বিদেশ ফেরতদের কোভিড ‘নেগেটিভ’ সনদ বাধ্যতামূলক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী | Nobobarta

আজ শুক্রবার, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:৩৫মি:

বিদেশ ফেরতদের কোভিড ‘নেগেটিভ’ সনদ বাধ্যতামূলক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিদেশ ফেরতদের কোভিড ‘নেগেটিভ’ সনদ বাধ্যতামূলক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্য কোভিড-১৯ ‘নেগেটিভ’ সনদ আবার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, কোভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ না আনতে পারলে ১৪দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

আজ রোববার (১৫ নভেম্বর) কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে জাহিদ মালেক বলেন, বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ আবার বাড়ছে, এর মধ্যেই বিদেশ থেকে মানুষ আসছে, অনেকে বাইরে যাচ্ছে। ভাইরাসের বিস্তার রোধেই করোনাভাইরাস পরীক্ষার সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের একটা নিয়ম করা আছে, তারা করোনাভাইরাস টেস্টের পর নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে। তা না হলে ১৪দিন কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক। বিমানবন্দর, স্থলবন্দর বা সমুদ্রবন্দর- যে পথেই দেশে আসুক। সব জায়গায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সব জায়গায় কোয়ারেন্টিনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশে লাইসেন্স ছাড়াই বিপুল সংখ্যক হাসপাতাল-ক্লিনিকে সেবা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অনুমোদন ছাড়া কোনো হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক কাজ করতে পারবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সিভিল সার্জনসহ সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সব জেলায় তারা সব হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিদর্শন করবে। যাদের লাইসেন্স নাই, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, তাদের সময় দেওয়া হবে নবায়ন করার। যেখানে যন্ত্রপাতি নেই সেখানেও সময় দিয়ে যন্ত্রপাতি বসানোর জন্য সময় দেওয়া হবে। ওই সময়ের মধ্যে যন্ত্রপাতি বসাতে না পারলে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হবে। মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।

Rudra Amin Books

প্রসঙ্গত, গতবছর ডিসেম্বরে চীনে যখন নতুন এ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে অন্য অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও জানুয়ারি থেকেই বিমান ও স্থলবন্দরগুলোতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়। বিদেশফেরত যাত্রীদের তাপমাত্রা পরীক্ষাসহ স্ক্রিনিংয়ের পাশাপাশি কারও মধ্যে অসুস্থতার লক্ষণ থাকলে তাকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়। ঢাকার আশকোনা হজ ক্যাম্পে ও উত্তরার পাশের দিয়াবাড়িতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় কোয়ারেন্টিন সেন্টার পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় সেনাবাহিনীকে। বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে সে সময় হাতে সিল লাগিয়ে দেওয়ারও ব্যবস্থা নেয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। মাঝখানে দুই মাসের বেশি সময় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকলেও এখন আবার কয়েকটি দেশ থেকে আকাশ পথে যাত্রী পরিবহন হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

সংরক্ষণাগার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta