আজ মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
প্রাণঘাতী সোয়াইন ফ্লু’তে ভারতে নিহত ২২৬

প্রাণঘাতী সোয়াইন ফ্লু’তে ভারতে নিহত ২২৬

Swine flu Panic-Nobobarta

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  

ভারতে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছে অন্তত ২২৬ জন। এর মধ্যে রাজস্থানের পরিস্থিতি সবচেয়ে শোচনীয় বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজস্থানেই অন্তত ৮৫ জন মারা গেছে এবং ২২৬৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। গুজরাটে ৪৩ এবং পাঞ্জাবে ৩০জন মারা গেছে। চলতি বছরের এ পর্যন্ত এ দুই রাজ্যে ৬৭০০-্এ বেশি রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

সোমবার শুধু রাজধানী দিল্লিতেই সোয়াইন ফ্লু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৯৫। ্এ মধ্যে ৭১২ জন সাবালক এবং ১৮৩টি শিশু। মঙ্গলবার নতুন করে আরও ১০৪ জনের আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়, যার মধ্যে ২০ জনই শিশু। এরই মধ্যে সোয়াইন ফ্লু মোকাবেলার পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব প্রীতি সুদান জানিয়েছেন, পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজস্থানে গণস্বাস্থ্য সংক্রান্ত একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এছাড়া গুজরাট এবং পাঞ্জাবেও টিম পাঠানো হয়েছে। সোয়াইন ফ্লু মোকাবেলায় রাজ্যগুলোকে সহায়তা করার জন্য এসব টিম পাঠানো হয়।

এর আগে ২০১৫ সালে ভারতে ৩৩ হাজার মানুষ সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছিল। এদের মধ্যে এক হাজার ৯৯৪ জনের মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, চিকিৎকদের মতে- সোয়াইন ফ্লু আর অন্যান্য সব ভাইরাসের মতো একটি ভাইরাস, যাকে আমরা বলি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। মার্চ থেকে জুন মাস পর্যন্ত যে হাঁচি-কাশিটা লেগে থাকে একই ভাইরাস-জাতীয় একটি ভাইরাস এটি।

আর পাঁচটা ভাইরাসের মতো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এটি ছড়ায়। আমরা যখন হাঁচি-কাশি দেই তখন ড্রপলেট হয়। এর মাধ্যমে জীবাণুটা ছড়ায়। যখন হাঁচি বা কাশি দিলাম তখন পাশের ব্যক্তিটি আক্রান্ত হয়ে যাবেন। হাঁচি দেয়ার পর রুমাল ব্যবহার না করে যদি নাকটা ধরা হয় এবং এরপর যদি সামনে একটি গ্লাস থাকে সেটি ধরি আবার সেই গ্লাস যদি আপনি ধরেন এর মাধ্যমে জীবাণু ছড়াবে।

১০ ঘণ্টা পরও যদি আপনি হাত দিয়ে এটি ধরেন তখনো কিন্তু আক্রান্ত হয়ে যাবেন। সোয়াইন ফ্লুও মানুষ থেকে মানুষে ছড়াচ্ছে। কেননা এটার উৎপত্তি হচ্ছে সোয়াইনের মাধ্যমে। তবে সাধারণ যে ভাইরাসগুলো দিয়ে আক্রান্ত হয় সেগুলো থেকে কয়েকদিনের মধ্যে সুস্থ হওয়া যায়। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, সোয়াইন ফ্লু বা বার্ড ফ্লু, এ ভাইরাসগুলো আমাদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। আমাদের পাশের দেশ ভারতে এটি চলে এসেছে। যখন কোনো জায়গায় হয় তখন আমরা বলি এপিডেমি। এটা যেহেতু প্রচণ্ড ছোঁয়াচে ভাইরাস তাই আমাদেরও এটা হয়ে যেতে পারে।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন




Leave a Reply

জনসম্মুখে পুরুষ নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

Nobobarta on Twitter

© 2018 Nobobarta । Privacy PolicyAbout usContact DMCA.com Protection Status
Design & Developed BY Nobobarta.com