আজ বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে তরুনীকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ইউপি সদস্যসহ ৪জনকে জেল হাজতে প্রেরণ

লক্ষ্মীপুরে তরুনীকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ইউপি সদস্যসহ ৪জনকে জেল হাজতে প্রেরণ

জনসম্মুখে পুরুষ নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

  • 39
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    39
    Shares

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি.
স্ত্রীর স্বীকৃতি চাইতে গিয়ে লক্ষ্মীপুরে কমলনগরে কেরোসিন ঢেলে তরুনী শাহেনুর আক্তারকে হত্যা মামলা গ্রেপ্তারকৃত ৪ আসামীকে আদালতে হাজির করে ৫দিন করে রিমান্ডের আবেদন করছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারেক আজিজের আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরন করেন। এছাড়া আগামীকাল রিমান্ড শুনানীর দিন ধার্য করা হয় বলে জানিয়েছে কোর্ট পরিদর্শক। এর আগে সোমবার রাতে নিহত তরুনী শাহেনুর আক্তারের বাবা বাদী হয়ে স্বামী সালাউদ্দিনসহ ১৩জনকে আসামী করে কমলনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অন্য আসামীরা হচ্ছেন, সালাউদ্দিনের দুই ভাই আবদুর রহমান,আলাউদ্দিন,চরফলকন ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হাফিজ উদ্দিন ও গ্রাম পুলিশ আবু তাহের। এছাড়া মামলায় আরো ৭/৮জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়।

এ দিকে আটককৃত ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও সালাউদ্দিনের দুইভাইকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মুল আসামী সালাউদ্দিনকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপÍারের অভিযান চলছে বলে জানান পুলিশ।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, আটককৃত ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশসহ ৪জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত প্রত্যেক আসামীর ৫দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য যে, উল্লেখ্য যে, গত ৬ মাস আগে মোবাইল ফোনে সালাউদ্দনিরে সঙ্গে পরিচয় হয় চট্টগ্রামের রাউজানের তরুণী সাহানুর আক্তারের। পরিচয় থেকে প্রেম তারপর প্রায় দেড় বছর আগে কাজী অফিসে বিয়ে করে তারা। গত ৬ মাস আগে তরুণী জানতে পারে সালাউদ্দনি বিবাহিত। এই কথা শোনার পর বেশ কয়েকবার কমলনগরে স্ত্রীর স্বীকৃতির জন্য সালাউদ্দিনের কাছে ছুটে আসে সে। গেল শুক্রবার আবারো সালাউদ্দিনের কাছে লক্ষীপুরে আসে শাহেনুর। স্ত্রী’র স্বীকৃতি না দিলে সে ফিরে যাবেনা বলেও জানায়। এতে স্বামী সালাউদ্দিন রাজি না হওয়ায় স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চৌকিদারের সহায়তায় এক সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশ বৈঠকে শাহেনুর আক্তারকে নানা ভাবে তিরস্কার অপমান অপদস্থ করে এবং এলাকা থেকে চলে যেতে বলে তারা। কিন্তু সে যেতে অস্বীকৃতি জানালে রোববার বিকেলে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় স্বামী সালাউদ্দিনসহ অন্যরা শাহেনুর আক্তারের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে সে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। পরে একটি সয়াবিন ক্ষেত থেকে আগুনে দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ণ ইউনিটে পাঠানো হয় শাহেনুর আক্তারকে। সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তরণী শাহেনুর আক্তার।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন




Leave a Reply

Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com