সিরাজদিখান থানার নাকের ডগায় জমজমাট বাজার | Nobobarta

আজ মঙ্গলবার, ০২ Jun ২০২০, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন

সিরাজদিখান থানার নাকের ডগায় জমজমাট বাজার
করোনা আতঙ্ক উপেক্ষা করে

সিরাজদিখান থানার নাকের ডগায় জমজমাট বাজার

Rudra Amin Books

 

সালাহউদ্দিন সালমান।
একেই বলে বাতির নিচে অন্ধকার বিশ্বব্যাপী যেখানে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে স্থবির হয়ে আছে বিশ্বের প্রত্যেক দেশের সামগ্রিক ব্যবসা বাণিজ্য এমন কি বাংলাদেশে ও করোনা আতঙ্ক ছড়িয়েছ তার ব্যক্তিগত রূপে।যার সংক্রমণ ঠেকাতে ইতোমধ্যে দেশের সরকার হাতে নিয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ আর সবগুলো পদক্ষের মধ্যে বেশী গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো জনসমাগম এড়িয়ে চলা দেশবরেণ্য ব্যক্তিদের প্রথম জনসচেতনতা হিসেবে যে বক্তব্য সেটা হলো করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম অস্ত্র হলো একে অন্যের থেকে দুরুত্ব ভজায় রাখা।কিন্ত গতকাল বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এর পুরোপুরি উল্টো রূপ দেখা গিয়েছে সিরাজদিখান থানা সংলগ্ন এই হাস মুরগী কবুতরের বাজারে,উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান থানা পুলিশের নাকের ডগায় এবং চোখের সামনে কিভাবে এই বাজার বসলো এই প্রশ্ন ছিলো উপজেলায় আগত সব মানুষের মুখে মুখে। এক পথচারী সোহেল সরকার বলেন যেখানে মসজিদে নামজের মধ্যেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় সেখানে সিরাজদিখান থানার সামনে কি ভাবে এতো লোকসমাগম হয়ে বাজার বসে।

জানাযায় সিরাজদিখান উপজেলার বহু পুরাতন এই পশু পাখির হাট থানার পাশেই বসে আসছে অনেক বছর ধরে যার ধারাবাহিকতায় আজও পসরা সাজিয়ে বসেছিলো পূর্বের ন্যায়।এসেছিলো কবুতর হাঁস মুরগীর ক্রেতা বিক্রেতা।এই নিয়ে জনমনে প্রশ্নও ছিলো যে সমস্ত ক্রেতা বিক্রেতারা এই বাজারে আসলো তারা কি করোনা সংক্রমণ নামের কিছুই শুনেনি,তারা কি লকডাউন বা কোয়ারেন্টিন বা গৃহবন্দী হওয়ার সংবাদ পায়নি তাছাড়া পাশেই সিরাজদিখান থানা এই বাজার ঘেঁষেই আসাযাওয়া করে সিরাজদিখান প্রশাসনের হর্তাকর্তারা তাদেরও কি দৃষ্টিগোচর হয়নি।তাহলে এই বাজার কমিটি কি যেনে শুনেই এই পসরা সাজিয়েছে এতো দুর্যোগপূর্ণ আতঙ্কের মধ্যে।গতকালের এই বাজার নিয়ে বিভিন্ন এলাকার ছেলেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি পোষ্ট করে অনেক ধরেনের কথাও লেখেছে।

এ বিষয়ে রশুনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সিরাজদিখান বাজার উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চোকদার বলেন,বাজারে আজ ছিলো ঈদের আমেজ আর কবুতরের হাটে ছিলো শত শত লোকসমাগম,আমি যখন শুনলাম তখন হাট প্রায় শেষের দিকে এই বিষয়ে আমি আমাদের উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথেও দুঃখ প্রকাশ করলাম এটা কি করে সম্ভব এই মহামারী করোনা আতঙ্কের মধ্যে পাশে থানা থাকা সত্ত্বেও কি করে এমন হাট বসে।কি করলো বণিক সমিতি এটা মটেও ঠিক করেনি।

বাজার বিষয়ে কথা বললে সিরাজদিখান থানা পুলিশের কর্মকর্তা ডিউটি অফিরাস পলিশ পরিদর্শক তন্ময় মন্ডল দৈনিক সভ্যতার আলোকে জানান,বাজার বসছিলো তবে আমরা তাদের উঠিয়ে দিয়েছি এবং সতর্ক করে দিয়েছি যাতে আগামীতে আর বাজার না বসে।


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.






Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta