চেয়ে তোমার ইগোটা তোমার কাছে বড় হয়ে দাড়িয়েছে। তুমি যখন আর কোনভাবেই আমাকে মেনে নিতে পারছো না তুমি যা চাও তাই হবে। রিতু ডিভোর্স লেটারটা এনে সই করে শাহেদের হাতে দিয়ে চলে যাবে। রিতু বাসায় এসে তার মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদবে । আমি অনেক বড় ভুল করে ফেলেছি মা। আর সেই ভুলের শাস্তি পেয়ে গেছি।

এমন সময় দেখা যাবে শাহেদ সেখানে উপস্থিত। শাহেদ রিতুকে জড়িয়ে ধরতে যাবে। রিতু কাঁদতে কাঁদতে বলবে, কিন্তু আমি তো ডিভোর্স লেটারে সই করে ফেলেছি শাহেদ জড়িয়ে ধরে বলবে, কিন্তু আমি তো করি নি। তখন রিভিল হবে যে জন্মদিনের ঘটনার পরপরই রিতুর মায়ের সাথে শাহেদ কথা বলে। তিনিই শাহেদকে এসব করার বুদ্ধি দেন।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন

Leave a Reply