আটোয়ারীতে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ভিজিডি চাল বিতরণে অর্থ গ্রহনের অভিযোগ | Nobobarta nobobarta.com | Latest online bangla world news bd | latest, news, Sports, bd, bangladesh, politics, video, live

রবিবার, ৩ মাঘ, ১৪২৭, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, সকাল ৯:৩৫ মি:

বিজ্ঞাপন
সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইলে জেলা যুবলীগ আয়োজিত আ’লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীর মতবিনিময় সভা শ্রীপুর পৌর নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে জেলা ছাত্রলীগের গণসংযোগ বেতন গ্রেড অনিয়মের অভিযোগের পরেও বহাল অফিস প্রধান সহকারি সর্দার জালাল নতুন দিনের কবিতা-কথায় ৮০ তম সাউন্ডবাংলা-পল্টনড্ডা টাঙ্গাইলে আ:লীগ নেতা মরহুম আলমগীর হোসেনের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ভালুকায় ক্রিকেট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে আলফা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স অফিস উদ্বোধন আগামীকাল সারাদেশে দ্বিতীয় ধাপে ৬০ পৌরসভার ভোট বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার থেকে অধ্যক্ষ নিয়োগের দাবী টাঙ্গাইলে ফ্রেন্ডস-৯৫ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
আটোয়ারীতে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ভিজিডি চাল বিতরণে অর্থ গ্রহনের অভিযোগ
আটোয়ারীতে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ভিজিডি চাল বিতরণে অর্থ গ্রহনের অভিযোগ

আটোয়ারীতে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ভিজিডি চাল বিতরণে অর্থ গ্রহনের অভিযোগ

রাব্বু হক প্রধান,
আটোয়ারী(পঞ্চগড়) প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ১নং মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিমাসে ভিজিডি চাল বিতরণের সময় কার্ডপ্রতি ১০/- টাকা হারে গ্রহন করার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (১৭ মে) সরেজমিনে গিয়ে মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডি চাল বিতরণে প্রতিকার্ডে ১০/- টাকা হারে গ্রহনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ইউপি সচিব চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে চাল বিতরণের সময় প্রতি ভিজিডি কার্ডধারীর নিকট হতে নগদ ১০/- টাকা হারে গ্রহন করছেন।
ইউপি সচিব বলেন, মির্জাপুর ইউনিয়নে ৩৭৪ জন ভিজিডি কার্ডধারী রয়েছে। চেয়ারম্যানের নির্দেশে প্রতি ভিজিডি সুবিধাভোগীর নিকট হতে ১০/- টাকা হারে নেয়া হচ্ছে।
মির্জাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ওমর আলী বলেন, এলএসডি( খাদ্য গুদাম) হতে চাল নেয়ার সময় প্রতি টণ চালে ৮০০/- করে টাকা দিতে হয়, এ টাকা আমি কোথায পাব। তাই প্রতি ভিজিডি কার্ডধারীর নিকট হতে ১০ /- হারে নেয়া হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, আসলে কাজটা আমি ঠিক করিনি। মির্জাপুর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা বলেন, গুদাম হতে চাল বের করতে কুলিদের একটা খরচ আছে। কুলি খরচটা সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান সাহেবরাই দেন। তবে এটা ভাউচার করে পরে টাকাটা তুলতে পারবেন। তাই বলে ভিজিডি কার্ডধারীদের কাছ থেকে টাকা নিতে পারেন না। ভিজিডি সুবিধাভোগী লক্ষীপুর গ্রামের আজিব উদ্দীনের স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, প্রতিমাসে চাল নিতে এসে বস্তার দাম বাবদ ১০/-টাকা করে দিতে হয়। প্রতিকার্ডে প্রতি মাসে ৩০ কেজি ওজনের একবস্তা করে চাল পাই। এপর্যন্ত ১৪ মাস চাল তুলেছি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন সুলতানা বলেন, এব্যাপারে আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। ভিজিডি কার্ডধারীর কাছ থেকে বস্তা বাবদ অর্থ চেয়ারম্যান গ্রহন করতে পারেন না। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।

আপনার মতামত লিখুন :


সংরক্ষণাগার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Design & Developed BY Nobobarta.com