মাকড়শা-উইপোকার দখলে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি | Nobobarta

মাকড়শা-উইপোকার দখলে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি

পড়ার সময়:3 মিনিট, 10 সেকেন্ড

চামড়া খাতের মতোই রুগ্ন দশা এ খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান ‘ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’র। প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকলেও তা এখন মাকড়শা আর উইপোকার দখলে। দক্ষ অপারেটরের অভাবেই কোটি টাকার যন্ত্রপাতি বিকল হওয়ার পথে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। সীমাবদ্ধতার কারণে দক্ষ লোক নিয়োগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান প্রতিষ্ঠান প্রধান।

দেশের একমাত্র লেদার টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের প্রধান ল্যাবের জীর্ণ-শীর্ণ অবস্থা দেখে মনে হতেই পারে যেন কোনো ভূতুড়ে বাড়ি। তবে সেখানকার টেকনিশিয়ানরাই বলছেন, ভেতরে এমন কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আছে যা প্রতিষ্ঠার ৭২ বছরেও চালু করা সম্ভব হয়নি। ইনস্টিটিউটের তিনটি বিভাগের ল্যাবের চিত্র একই রকম। কোনোটা মাকড়সা আবার কোনটার দখল নিয়েছে উইপোকা। কিছু যন্ত্রপাতির এমন অবস্থা যে তা পুনরায় সচল করা নিয়েও রয়েছে সংশয়।

ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজির সিনিয়র টেকনিশিয়ান মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ৩ টা যন্ত্রপাতি স্ট্রিমের সাথে সংযুক্ত। যেহেতু স্ট্রিমের সরবারহ নেই তাই ৩ টা যন্ত্রপাতি চলে না। প্রতিষ্ঠানের প্রবীণ টেকনিশিয়ানরা বলছেন, ব্যবহারিকের তুলনায় তাত্ত্বিক বিষয়ে বেশি জোর দেয়ায় এ অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজির মেকানিক্যাল লেদার ম্যান মো. সাইদুর রহমান বলেন, ‘থিওরির ওপর ৮০ শতাংশ মার্কস আর প্র্যাকটিক্যালের ওপর ২০ পার্সেন্ট মার্কস। আমাদের এখানে মেশিন অপারেটর কয়েকজন আছে কিন্তু তারা মেশিন সম্পর্ক কিছুই জানে না।’

নানা জটিলতায় দক্ষ টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. শামসুদ্দিন। তিনি বলেন, দক্ষ জনবল পাচ্ছি না। আবার যারা হাতে কলমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তাদের সার্টিফিকেট নেই। এসব জটিলতায় রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠানটিতে চামড়া খাতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন ৮শ’ জন শিক্ষার্থী।

Rudra Amin Books

 

–সূত্র : সময়টিভি

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

0 Shares
Share
Tweet
Share
Pin