বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন

English Version
দেশকে ‘অভিজাত বেকার‍‍` মুক্ত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

দেশকে ‘অভিজাত বেকার‍‍` মুক্ত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ



ঢাকা : বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা সম্পন্ন করার পর কেউ বেকার থাকলে সেটাকে ‘অভিজাত বেকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সেইসঙ্গে এমন বেকারত্ব থেকে দেশকে মুক্ত করতে তাগিদ দেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর একটি হোটেলে নবম ইউজিসি পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ভাষণকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। এসময় উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে ইউজিসিকে শিক্ষার মান নির্ধারণ, তদারকিসহ বিশ্ববিদ্যালগুলোতে জবাবদিহি বাড়াতে আরও উদ্যোগী হতে বলেন রাষ্ট্রপতি।

এর আগে কয়েকটি পৃথক বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের কর্তৃপক্ষকে তার দেয়া নিদের্শনার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, ইউজিসি এসব নিদের্শনা ও সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয় প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কঠোরভাবে মনিটর করবে। তিনি ইউজিসি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনের পর কেউ যেন শিক্ষিত ও অভিজাত বেকারে পরিণত না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান ৩৯ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যায় বাংলাদেশের স্থান বিশ্বে চতুর্থ। সময়োপযোগী শিক্ষানীতি ও এর সফল বাস্তবায়নের সুবাদে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি দেশে উচ্চ শিক্ষার বিস্তারে বেসরকারি খাতের অবদানের প্রশংসা করার পাশাপাশি একথাও বলেন যে, শিক্ষার নামে বাণিজ্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়মের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সুষ্ঠু পরিবেশ, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের অভাবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুণগত শিক্ষা প্রদান ব্যহত হচ্ছে। ভাষণে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিভিন্ন গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ইউজিসি পুরস্কার (স্বর্ণপদক) প্রাপ্ত ৩৫ ব্যক্তিকেও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ইউজিসি’র এই পুরস্কার নিঃসন্দেহে শিক্ষক ও তরুণ গবেষকদের তাদের গবেষণা কাজে প্রেরণা যোগাবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রভাষক অর্পিতা শামস মিজান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media




Leave a Reply



© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com