জাল স্বাক্ষরে বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে | Nobobarta

আজ বৃহস্পতিবার, ০৪ Jun ২০২০, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
২০০০ শয্যার বসুন্ধারা করোনা হাসপাতালে সেবা প্রদান শুরু করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে ফের সাধারণ ছুটি আলোকদিয়ায় ৫শত অসহায় পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিলেন এমপি দুর্জয় দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন : একইসঙ্গে আম্পান-করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ নওগাঁয় করোনা পরিক্ষার যন্ত্র স্থাপনের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান কমলগঞ্জে খাসিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে ফলজ ও সবজি বীজ বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মুরাদনগরে ১১’শ ৪৮টি মসজিদে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের নগদ অর্থ বিতরণ আটপাড়া উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বাজার মনিটরিং অব্যাহত নড়াইলে ভূমিহীনদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে মানববন্ধন লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যার ‘মূল ঘাতক’ নিহত
জাল স্বাক্ষরে বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

জাল স্বাক্ষরে বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

Rudra Amin Books

জিএম মিজান, বগুড়া প্রতিনিধি: ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগনের ভোটে ইউপি সদস্য হিসেবে বিজয়ী হওয়ার কয়েক মাস পড়েই চেয়ারম্যান আমাকে বলছে তুই আর পরিষদে আসবিনা।

মৌখিক ভাবে বলছে আজ থেকে তুই সাসপেন্ড (সাময়িক বরখাস্ত)। সেই থেকে আজ অবধি ইউপি সদস্য হিসেবে পরিষদে যেতে পারিনি। এর আগে কয়েক দফা পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান আমাকে উদ্দেশ্য করে বলে তুই আমাদের পরিষদের কেউ না। শুধু তাই নয় ; গত চার বছরে কোন প্রকার সরকারি বরাদ্দ আমার মাধ্যমে বিতরণ করা হয়নি। আমাকে না জানিয়ে স্বাক্ষর জাল করে নিজের ইচ্ছা মতো আমার বরাদ্দ আত্মসাৎ করে আসছে চেয়ারম্যান।

মঙ্গলবার দুপুরে এভাবেই মনের মধ্য জমানো দীর্ঘদিনের ক্ষোভ তুলে ধরলেন বগুড়ার শিবগঞ্জের দেউলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ওবাইদুল ইসলাম। কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, রহবল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই প্রধান সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তিনি আমাকে তার পক্ষে কাজ করতে না বলায় আমি চেয়ারম্যানের বিপক্ষের প্যানেলকে সমর্থন করি।

এই নির্বাচনে চেয়ারম্যানের প্যানেল পরাজিত হওয়ায় চেয়ারম্যান আমার উপর ক্ষুব্ধ হন। ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার কয়েকদিন পর পরিষদে গেলে তিনি আমাকে সাসপেন্ড করেছেন বলে পরিষদ ত্যাগ করতে বলেন। এসময় তিনি বলেন, প্রতি বছর এলজিইডি থেকে ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ আসে। যা নিজ নিজ অঞ্চলের রাস্তা-ঘাট,ব্রিজ-কালভাট তৈরির জন্য প্রত্যক সদস্যদের মাঝে ভাগ করে দেয়া হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমাকে একটি টাকাও এলাকার উন্নয়নের জন্য দেয়া হয়নি। শুধু তাই নয়; ভিজিএফ থেকে শুরু করে সব ধরনের ভাতা কার্ড আমার মাধ্যমে একটিও বন্টন করেনি। এদিকে সোমবার (১১ মে) দুপুরে চেয়ারম্যানের এসব অভিযোগ সম্পর্কে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে ঐ রাতে চেয়ারম্যানের ছেলে সহ ৬/৭ জন আমার বাড়িতে এসে গালি গালাজ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেয়।

যোগাযোগ করা হলে দেউলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই প্রধান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানান,ওবাইদুলকে পরিষদে আসতে নিষেধ করিনি। বরং সচিবের মাধ্যমে ফোন দিয়েও তার দেখা পাওয়া যায়নি। এসময় জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে ঐ ইউপি সদস্যকে ছাড়াই তার যাবতীয় বরাদ্দ উত্তোলনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি নাকোচ করে দেন। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবির জানান, বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপের্ক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta