ফারাজ হোসেন হিরো নয় বরং জঙ্গীদের-ই একজন | Nobobarta
Rudra Amin Books

আজ বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন

ফারাজ হোসেন হিরো নয় বরং জঙ্গীদের-ই একজন

ফারাজ হোসেন হিরো নয় বরং জঙ্গীদের-ই একজন

নিজস্ব প্রতিবেদক | আমরা এখন আপনাদের যে তথ্য দিতে যাচ্ছি সেটি শুনলে আপনারা হয়ত চমকে উঠবেন কিংবা আপনাদের ভেতরে জেগে উঠবে সন্দেহ। এমনও হতে পারে যে আপনি আমাদের প্রতি ঘৃণায় মুখ কুঁচকাবেন আমাদের মিথ্যেবাদী বলে।

কিন্তু আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা পরিশ্রম করে, ডি কে হোয়াং নামের কোরিয়ান ভদ্রলোকের গোপনে ধারনকৃত ভিডিও দেখে এবং সেটি থেকে কেটে কেটে, প্রতি সেকেন্ডের ভিডিও পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে ফারাজ আইয়াজ হোসেন নামে যে ছেলেটিকে নানা মিডিয়া (বিশেষ করে প্রথম আলো) যে হিরো বানাচ্ছে আসলে এই ফারাজ-ই হচ্ছে গুলশান ম্যাসাকারের জঙ্গীদের মধ্যে একজন জঙ্গী। আমরা আমাদের এই দাবীর পক্ষে যুক্তি দিব, প্রমাণ দেব এবং আমাদের এই দাবী আর যুক্তিগুলোকে আপনাদের সামনে যথাযথভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করব।

Rudra Amin Books

প্রথম আলোর মালিক লতিফুর রহমানের নাতি ফারাজ আইয়াজ হোসেনের সম্পর্কে যে হিরোসুলভ ও মহিমান্বিত সংবাদ আমরা পাচ্ছি সেটিকে পোর্টাল বাংলাদেশ কোনোভাবেই বিশ্বাস করেনি নানান কারনেই। আর সে না করার পেছনে কারন একটাই। সেই হোয়াং সাহেবের ভিডিও। হোয়াং সাহেবের ভিডিওতে একটি অংশে দেখা যাচ্ছে যে একটি জঙ্গী রেস্টুরেন্টের মূল ঢুকবার কাঁচের দরজার পাশে অবস্থান নিয়েছে এবং কয়েক সেকেন্ডের জন্য সে দরজা দিয়ে উঁকি মারছে। তার পিঠে রয়েছে পেছনে “উইলসন” নামের একটি ব্যাগ।

Jain-and-Hossain

আমরা এই জঙীটির উঁকি দেয়ার ভিডিও আপনাদের প্রথমে নরমাল মোশনে দেখাব। তারপর এই একই ভিডিও-ই আমরা একটু স্লো করে করেছি, তারপর আবার আরেকটু স্লো। তিন বারের এই একই ভিডিওতে আপনারা যাকে দেখবেন তার সাথে ফারাজ আইয়াজ হোসেনের ছবিটি এইবার একটু মেলান।কি চমকে গেলেন? ফারাজের মতই লম্বা, চুলকাটা আর স্পস্ট তারই প্রতিচ্ছবি।

ফারাজ আমেরিকার একটি ইউনিভার্সিটিতে পড়ছে এখন আর সে ইউনিভার্সিটিতে পড়ে তারই বন্ধু আবন্তি। তাদের আরেক বন্ধু ভারতীয় তারাশি জৈন। এই দুজনকে আসলে মরতেই হোতো কেননা ফারাজ যে জঙ্গী এটা তারা জেনেছিলো এই ভয়াবহ রাতে। একইভাবে ইশরাত আখন্দকে প্রাণ দিতে হয়েছিলো কারন ঘটনাটা ইশরাতও দেখে ফেলেছে। এরা মুক্তি পেলে প্রথম আলোর কর্ণধার নানা লতিফুরের বারোটা বাজবে, সেটা জঙ্গী ফারাজ ঠিকি জানতো। সুতরাং সে ঝুঁকি সে নেবে কেন?

আর বাকী বাংলাদেশী যারা মুক্তি পেয়েছে সেই দলের হোতা যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির হাসনাত করিম এবং সেও যে জঙ্গীদের সহযোগী এই ব্যাপারে সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই লেখা হয়েছে। তাই এরা মুক্তি পেলে এই সত্য আর কেউ জানতে পারবে না, এই ব্যাপারে ফারাজ নিশ্চিত ছিলো।

আইন শৃংখলা বাহিনী ৬ জনকে হত্যা করেছে আর এক জঙ্গীকে ধরেছে এই কথা বার বার চাউর করা হলেও আমরা ৫ জনের লাশ দেখেছি আর তাদের সাথে আছে শেফের পোষাক পরা একজনের লাশ। এই শেফ লোকটি জঙ্গী নয় কিন্তু খামাখাই মিডিয়া তাকে জঙ্গী বলে প্রচার করেছে। এই শেফ লোকটির নাম সাইফুল। তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়াচ্ছে? দাঁড়াচ্ছে যে ৬ জঙ্গী হত্যার কথা বল্লেও আসলে লাশ পেলাম ৫ জনের। কিন্তু প্রথম একটি ছবিতে ফারাজের লাশ দেখা গেলেও আরেকটি ছবিতে ফারাজের লাশ পুরোপুরি উধাও। আর প্রথম ছবিতে ফারাজের লাশ চিহ্নিত করা গেছে তার পায়ের সাদা কেডস দেখে। ভিডিওতে আপনারা দেখবেন যে ফারাজের পায়ে সাদা কেডস ছিলো।

 


Leave a Reply



Nobobarta © 2020। about Contact PolicyAdvertisingOur Family DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com