তানিম ইশতিয়াকের কাব্যগ্রন্থ 'বুকের জলে বুদবুদ' : একটি অনন্য প্রেমোপাখ্যান | Nobobarta

আজ রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২০, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন

তানিম ইশতিয়াকের কাব্যগ্রন্থ ‘বুকের জলে বুদবুদ’ : একটি অনন্য প্রেমোপাখ্যান

তানিম ইশতিয়াকের কাব্যগ্রন্থ ‘বুকের জলে বুদবুদ’ : একটি অনন্য প্রেমোপাখ্যান

Rudra Amin Books

: আমাকে আরোগ্য দেবে একটি হৃদয় (২০১৬) ও বিষণ্নতার বায়োস্কোপ (২০১৮) খ্যাত কবি ের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘’ (২০১৯)। সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে পটুয়াখালী সরকারি কলেজে কর্মরত আছেন। কবির কাব্যে প্রেমের প্রতি সাড়াদান বেশি থাকলেও কবি প্রকৃতি প্রেমিকও, বিদ্রোহী চেতনায় জাগ্রত, মানব মনের বিচিত্র রূপের উন্মোচক, পাশাপাশি পারলৌলিক চিন্তায় বিভোরও।

‘বুকের জলে বুদবুদ’ কাব্যগ্রন্থে মোট কবিতা আছে ৫০টি, তন্মধ্যে প্রেম ও প্রেম বিষয়ক ৩৩টি, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন ৫টি(থাকতে চাও, থাকো; কুয়াশার ক্রিম, থমকে থাকি, বসন্তের প্রতীক্ষায় ও প্রকৃতির মাৎসন্যায়), বিদ্রোহী চেতনাতে জাগ্রত ১টি(অশ্বারোহী), বিচিত্র মানব মনের খেয়াল উন্মোচন সম্বলিত ৭টি(চরিত্রহীন, জাজমেন্ট, বেলুন, মানুষেরা, বিবর্তন, বেইমানিতে বন্দী ও বেঁচে আছি দুই জীবনে) এবং পারলৌকিক চিন্তার ৪টি( আমি আর আমার হয়ে নেই, রঙকাব্য, প্রেমের চিঠি ও তাসের ঘর)। পরিবার পাবলিকেশন্স থেকে বইটি অমর একুশে গ্রন্থমেলা -২০১৯ বের হয়, যেটির প্রচ্ছদ করেন চারু পিন্টু। বইটির আইএসবিএন নম্বর ৯৭৮-৯৮৪-৯৩৪৩২-৯-৫। কাব্যগ্রন্থটির প্রতিটি কবিতার ভাবার্থ তুলে ধরলাম:

‘বুকের জলে বুদবুদ’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ‘প্রেম’। প্রেম বিশ্লেষক কবি পাঁচ লাইনে প্রেমের রোমাঞ্চকর সংগা দিয়েছেন। ক্ষণপ্রভার এই জীবনে প্রেম আসে জলতরঙ্গে ভেসে, আবার আবেশে ভাসিয়ে কর্পূরের মতো বাতাসে মিশেও যায়। ‘তোমাকে গল্প শোনাবো’ কবিতায় কবি প্রেয়সীর প্রতি করুণ আর্তি প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আসছে শীতে তুমি একটু সময় দিও’। মনে জমা অব্যক্ত কথা, অনুচ্চারিত যত ধ্বনি সব শোনাবে বলে মুখিয়ে রয়েছেন কবি।

‘হৃদয়ের রঙ’ কবিতায় দেখা যায় মনের কোল ঘেষে থাকা মানুষটি চিনতে না পারলে কিভাবে চিনে নেবে তার ব্যাখ্যা আছে। কবি সকল পথ বাতলে দিয়েছেন, বলেছেন, আমি সহজ, আমি তোমার, আমাকে চিনে নাও। ‘আরেকবার প্রেমে পড়ি’ কবিতায় দেখি প্রেমময় জীবনে যখন একঘেয়েমি চলে আসে, বৈচিত্র্য থাকে না, তখন প্রেমপ্রবল মন প্রেমিকার উদ্দেশ্যে নানা উপমার প্রয়োগে কবিকে বলতে শুনি, এসো আমরা আরেকবার প্রেমে পড়ি। ‘বেঁচে আছি বুদবুদে’ কবিতায় শাশ্বত প্রেমের চিহ্ন দেখা যায়। থাকবো না আমি, থাকবে সব। কবির হদিস কেউ রাখে না, অথচ কবির রেখাপাত ছিলো এই চরাচরে। একটি হৃদয়ে নিজেকে সঁপে কবি অন্য অস্তিত্ব সব ভুলে গেছেন।

‘শ্যামলা মেয়ে’ কবিতায় শ্যামলা মেয়ের সৌন্দর্যে কবি বিমুগ্ধ। তাকে বর্ণনা করতে করতে কবি এক সময় লেখেন, ‘কোন জগতে আমায় নিলে আমাতে মন নাই’।
‘চন্দ্রগ্রহণ’ কবিতায় কবি পৃথিবী, সৌরজগৎ, কক্ষপথ, নক্ষত্র, নাসা সম্বলিত নানা উপমায় প্রেয়সীকে উপস্থাপন করেছেন। চাঁদের নিজস্ব আলো নেই, চাঁদে গ্রহণ লাগে কিন্তু কবির প্রেয়সীর নিজস্ব রূপশ্বৈর্যের ধাঁধাঁনো আলো আছে, যার পানে কবি আকর্ষিত।

তিন বছরের প্রেম শেষে বিচ্ছেদের এক অনন্য কাব্য ‘ থ্রিডি লাভ’। সদ্য অতীতের সুখস্মৃতি রোমন্থন ও প্রিয়াকে নতুন করে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আছে কবিতাটিতে।
‘একের ভেতর সব’ কাব্যে দেখা যায় কবিকে বাইরের জগৎ, সবুজ প্রকৃতি কিংবা বন্ধুত্বের আড্ডা সবকিছুই ডাকে, কিন্তু ঘরে গেলে প্রেয়সীর মুখখানা দেখলে বা তার সঙ্গ পেলে আর কিছুই দেখতে ইচ্ছা করে না। ‘তুমি কথা না বললে’ কবিতায় মন মানসী মুখ বন্ধ বা মুখ ভার করে থাকলে কবির জগৎ দিগভ্রান্ত হয়ে যাওয়ার এক চমৎকার উপস্থাপনা আছে।

‘শর্তসাপেক্ষ’ কবিতায় কবি দেখিয়েছেন নিঃশর্ত ভাবেই ভালোবাসতে হয়, শর্ত দিয়ে সোনার বাঁধনে জোড়া লাগে না। ‘কেউ কি আছো’ কবিতায় কবি অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষারত। মনে রক্তক্ষরণ, কেউ নেই সাগ্রহে গ্রহণের জন্য। ‘বালিকার মন’ কবিতায় কবি বালিকার মন বুঝতে না পারায় বালিকাকে ভালোবেসেছে, বকেছে, ঝগড়া করেছে আড়াল থেকে। ‘ডাকছো কেন’ কবিতায় কবি ছন্দে ছন্দে অভিমান প্রকাশ করেছেন প্রিয়ার কাছে। ‘অধ্যাদেশ’ কবিতায় হৃদয় মানসীর এক একটি আদেশ, অধ্যাদেশ, প্রজ্ঞাপন কবিকে বিধ্বস্ত করে। কবি এই অধ্যাদেশ চান না। ‘বিভ্রম’ কবিতায় দেখা যায় মানুষ ভালবাসলে নানা ভুল করে ফেলে,বিভ্রমে ভোগে। ‘ভালোবাসার অভ্যাস’ কবিতায় দেখা যায় প্রিয় মানুষের সাথে কাটানো সময়গুলো প্রিয় মানুষটির প্রস্থানে চোখের আয়নায় ভেসে ওঠে, যেন এক প্রকার অভ্যাসের মতো।

‘হৈমন্তীর দুঃখ’ কবিতায় ষড়ঋতুর নামে নামে দুঃখী প্রিয়তমাকে সাজিয়েছেন কবি। ‘হুরপরী’ কবিতায় কবি স্কার্ট পরা স্মার্ট সম্মোহনভরা কণ্ঠের হুরপরীকে কল্পনাতে সাজিয়েছেন। ‘চিনতে পারো?’ কবিতায় কবি নানা রূপে ঢঙে হাজির হলেও প্রিয়ার প্রতি অজস্র রঙের প্রশ্ন, আজো আগের মতো চিনতে পারো কিনা? ‘তোমার কাছে ড্রাইভিং শিখবো’ কবিতায় কবি সুবোধ বালক, প্রিয়ার কাছ থেকে শিখে শিখে অানাড়ি জীবনে সৌন্দর্য আনতে ব্যাকুল । ‘অভিমান’ কবিতায় দেখা যায় সংকটময় জীবনে মনের মানুষের শখ পূরণ করতে ইচ্ছা থাকলেও সময়ে তা হয়ে উঠে না, প্রিয় মানুষটি তাই অভিমান করে।

‘কী চাও’ কবিতায় জন্মদিনে প্রিয় মানুষটি কি চায় কবি মরণপণে তা দিতে ব্যাকুল। ‘প্রস্তাব’ কবিতায় মনের মানুষকে সমস্তটা দিয়ে প্রেম নিবেদন করেছেন কবি, বিনিময়ে মনের মানুষকে পাওয়ার ব্যাকুলতা প্রকাশ করেছেন। ‘ভাঙচুর’ কবিতায় কবি নিজেকে ভেঙে চুরে নতুন করে গড়তে চান, সত্তাকে শুদ্ধ করতে চান। ‘বিরহ যাপন’ কবিতায় ‘তুমি চলে যাবার পর আমি স্নানে যাবো’ অর্থাৎ প্রেয়সীর প্রস্থান হলে কবি স্বাধীনতা উপভোগ করবেন, করবেন বিরহ যাপন। ‘স্ক্রিনশর্ট’ কবিতায় দেখা যায়, অনুরাগ, অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও নিজেদের মধ্যের গোপনীয় আর পৃথিবীর কেউ জানবে না, দেখবেও না কেউ ইনবক্সের স্ক্রিনশর্ট।

‘চুম্বক’ কবিতায় প্রিয় মানুষটি চুম্বকের মতো। প্রিয় মানুষটির প্রতি সবাই আকর্ষিত হয়, তাই সময়ে দূরে রাখতে গেলেও তত কাছে আসে। ‘সাধ’ কবিতার ভাবার্থ এই, মন মানসীর মনের আকাশে বলাকা হয়ে উড়তে কার না সাধ জাগে! ‘আমি চাঁদ দেখি কেন?’ কবিতা মূল ভাব হলো হৃদয় রন্ধ্রে প্রেমের বুদবুদ এলে জীবনে রং লাগে, বিভোর হয়ে তখন চাঁদ দেখি। ‘সঙ্গে ভেজা লোক’ কবিতায় মেঘলা আকাশ, নদী, শীত, বর্ষার উপমায় কবি প্রেয়সীর আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন আর বলেছেন, এত খুঁজো না, আমি তোমার পিছেই আছি। ‘বৃষ্টি এলে’ কবিতায় বৃষ্টি বাদলা দিনে প্রিয়ার সাথে উপভোগ্য খুঁনসুটিময় জীবনের চিত্র অঙ্কন করেছেন।

‘চোখের ক্যামেরা’ কবিতায় কবি দেখিয়েছেন প্রিয় মানুষের অনুপস্থিতিতে মুষড়ে পড়ার কিছু নেই, আত্ম-জিজ্ঞাসায় সে লেপটে থাকে, মনের ক্যামেরায় সব সময় জীবন্ত থাকে। ‘থাকতে চাও, থাকো’ কবিতাটিতে আছে প্রকৃতির বর্ণনা। প্রকৃতি প্রেমিকরা রোমাঞ্চ নেত্রে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য অবলোকন করে। যে সে দৃশ্য দেখতে চায়, তাকেও কবি থাকতে বলেন। ‘কুয়াশার ক্রিম’ কবিতাটিতেও আছে প্রকৃতির বর্ণনা। কুয়াশায় কিংবা শীতের প্রতিচ্ছবি কবির খুব প্রিয়৷ শীতকে কবি নারীর সাথে তুলনা করে বলেছেন তাদের অন্তরে বসন্তকাল থাকে।

‘থমকে থাকি’ কবিতাটিও প্রকৃতিনির্ভর। শহরের কোলাহলে, যান্ত্রিকতার জাঁতাকলে কবি ভুলে গেছেন সজীব সুষমা। ‘বসন্তের প্রতীক্ষায়’ কবিতাটিতে আছে বসন্তের প্রতি কবির দুর্বলতার ছবি। কবি বসন্তকে খুব ভালোবাসেন, বসন্তের প্রতীক্ষায় প্রহর যাপন করেন। বসন্তের বিচিত্র বর্ণনাও আছে কবিতাটিতে। ‘প্রকৃতির মাৎসন্যায়’ কবিতাটিতে আছে, ষড়ঋতুর দেশে আর ছয় ঋতুর দেখা মেলে না। সব ঘটে কিন্তু অসময়ে। প্রকৃতির বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সাথে প্রিয় মানুষের অাচরণও মনের সাথে যাচ্ছে না।

বিদ্রোহী চেতনাতে ভাস্বর কবিতা ‘অশ্বারোহী’। প্রতিবাদী, বিদ্রোহী, দৃঢ়চেতা সৈনিক বা একজন বিপ্লবের ঋত্বিকের খোঁজে কবি, সবুজ পৃথিবী বিনির্মাণের তাগিদে।
কবির কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর কবিতা ‘চরিত্রহীন’। মানব মনের দ্বিচারিতা, মুখে এক কাজে আর এক, মিথ্যা বুলি ভিত্তির উপর মানুষের জীবনের চিত্র অনবদ্য উপমায় অংকন করেছেন এ কবিতার মধ্য দিয়ে। ‘জাজমেন্ট’ কবিতাটিতে মানুষের বিচার করার ক্ষমতা কতটুকু তা ব্যক্ত। কে কাকে কিভাবে বিচার করে, কে কাকে কতটুকু সত্য বলে উপস্থাপন করে, আর কে কি আর তাকে কি ভাবি এমনি ভাবাপন্নের কবিতা এটি। ‘বেলুন’ কবিতাটিতেও মানুষের কথা বলা হয়েছে। মানুষ স্বপ্নে ভাসে বেলুনের মতো। একসময় স্বপ্ন ভাঙেও বেলুন ফুঁটো হয়ে যাওয়ার মতো।

‘মানুষেরা’ কবিতাটিতে মানুষের বিচিত্র চরিত্রের কথা আছে। মানুষ হরেক চরিত্রের, একে অন্যের সহায় হয়, আবার একে অন্যকে বিপদে ফেলে অানন্দ করে।
‘বিবর্তন’ কবিতাটিতে আছে মানুষের উত্থান পতনের কথা। অতীত সুন্দর ও সজীব ছিলো, কালের বিবর্তনে এখন সব মরীচিকাময়, তামাটে আর কালসেটে দাগ সব কিছুতে। ‘বেইমানিতে বন্দী’ কবিতায় মানুষের চেতনা ও চুপ থাকার কথা আছে। মানুষ রুখে দাঁড়ালে সব অপশক্তি হার মানে, কিন্তু মানুষ তা না করে অন্যায়ের সাথে সন্ধি করে, করে বেইমানি।

‘বেঁচে আছি দুই জীবনে’ কবিতাটিতে আছে মানুষের আশা হতাশার চিত্র। কোন মানুষই পরিপূর্ণ নয়। শতভাগ সফল নয়, আত্মাও তাই তৃপ্ত নয়। মানুষের এই অতৃপ্ততা মানুষকে উদ্বিগ্ন করে, সম্মিলিত হয়ে অখণ্ড সাগরে ভাসতে পারে না। ‘আমি আর আমার হয়ে নেই’ কবিতাটিতে মানুষের শেষ বেলার চিত্র আছে। জীবনের অপরাহ্নে চাহিদা, বেদনা, চেতনা থাকে না। থাকে শুধু শেষ হওয়ার পালা, অলৌকিক অধ্যায়ের পথে যাত্রা। ‘রঙকাব্য’ কবিতায় আছে স্রষ্টাকে প্রাপ্তির বাসনা। রঙ মাখলেই জীবন রঙিন, রাজসিক হয় না। স্রষ্টাকে প্রাপ্তিতেই জীবনে রঙ লাগে। ‘প্রেমের চিঠি’ কবিতাটিও স্রষ্টা প্রেমের। যে প্রেমে কেউ ঠকে না। অনবদ্য পারলৌকিক ভাবের কবিতা এটি।

এবং ‘তাসের ঘর’ কবিতাটিও পারলৌকিক চিন্তার ফল। পৃথিবীর বুকে যতই দাপাদাপি করি আর রোমাঞ্চ করি প্রিয়ার সাথে জীবন যে তাসের ঘর কবি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। শেষে বলবো, প্রেমিক মন না থাকলে কবি হওয়া যায় না, কবিতা লেখা যায় না। প্রেমপ্রবল মনে প্রেয়সীর প্রতি অনুভব, উপলব্ধি, অভিমান থেকেই কবিতার জন্ম হয়। কবি তানিম ইশতিয়াকের কলম থেকে এক একটি শব্দ ঝরেছে আর এক একটি অমূল্য বাক্য সৃজিত হয়েছে, যে সব বাক্যে রয়েছে মুক্তোর দানা, উপমার নান্দনিক ব্যবহার যা প্রত্যেক পাঠককে মুগ্ধ করে। কবির মনের ভাব প্রতি কবিতায় যে শৃঙ্খল সৃষ্টি করেছে পড়ে পড়ে অাবিষ্ট হয়ে পড়ি। ‘বুকের জলে বুদবুদ’ কাব্যগ্রন্থটি পাঠক মহলে সমাদৃত হবে, কবিও পাবেন কবিতা প্রেমিকদের হৃদয়কন্দে স্থায়ী আসন এ আমার বিশ্বাস।


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta