মাহমুদ নোমান এর উপন্যাস “তামাশা” | Nobobarta
বাংলা বাংলা English English हिन्दी हिन्दी Italiano Italiano

ঢাকা   আজ বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ৫:৫৮ পূর্বাহ্ন

মাহমুদ নোমান এর উপন্যাস “তামাশা”
পব-৩

মাহমুদ নোমান এর উপন্যাস “তামাশা”

মাহমুদ নোমান

Rudra Amin Books

যে সকল পাঠক গত পর্ব (পর্ব-১) পড়তে পারেনি তাদের জন্য লিঙ্ক দেয়া হলোঃ পর্ব-১ পব-২

০৬.
সিয়াম মেসে উঠার পরে টের পেল টিউশনি পাওয়াটা সোনার হরিণ। তবে মেসে শফিক হয়তো এটাও চিন্তা করে সিয়াম না খেতে পারলে তাকে খাওয়াতে হবে আবার মেসের ভাড়া,এ এক জটিল সমীকরণ। তাই যথাসাধ্য চেষ্টা বা ভাগ্য ভালো হয়তো কিছুদিনের মধ্যে সিয়ামের জন্য একটা টিউশন ঠিক হলো। জজ কোর্টের উকিল হোসাইন এমদাদের দুটি মেয়ে। একটি থ্রি ও অন্যটি ফোরে। তার উপর উকিলের ছোট ভাই রফিক। বয়স হয়তো সিয়ামের চেয়ে দশ বছরের বড়। মোছ ঘন হয়ে মজবুত আসন গেঁড়েছে। উকিলের ছোট বলে কথা, একদিন মুখ অবসন্ন করে বলে – সিয়াম জানো,আমি কি কষ্ট না করে আজ উকিল হয়েছি,কিন্তু আমার ছোটো ভাই তার সোনালি সময়টা টো টো করে শেষ করলো। এখন একটা জীবন চলার মতো ছোটখাটো চাকরি দিলেও তো এস এস সি পাশটা করতে হবে। আর উকিলের ভাই পরিচয় কেমনে দিই ? সিয়াম,আমার ইজ্জত বাঁচাও…
সিয়াম চুপচাপ, যেন বাধ্য হয়ে শুনছে। তবে জীবনের ব্যাকরণ শুনতো ভালো লাগে। রফিক উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এস.এস. সি কোর্সে ভর্তি হলো,প্রথম এ টিউশনির কথা শুনে মনটা একটু বেঁকেছিল অবশ্যই। কিন্তু ত্বরিত এও ভাবছে এটা না করে উপায়টা বা কী? তদোপুরি রফিককে পড়ানো একটা অন্যরকম চ্যালেঞ্জ নিলো নিজের মধ্যে। রফিককে ধমক দেওয়া যায় না অথচ সম্মানে বা ভালোবাসায় দিনদিন বয়সের এতো বড়ো ছেলেটি সিয়ামকে দেখলে ঋজু হয়ে যায়। পথে দেখা হলে সম্মানের সাথে সিগারেট লুকিয়ে ফেলে, জিজ্ঞেস করে- স্যার কি খাবেন…?
– না না,কিছু না
রফিকের এমন ব্যবহারে সিয়ামের জন্মটাই বুঝি স্বার্থক। প্রশান্তিতে বুক ফুলে চওড়া হতে থাকে যেন। তাছাড়া উকিলের দুই মেয়ে নীহা ও মাহীর কলবলে চাল- চলনে সিয়াম ভুলে যায় অতীতের কালিমা ; আর সিয়ামও তাদের একদিন না দেখে থাকতে পারে না,এ যেন আত্মার টান।
একদিন গোধূলীর সোনাঝরা আলোতে মেসে এসে শফিক বলল – সিয়াম তোকে তানিয়া দেখা করতে বললো
– কোন তানিয়া!
সিয়াম যেন আশ্চর্য হয়ে গেল। ভুলে গেলো কোন তানিয়ার কথা। শফিক একটু বিচলিত হয়েই বললো- কেন! জানালার দিকের মেয়েটিকে ভুলে গেলি…? যে তোকে ভালোবাসে বললো
সিয়াম হা করে তাকিয়ে আছে। যেন ভাবছে – তার সাথে কি এমনকিছু হলো…
শফিক বলতে থাকলো- তোর জন্য এ রাস্তার একটু পূর্বে মোড়ে দাঁড়াবে বলেছে এখন,যাবি…?
সিয়াম কি উত্তর দিবে বুঝে উঠতে পারেনি বা উত্তর করা হয়নি নিজের মধ্যে। শফিক সিয়ামের কাঁধ ধরে একটু ঝাঁকালো। আবার বললো- গিয়ে দেখ,কী বলে।
যা,যা…
সিয়াম সিঁড়ি দিয়ে নামতে ইতস্তত বোধ করলো। কে যেন যেতে মানা করছে অদৃশ্যে। তবুও জোর করে এগুলো। মোড়ের মুখে হাতের ইশারায় মেয়েটি একটি জীর্ণ পুরানো গুদামের দেয়ালের আড়ালে দাঁড় করালো। সিয়াম কী করবে, নিজেও টের পাচ্ছে না। কেবল ভয় ঝেঁকে বসল বুক থেকে কণ্ঠনালী পর্যন্ত। তবে মেয়েটির এলাকা বলে মেয়েটি বেশ উৎফুল্লে বলল- কেমন আছো…?
– ভালো
– নাস্তা করলে…?
– না
একটা পুঁটলি এগিয়ে দিয়ে বলে- এসব তোমরা খেয়ো,আমার হাতে বানানো পিঠা
সিয়ামের নার্ভাস লাগছে। সোনাঝরা আলোয় একটু একটু ঘামছেও। একটু টেনেটুনে বলল- না,না এসব লাগবে না
তানিয়া একটু কষ্ট পেল বুঝি,তবুও বলল- তুমি এসব না নিলে খুব কষ্ট পাবো,আমি অনেক আশা করে তোমার জন্য বানিয়ে আনলাম
সিয়াম ক্ষীণ স্বরে সম্মতিতে বলল- আচ্ছা, দাও
সিয়াম তানিয়ার কাছ থেকে পুঁটলিটা নিয়ে বলল- যাচ্ছি তাহলে…
সিয়াম আর একটিবারের জন্যও পিছু ফিরল না। যেন একটা ভয় তাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে। এলাকাটা তো নিজের না আর নারীর কেলেংকারি বড় জটিল অন্তত সিয়াম এ বয়সে বেশ বুঝে।
মেসে ঢুকে পুঁটলিটা শফিকের টেবিলে রাখলো,সারোয়ার বাইরের থেকে এইমাত্র আসল আর পুঁটলিটা দেখে চোখ বড় করে বলল- এটা কোত্থেকে…?
তড়িঘড়ি পুঁটলি খুলে বলল- এতো হাত বানানো পিঠা
শফিক জবাব দিলো- হয়তো তানিয়া দিয়েছে
সারোয়ার ঢোক গিলল,তবুও পিঠা খাওয়া শুরু করেছে। এমন জিনিস বলতে গেলে মেসে পাওয়া বিরলতম। এতোগুলো পিঠা জেদাজেদি করে দুজনে দশ মিনিটে শেষ করে দিলো। সিয়াম কেবল দেখে দেখে হাসলো আর নিজে একটা পিঠাও না পেয়ে কেবল স্বস্তিবোধ করলেও অন্তরের কোণে একটু ভাবনা আসে।
প্রায় তিনমাসে মেসে বা শহরে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে সিয়াম। শফিক লজিনে খায়,সারোয়ারও। তাই সিয়ামকে অন্য একটা মেসে গিয়ে খেয়ে আসতে হয়। প্রায় মসুর ডালের পানি আর আলুভর্তা মেসের জন্য একটা আদর্শ রেসিপি। কেবল প্রশান্তির,ঝামেলামুক্ত। একটু হেঁটে যেতে হয় খাবার খেতে,কখনো বাউলা হয়ে দূরে একা একা হেঁটে চলে,সন্ধ্যার নাগাদ হোটেলে চা পান করে মেসে ফিরে। আর নিজেকে গোছিয়ে টিউশনিতে চলে যাওয়া, সেখান থেকে রাতের খাবার খেয়ে একেবারে ফিরে নিজের পড়ালেখা বা কিছু একটা লেখা। এভাবে সিয়ামের জীবন যেন নিশ্চিন্তে পার হচ্ছে।
কিন্তু একদিন এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যার কাছাকাছিতে মা ও চাচা এসে মেসে বসা। মা পানের ডিব্বা থেকে পান খাচ্ছে,সিয়াম তড়িঘড়ি করে বাইরের থেকে ঢুকল। মাকে সালাম করলো। মা খুব অসহায় মুখে বললো- সিয়ান,তুই কোনোদিন আমাকে ছেড়ে থাকলি ? অথচ তিনচার মাস কেমনে আছস্? একটুতো খবরও দিলি না। ও বাপ,আয় আমার সাথে ঘরে চল। এখানে থাকা, খাওয়া-দাওয়া তোর সমস্যা
সিয়াম একটু অপারগতা দেখাচ্ছে বাড়িতে ফিরে না যাওয়ার। মুখেও বলে ফেলে- না, মা আমি বাড়িতে যাবো না
– রাগ করিস্ না বাপ,আমি আজ তোকে ছাড়া বাড়িতে যাবো না
সিয়ামের কাছে মায়ের এমন আকুতিতে বুকে ধক্ করে উঠে। আর ফিরতি কিছু বলতেও পারে না। শফিকও মায়ের সামনে সায় দিতে বাধ্য হয় বাড়িতে ফিরে যাওয়ার। ব্যাগ গোছিয়ে নেয় দুইটা আর টিউশনিতে গিয়ে বিদায় নিতে উকিল বলে উঠে- সিয়াম তুমি চলে যেও না ভাই,আমি নিজে তোমার জন্য টিউশনি দেখবো।
নীহা ও মাহী দুজনে ঝাপটে ধরে স্যার স্যার বলে। সমস্বরে দুজন বলে উঠে- স্যার আমাদের ছেড়ে যায়েন না,
ওদের এসব কথা ও বাধা ডিঙিয়ে ফিরতে রাস্তায় নামতে বুক চাপিয়ে চোখে জল নেমে আসে। নিজেও জানে না কখন এতো মায়া জমে গেল তাদের জন্য।

ফিরতে সে জানালাটির কথাও খুব মনে পড়ল বাসে। শফিকের সে কথাটি কানে বাজছে বারবার – একটা পৃথিবী আছে, সুন্দর পৃথিবী। ফ্যাকাশে চুলগুলি উড়াউড়ি করছে বাতাসে।

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি দৈনিক অনলাইন নববার্তা-কে জানাতে ই-মেইল করুন- nobobarta@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

০৭.
বাড়িতে এসে সিয়ামের মতিগতি অগোছালো হয়ে উঠে। এক উঠতি যুবকের সিনা চওড়া হতে হতে ছেয়ে বসে স্বপ্ন দুঃস্বপ্নের খামখেয়ালিপনা। স্কুল গেইটের সামনের দোকানে প্রতিদিন সকাল থেকে যেন নিয়ম করে কলবলে আড্ডার মুখর সময় শুরু। দিনদিন বন্ধুর সার্কেল বেড়েই চলছে। এটা যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে,চিংড়ি মাছের ঝাঁক বুঝি। স্কুলের সামনের দোকান না শুধু সিয়াম সেই সকাল থেকে বের হয়ে একটা চক্কর দিয়ে দেয় মফস্বল শহরের এমনকি অলি- গলি পর্যন্ত। প্রতিটা দোকানদার না শুধুও দোকানের কর্মচারীর সাথেও হাঁটতে হাঁটতে দুষ্টুমি,নয়তো কেমন আছেন,ভালো আছি এমন কুশল বিনিময়। সত্যিকার জীবনের এক মোচড় যেন।

স্থানীয় কলেজটিতে না পড়লেও প্রায়ই বন্ধুদের কবলে পড়ে হতে পারে ঝাঁকের মধ্যে একসময় সিয়াম নিজেকে আবিস্কার করে যে,যে কলেজে ঘেন্নায় ভর্তি না হয়ে অন্য উপজেলার সরকারী কলেজের ভর্তি হলো। অনেক কারণের মধ্যে একটা,সে কলেজে পার্টির ছেলেরা সুন্দরী ছাত্রীদের শরীরটাও ভাগিয়ে নিতো। একদিন সে কলেজের অধ্যাপকের ছেলে রাফী বেঞ্চের তলা থেকে যেন ডুব থেকে উঠে মেয়েদের একটা চুলের ক্লিপ দেখায় – দেখলে সিয়াম,ক্লিপ। এই তো টিস্যুভরা তাজা সতিচ্ছেদ ছেঁড়া রক্ত,এই তো লু বেঞ্চে দেখ কতো রক্ত,উফ্…
সিয়ামের অজানা শিহরণ জাগে তদোপুরি ঘেন্না প্রকট,যেন এ জাগাটা কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। সেদিনের সে বিকেলে কলেজ মাঠে ক্রিকেট খেলাটায় প্রায় আনমনা। তবে সে কলেজটার প্রতি ঘেন্না তা নয়,কলেজের পাশে লাগানো গ্রামের ছেলেগুলো যেন মায়ের পেট থেকে পড়লেই নেতা। তাদের সাথে শিক্ষকরাও ইজ্জত রক্ষা করে চলে। সে গ্রামের প্রায় লোকের একটাই কাজ- খালি পকেটে বের হবে সকালে অথচ ভরা পকেটে ফিরবে রাতে। মানে এর জায়গার এ সমস্যা আর ওর জায়গা দখল করে নেওয়া নয়তো কারো সাজানো ঘর ভেঙে দেওয়া। ছেলেগুলোর কথা ফুটতেই গালি শিক্ষা এটা পারিবারিকভাবে বাধ্যতামূলক যেন। এতো হুড়োহুড়ি সিয়ামের পছন্দ হয়নি বলে অন্য উপজেলার কলেজে বা তারচেয়ে বড় কথা ভর্তি হওয়া কলেজটি সরকারী। তবে ইদানীং কলেজে যাওয়া হচ্ছে না হয়তো যাতায়াতের ক্লান্তি,নয়তো স্থানীয় কলেজটিতে বন্ধুর জাহাজে সারেঙ হয়ে উঠা যাওয়া যেন। ক্লাস চলাকালীন প্রত্যেক তলায় দলে দলে চলাফেরা হয়তো এ কলেজে সম্ভব আবার অনেকে বহিরাগত। তবে সিয়ামের চোখে ঝিলিক মারতো এসব নতুন নতুন মেয়েদের ভীড় বা তাদের মধ্য থেকে সুন্দরীদের দেখা। কলেজে অনেকের মতো একদিন দুপুরে নিচের তলায় নারকেল গাছের গোড়ায় বসে আড্ডাতে ঠিক উজবুক এক বাঁধছাড়া যুবক হাত বাড়িয়ে বলে- আমি রোকন
সিয়াম সৌজন্য হেসে বলে- আমি সিয়াম
ছেলেটি আগ বাড়িয়ে বলতে থাকে- আমার বাড়ি এখানে নয়,আপনার বাড়ি…?
– এখানে
– ও
ছেলেটি সিয়ামকে আগাগোড়া দেখে বলে- নাম্বারটি দিবেন…?
– হুম,শিওর
সেই থেকে রোকন কলেজে আসতে সিয়ামকে কল দিবে আর সারা উপজেলায় চষে বেড়াবে। স্কুল গেইটের সামনের দোকানটিতে দিনের প্রায় সময় কাটিয়ে দেওয়া এটা নিয়মিত রেওয়াজ। তাছাড়া দোকানদার মারুফ ও তার খালাতো ভাই ইমরান সিয়াম ও রোকনের সমবয়সী, বন্ধু। এমন ভাব জমেছে,একদিন না দেখলে যেন থাকতেই পারে না। এভাবে চলছে,স্কুলটির দ্বিতীয় তলার মেয়েদের সেকশনগুলোর সামনে হলুদ ড্রেসগুলো যেন সরিষা ফুলের মাঠ। সিয়ামদের ইচ্ছে হয়,সে মাঠে ভ্রমর হতে। একদিন রুটিনমাফিক তাকানো বা দুষ্টুমির ছলনাতে এতোদূরে একটি মেয়ের সাথে চোখের দেখাদেখি শেষ নয় শুধুও একটু মৃদু হাসাহাসিও হয়। এভাবে এক সপ্তাহ।

ঠিক দেখা মেয়েটি একদিন সকালে ক্লাস শুরুর আগে দোকানে আসলো,মারুফের দোকানের পাশেরটাতে। এ বয়সে মেয়েদের বড় খাবার কেবল আচারই হয়তো নেওয়ার জন্য। দোকানের সব বন্ধু একসাথে তাল মিলিয়ে বলল- দেখ,তোর পছন্দ করা মেয়েটি…
সিয়াম দোকানে হা – মুখে দাঁড়িয়ে পড়ল। সামনের চুলগুলো ঠিক মাথার একপাশ থেকে মাঝখানে ভাগ করে বাম কানের দিকে নামিয়ে দেওয়া বা দুধ সাদায় হলদে একটু গায়ের রঙে একেবারে ক্যাটরিনার মতো। সিয়াম হা – না করে তাকায় কেমনে…?
বন্ধুরা ধাক্কা দিয়ে হুঁশ ফেরায়,বলেলো- কিছু একটা কর,চান্স পাবি না আর…
সিয়াম বন্ধুদের উদ্দেশ্যে বললো- আমি নাম্বারটি লিখে দিলে কে দিয়ে আসতে পারবি বল…?
সবার মুখ খানিক শুকালো,তবুও বন্ধু ইমরান অতিরিক্ত সাহস দেখাতে বলল- আমি পারবো,দে আমি দিয়ে আসি…
সবার মাঝে স্বস্থি আসল। ছোট কাগজে লিখে দিল। ইমরান ঐ দোকানটিতে গিয়ে মেয়েটিসহ দুচারজন বান্ধবী বা দোকানদারকে না শরমিয়ে প্রথমে কিছু না বলে হাতে ঢুকিয়ে দিতে চাইল। কিন্তু মেয়েটি অপারগতা দেখিয়ে বললো- কি…?
ইমরান অতি সাহসে বললো- ভাইয়া দিলো,নেন
সিয়াম দোকানটির সামনে গিয়ে মেয়েটিকে দেখিয়ে নিচে ফেলল। মেয়েটি আর না পেরে অথচ বিরক্তি না দেখিয়ে চিরকুটটি নিল। আর চিরকুটে লেখা ছিলো- কল করো, আমি কে…? সিয়ামরা সফল হয়ে সবাই একসাথে খানিক লাফিয়ে উঠল। যেন এইমাত্র একটি ক্রিকেটের উইকেট পেল দলীয়।

[বিঃদ্রঃ মাহমুদ নোমান এর উপন্যাস “তামাশা” প্রকাশিত হবে প্রতি বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যে ছয়টা। নববার্তা.কম এর পাঠকদের অনুরোধ করছি উপন্যাসটি পড়ুন এবং মন্তব্য করুন]


Leave a Reply

নববার্তা ফেসবুক পেজে আলোচিত সংবাদ

১৪ দলের নতুন মুখপাত্র প্রত্যাশা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর১৪ দলের নতুন মুখপাত্র প্রত্যাশা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর3K Total Shares
রেড জোনের আওতায় মানিকগঞ্জ জেলারেড জোনের আওতায় মানিকগঞ্জ জেলা2K Total Shares
ঘিওর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আক্তারসহ  করোনায় আক্রান্ত ১০ঘিওর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আক্তারসহ করোনায় আক্রান্ত ১০2K Total Shares
ঘিওর উপজেলাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন অধ্যক্ষ হাবিবঘিওর উপজেলাবাসীকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন অধ্যক্ষ হাবিব2K Total Shares
ঘিওরের ইউএনও আইরিন আক্তারের করোনা জয়ের গল্পঘিওরের ইউএনও আইরিন আক্তারের করোনা জয়ের গল্প1K Total Shares
মানিকগঞ্জে বিএনপির অসহায় নেতাকর্মীদের মাঝে তারেক রহমানের ঈদ উপহার তুলে দিলেন – এস এ জিন্নাহ কবিরমানিকগঞ্জে বিএনপির অসহায় নেতাকর্মীদের মাঝে তারেক রহমানের ঈদ উপহার তুলে দিলেন – এস এ জিন্নাহ কবির1K Total Shares
ব্রীজ ভেঙে ভোগান্তিতে হিজুলিয়া গ্রামবাসীব্রীজ ভেঙে ভোগান্তিতে হিজুলিয়া গ্রামবাসী1K Total Shares
মানিকগঞ্জে পৌর বিএনপির নেতাদের হাতে ঈদ উপহার শাড়ি লুঙ্গি তুলে দিলেন এ্যাডঃ জামিল ও এস এ জিন্নাহমানিকগঞ্জে পৌর বিএনপির নেতাদের হাতে ঈদ উপহার শাড়ি লুঙ্গি তুলে দিলেন এ্যাডঃ জামিল ও এস এ জিন্নাহ1K Total Shares





Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta