স্বাস্থ্যরক্ষায় পেঁয়াজ ব্যবহার – Nobobarta

আজ শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
আজ উদয় সমাজ কল্যান সংস্থা সিলেটের ১২তম ওয়াজ মাহফিল দলীয় কার্যালয় সম্প্রসারণের লক্ষে আগৈলঝাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির প্লট উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর যবিপ্রবিতে ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বাংলাদেশের নতুন কমিটি গঠন আটোয়ারীতে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত জবি রোভার দলের হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পরিভ্রমণের উদ্বোধন মারুফ-তানহার ‘দখল’ লক্ষ্মীপুরে রামগতি পৌরসভায় ৮ কোটি টাকার টেন্ডার জালিয়াতি চেষ্টার অভিযোগ নলছিটিতে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার সভাপতি সরফরাজ, সম্পাদক লিটন রাজাপুরে আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন-২০১৯ অনুষ্ঠিত সহকারী পরিচালক সমিতির নির্বাচন আগামীকাল!!
স্বাস্থ্যরক্ষায় পেঁয়াজ ব্যবহার

স্বাস্থ্যরক্ষায় পেঁয়াজ ব্যবহার

পেঁয়াজে পাওয়া যায় ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সহ আরও অনেক পুষ্টি উপাদান। পাশাপাশি সৌন্দর্য রক্ষায় এর সুনাম রয়েছে। তবে স্বাস্থ্যগত সুবিধার পাশাপাশি বেশি পেঁয়াজ খাওয়ার ক্ষতিকর দিক রয়েছে।

আপনার যদি পেঁয়াজে অ্যালার্জির থাকে, তবে এর সঙ্গে সখ্য পরিহার করুন। অন্যথায় ত্বক ও চোখের লাল ভাব, চুলকানি, শ্বাস নিতে অসুবিধা, মুখের ফোলাভাব-সহ মতো অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এমনকি রক্তচাপের অবনমন ঘটতে পারে। অন্ত্রের গ্যাস ও পেটে ফুলে যাওয়ার কারণ হতে পারে। মূলত পেঁয়াজে ফ্রুকটোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করার উপস্থিতির কারণে এটা হয়। তবে কম পরিমাণে, এটি কোনো হুমকি নয়।

যদি খুব বেশি পেঁয়াজ গ্রহণ করেন তবে অন্ত্রের গ্যাসের মাত্রা বাড়তে পারে। এটি হজমজনিত সমস্যা- যথা; পেটে ফুলে যাওয়া, অস্বস্তির কারণ হতে পারে। কখনো কখনো বমি বমি ভাব ও ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। নিয়মিত ও মাঝারি পরিমাণ পেঁয়াজ আমাদের হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী, কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আবার বেশি পেঁয়াজ খাওয়া লোকেরা গ্যাস্ট্রিক জাতীয় সমস্যার ঝুঁকিতে থাকে। এ ছাড়া গর্ভবতী নারীরা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিতে পড়েন।

ভিটামিন কে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি ভিটামিন যা রক্ত ​​জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। এটি পেঁয়াজে যথেষ্ট রয়েছে। এর বিপরীত হলো রক্ত ​​পাতলা করার উপাদান। আপনি যদি রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান তবে পেঁয়াজে পরিমিতিবোধ দরকার। পেঁয়াজ পটাশিয়ামের দুর্দান্ত উৎস। যা আমাদের রক্তনালি শিথিল করে, রক্ত ​​চলাচলকে উন্নত করে। এর মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি হ্রাস হয়। কিন্তু অনেক বেশি পেঁয়াজ খাওয়া রক্তচাপকে বিপজ্জনকভাবে নিচে নামিয়ে আনতে পারে। যার কারণে ক্লান্তি, হালকা মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, হতাশায় আক্রান্ত হতে পারেন।

ত্বকের ক্ষত, ব্রণের চিকিৎসার জন্য পেঁয়াজের রস ব্যবহার হয়। কিন্তু অ্যালার্জি থাকলে চুলকানি, জ্বালা, লাল ভাব আসতে পারে। পেঁয়াজের থাকা সালফার ধমনি ও শিরা নমনীয় করে। তবে এটি দুর্গন্ধজনিত অস্বস্তির কারণও। এই কারণে সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। রক্তের সুগারকে বিপজ্জনকভাবে নিম্ন স্তরে হ্রাস করতে পারে পেঁয়াজ। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বা ঝুঁকি থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ও মাঝারি পরিমাণে পেঁয়াজ খাওয়া খুব উপকারী।


Leave a Reply