সিরাজদিখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাবা শরীফ নিয়ে কটুক্তি! – Nobobarta

আজ বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
আগৈলঝাড়ায় পেঁয়াজ, চাউল ও লবণ নিয়ে গুজব ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাসের অভিযান অব্যাহত কাউখালীতে নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ পিইসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার কবি সুফিয়া কামালের নামানুসারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীনের জাবির হল খুলে দেওয়াসহ ৭দফা দাবি শিক্ষার্থীদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে শুরু হল বুড়ি তিস্তা খনন নলছিটিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ টিকাটুলির সুপার মার্কেটে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২০ ইউনিট হাইকোর্টে স্থগিত নওশাবার মামলা ইউটিউবের নীতিমালায় পরিবর্তন, বন্ধ হবে অনেক চ্যানেল ৪১ বছরে পা রাখছে ইবি
সিরাজদিখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাবা শরীফ নিয়ে কটুক্তি!

সিরাজদিখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাবা শরীফ নিয়ে কটুক্তি!

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি।
মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলার রাজদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা কাঞ্চন মালা কাবা শরীফ নিয়ে কটুক্তি করায় এলাকাবাসী ও আভিবাবক দের মাঝে ক্ষোভ বিারাজ করছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় অনেক শিক্ষার্থী ও অভিবাবকরা কাবা শরীফ নিয়ে কটুক্তির বিষয়ে কথা বলছে এবং তাদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী জুবায়ের বলেন, গত বৃহস্পতিবার আমাদের ইসলাম ধর্ম পরিক্ষায় সময় কাঞ্চন মালা ম্যাডাম আমাদের বলেন আমি এবার হজ্বে যাব। এসময় এক ছাত্রী দাড়িয়ে বলে ম্যাডাম মুসলমান ছাড়া অন্য ধর্মের লোকেরা তো হজ্বে যায় না। তিনি বলেন আমি জানি কেন যায় না। কারন কাবা শরীফ মা-কালি পাহারা দেয় সেখানে গিয়ে তুলসি পাতা ছোয়ালে কালি ছুটে যাবে তাই মুসলমানরা অন্য ধর্মের লোকদের সেখানে যেতে দেয় না।রাজদিয়া দারুসসালাম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক বলেন, কাবা শরীফ নিয়ে কটুক্তি করায় এলাকাবাসী আমাকে জানালে আমি এলাকাবাসী সহ শিক্ষিকাকে জিজ্ঞাসা করলে প্রথমে তিনি অস্বীকার করেন এবং পরে স্বীকার করে বলেন এই ছোট বিষয়টা নিয়ে আপনারা এতো বানাচ্ছেন কেন।সহকারি শিক্ষিকা কাঞ্চন মালা বলেন, বাচ্চারা আমার কাছে জানতে চায় আপনি কি হজ্বে জাবেন? আমি বলি আমরা তো হিন্দু তাই আমাদের হজ্ব নেই।

তবে ছোট বেলায় পূর্ব পুরুষদের মুখে শুনেছিলাম কাবাঘরে কি যেন থাকে সেখানে নাকি তুলসি পাতা ছোয়ালে সেটা মুক্তি পাবে। এ কথা ছাড়া আমি অন্য কিছু বলিনি বাচ্চারা কেন এমন অভিযোগ করছে তা আমি জানি না। আমি বিদ্যালয়ে এসে এমন কথা শুনতে পেয়ে খুবই মর্মাহত।বিদ্যালয়ের প্রধার শিক্ষিকা শাহানাজ বেগমের সাথে এবিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন, আমার উর্ধতন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া আমি কিছু বলতে পারব না। এবং তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে মুঠোফোনে ধরিয়ে দেয়।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়েছি এবং এটিও কে পাঠাচ্ছি ঘটনা সত্য হলে ব্যাবস্থা গ্রহন করব।


Leave a Reply