হাইওয়ে পুলিশের হয়রানির প্রতিবাদে রাজেন্দ্রপুর সড়ক অবরোধ - Nobobarta

আজ রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মাভাবিপ্রবিতে পদার্থ বিজ্ঞানে গবেষণা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে থাকতে হবে : নজরুল ইসলাম খান কিশোরি ধর্ষনের অভিযোগে ঘিওরে কথিত সাংবাদিক কামাল গ্রেপ্তার পুঠিয়ায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে পুরুষের দায়িত্ব ও ভূমিকা বিষয়ক আলোচনা সভা লিসা’র হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না : খন্দকার লুৎফর জাবি উপাচার্যকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কালো পতাকা প্রদর্শন আন্দোলনকারীদের মোহামেডানসহ ৪ ক্লাবে জুয়ার বর্ণাঢ্য আয়োজন জবিতে শুরু হচ্ছে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেইস কম্পিটিশন আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু’র মৃত্যুতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির শোক
হাইওয়ে পুলিশের হয়রানির প্রতিবাদে রাজেন্দ্রপুর সড়ক অবরোধ

হাইওয়ে পুলিশের হয়রানির প্রতিবাদে রাজেন্দ্রপুর সড়ক অবরোধ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
সালাহউদ্দিন সালমান।
হাইওয়ে পুলিশেরর হয়রানিতে অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক,চালক ও সাধারন জনগন। সরকার মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করায় হাইওয়ে পুলিশ চাঁদাবাজির নতুন ক্ষেএ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন চালক সহ হাজারো যাত্রী।
২৮ জুন শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকায় দ: কেরানীগঞ্জে রাজেন্দ্রপুর বাস স্ট্যান্ডে হাইওয়ে পুলিশে তান্ডবে এক অটোরিকশা চালকসহ যাএী আহত হয়। গুরুতর আহত যাএী বজরুল রহমানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।  এতে স্থানীয় মহাসড়কের আশেপাশের এলাকার হাজারো জনগণ সহ  ভিবিন্ন যানবাহনের হেলপার ড্রাইভার ক্ষুদ্ব হয়ে ঢাকা- মাওয়া মহাসড়ক রাজেন্দ্রপুরে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়।
এবং সাধারন জনগন, ভেন ও অটোরিকশাচালক  হাইওয়ে  পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন। বিক্ষুব্ধ জনতা ও হাইওয়ে পুলিশে সাথে দাওয়া- পালটা দাওয়া কয়েকজন পুলিশ আহত হন।পরে দ:কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ জামানের মধ্যস্থতায় সাধারন জনগন ও অটোরিকশা চালক অবরোধ তুলে নেয়।
এবং তিনি আস্বাস দেন, আর হাইওয়ে পুলিশ তাদের অযথা হয়রানি করবে না।
একাধিক অটোরিকশাচালক অভিযোগ করে বলেন,হাইওয়ে থানা পুলিশের অমানবিক অত্যাচারে আমাদের এখন মরা ছাড়া কোন উপায় নেই ।তারাই সুযোগ দেয় হাইওয়ে উঠতে আবার তারাই অতর্কিতে আমাদের গাড়ি ধরে নিয়ে মামলা না দিয়ে রাতের আধারে লেনদেন করে গাড়ি ছাড়ে।মাসে আমাদের অটোরিকশা চালিয়ে রোজগার হয়না ১০ হাজার টাকা। কিন্ত হাইওয়ে পুলিশ গাড়ি নিলেই ১২ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনতে হয়।
অটোরিকশাচালক আরো জানান যে,এই হাইওয়ে থানা পুলিশের আছে একাধিক চিহ্নিত দালাল,রাস্তা থেকে অটোরিকশা বা সিএন জি ধরে নিয়ে যাবার সময় বলে যায় উমুকের সাথে যোগাযোগ করে গাড়ি নিতে,দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করলেই দাবী করে মোটা অংকের টাকা।অন্যথায় গাড়ির মামলা দিয়ে এক মাসের বেশী ফেলে রাখে একেকটি গাড়ি। এইসব কাজে হাইওয়ে থানার মুন্সী থেকে শুরু করে সরাসরি জড়িত থানার ওসি বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply