আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন

তিন দিন নয়, ইজতেমা হবে চার দিন

তিন দিন নয়, ইজতেমা হবে চার দিন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  

এবার বিশ্ব ইজতেমা চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। টঙ্গির তুরাগ নদী পাড়ে ১৫-১৮ তারিখ অনুষ্ঠিত হবে তাবলীগ জামাতের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমা।

তাবলীগেরে ববিবদমান দু’পক্ষ দু’দিন করে আনুষ্ঠানিতার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দু’পক্ষকে দু’দিন করে সময় দেয়া হবে। প্রথম দু’ দিন ইজতেমার নেতৃত্ব দেবেন মাওলানা জুবায়ের এবং শেষ দু’দিনের নেতৃত্ব দেবেন সাদপন্থি তাবলীগ নেতা সৈয়দ ওয়াসিফ ইসলাম।

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তাবলীগের দু’পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ। বৈঠকে উভয় পক্ষই চার দিনের ইজতেমা বিষয়ে একমত হন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সাদপন্থিদের নেতৃত্ব দেন সৈয়দ ওয়াসিফ ইসলাম। অপরদিকে, সাদবিরোধীদের নেতৃত্ব দেন মাওলানা জুবায়ের। ইজতেমা চার দিন করা হলেও আখেরি মোনাজাত কে বা কোন পক্ষের আলেম পরিচালনা করবেন সে বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। জানা গেছে, এ ব্যাপারে কোনো পক্ষই ছাড় দিতে রাজি হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আখেরি মোনাজাত কে পরিচালনা করবেন এটা নিয়ে সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে চায় না । আখেরি মোনাজাত কে পরিচালনা করবেন, সেটা নির্ধারণ করবেন তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বিরা।’ তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে চার দিন ইজতেমার বয়ান শুনে উপস্থিত তাবলিগের মুরব্বিরা আখেরি মোনাজাত পরিচালনাকারী নির্ধারণ করে নিতে পারবেন। উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি ধর্ম মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত তাবলিগের দু’পক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ১৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত করেন। তাবলীগ নেতারাও তখন সে সিদ্ধান্ত মেনে নেন।

প্রতিমন্ত্রী সেদিন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘গত কয়েক বছর দুই পর্বে ভাগ করে দেশের ৬৪ জেলার মানুষের জন্য ইজতেমার ব্যবস্থা করা হলেও এবার এক পর্বেই এ সম্মিলনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’ তিনি বলেছিলেন, ‘কিছুদিন ধরে বিভিন্ন লোক বিভিন্নভাবে বিশ্ব ইজতেমাকে ভাগাভাগি করার চেষ্টা করছে। কোনোভাবেই এটাকে ভাগ করতে দেয়া যাবে না। গতবছরও গোলযোগ রাস্তায় এসে গিয়েছিল। আমরা এটা সফলভাবে নিবৃত্ত করতে সক্ষম হয়েছি।’ নিরাপত্তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেছিলেন, ‘এবার দূরত্বটা অনেক বেশি, আরও শক্ত হয়েছে। শক্ত কারণগুলোর জট খুলতে আমাদের একটু শক্ত হতে হয়েছে। দু’পক্ষকে এক জায়গায় বসাতে সক্ষম হয়েছি, যাতে এক জায়গায় করতে পারি। এ জন্য নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের।’

সেদিন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগে নির্বাচনে জয়ী হলো সরকার, প্রথম কাজটাই যদি হয় তাবলিগ জামাতের ইজতেমা হচ্ছে না, নিন্দুকের তো আর অভাব নেই। বলবে যে তাবলিগটাই ভেঙে দিয়েছে। এর সঙ্গে সরকারের ইমেজ জড়িত। তাবলিগ-জামাত হতে হবে, একসঙ্গে হতে হবে। এটা প্রধানমন্ত্রীর ইমেজের সঙ্গে জড়িত।’ প্রতিমন্ত্রী সেদিন আরও বলেছিলেন, ‘আজকে সবাই একমত যে, ১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি একত্রে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা হবে। তবে কিছু কিছু কথা আছে সে কারণে আবারও একসঙ্গে বসতে হবে।’

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন




Leave a Reply

জনসম্মুখে পুরুষ নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com