৪ লাখ টাকার গাছ বিক্রি হলো ৮০ হাজার টাকায় - Nobobarta

আজ রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
লিসা’র হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না : খন্দকার লুৎফর জাবি উপাচার্যকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কালো পতাকা প্রদর্শন আন্দোলনকারীদের মোহামেডানসহ ৪ ক্লাবে জুয়ার বর্ণাঢ্য আয়োজন জবিতে শুরু হচ্ছে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেইস কম্পিটিশন আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু’র মৃত্যুতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির শোক দুর্নীতি দমনে প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছে দেশবাসী : জিএম কাদের বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করবেন নার্গিস ফাখরি পাকিস্তানে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ২৬
৪ লাখ টাকার গাছ বিক্রি হলো ৮০ হাজার টাকায়

৪ লাখ টাকার গাছ বিক্রি হলো ৮০ হাজার টাকায়

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    2
    Shares

নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিদ্যালয়ের ৪ লাখ টাকা সমমূল্যের গাছ মাত্র ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

জেলার বোদা উপজেলার ময়দানদীঘি ইউনিয়নের জোতমনিরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ৩০ টি বড় ফলদ ও বনজ গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (১৮ আগস্ট) স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী তমিজ উদ্দিনের লোকজন গাছগুলো কাটা শুরু করলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। বিদ্যালয় ভবন ও মাঠের চারপাশে ১২-১৪ বছর বয়সী এই সব গাছ শোভা বর্ধন ও ছায়া প্রদান করায় স্থানীয় ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক জানান, শুধুমাত্র টাকা আত্মসাৎ করার জন্য প্রধান শিক্ষক মোবারক আলী ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ চন্দ্র রায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে গাছগুলো তড়িঘড়ি করে কেটে বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দেয়া তথ্যমতে, বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করার জন্য প্রথমে দাপ্তরিক অনুমোদন লাগে। এরপর বন বিভাগ গাছের দাম নির্ধারণ করার পরে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে গাছ বিক্রি করা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে বিষয়ে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোবারক আলী জানান, আশপাশের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয় অনেকে অভিযোগ করেছিল। তাই গাছগুলো কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বারের অনুমতি নেয়া হয়েছিল। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার জানান, আমি নিয়ম মেনে গাছগুলো কেটে বিক্রি করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু এরপর কি হয়েছে তা আমার জানা নেই। বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ মাহমুদ হাসান বলেন, ‘সরকারি বিধি না মেনে বিদ্যালয়ের গাছ কাটার কথা শুনেছি। আমরা গাছগুলো জব্দ করার জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছি। গাছগুলো জব্দ করার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply