পাঠক কলাম

প্রবাসীদের কর্মক্ষেত্রে ফেরা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি

করোনাকালিন সময়ে দেশে আসা প্রবাসীদের কর্মক্ষেত্রে ফেরা নিয়ে ভোগান্তি লাঘবের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে…

রক্ষা করি পরিবেশ, গড়ি সোনার বাংলাদেশ

মোঃ এনায়েত হোসেন লীন: ‘৭০০ কোটি মানুষের অপার স্বপ্ন, একটি বিশ্ব, করি না নিঃস্ব’স্লোগান সামনে রেখে…

আমার দেখা একজন মানবতার সেবক ড. নিছার উদ্দিন

আজহার মাহমুদ : ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু। চট্টগ্রামের মানুষ হয়তো কমবেশি সকলেই চিনবেন। যারা চিনবেন…

ধর্মীয় বিদ্বেষ ও মানবিধকার লঙ্ঘনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় আর্টিকেল নাইনটিনের তীব্র নিন্দা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আহমদিয়া সম্প্রদায়ের এক নবজাতক শিশুর লাশ কবর থেকে তুলে রাস্তায় ফেলে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র…

অপ্রকাশিত আর্তনাদ : গোলাম ফারুক মজনু

লেখালেখিটা একসময় শখের বিষয় করতাম। পরে কেমন করে যেন শখটা আমার নেশা হয়ে গেছে। নেশাটা কোন…

প্রত্যাশিত সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়

২০২০ সাল। দুইটি সংখ্যা পালাক্রমে দুইবার বসে সালটি গঠিত হয়েছে।অতীব সুন্দর সংখ্যার একটি বছর। এই প্রত্যাশিত…

গানকে ভালোবাসুন, নোবেলকে নয় : আজহার মাহমুদ

বর্তমান সময়ে একটি নাম বারবার সংবাদপত্রে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসছে সেটি হচ্ছে নোবেল। তবে এই…

 

“এবারের ঈদের আনন্দ পরবর্তী বছরের জন্য রইল ”

ঈদের আনন্দ সত্যি একটা অন্য রকম অনুভূতি। যা লেখে প্রকাশ করার মত না। যদিও সবাই বলে বড়দের চেয়ে ছোটদের আনন্দ সবচেয়ে বেশি। হ্যাঁ আনন্দটা সত্যিই বেশি থাকে।
কিন্তু দুঃখ হচ্ছে এবারের ঈদের সমস্ত কার্যক্রম স্বাভাবিক সময়ের মত হবে না। এর সবটাই আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য। দেশের এবং দেশের মানুষের অবস্থা ভালো বলবার মত নয়। কারণ কোভিড১৯ এ আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে বাংলাদেশে। সৃষ্টিকর্তা অবস্থা স্বাভাবিক করে দিক এই প্রার্থনা করি। আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন থাকি, ইনশাল্লাহ আমরা কঠিন অবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারব।
এই ঈদে সময়ে আমার পরিবার এবং আমার বড় ভাইয়ের সাহায্যে বেশ কিছু অসহায় দরিদ্র মানুষের হাতে কিছু খাদ্য সামগ্রী তুলে দিতে পেরেছি। তার জন্য খুবই মন থেকে আনন্দিত। সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে নিজ নিজ সাধ্যমত আপনার পাশের দরিদ্র মানুষটির সাথে ঈদের আনন্দ ভাগ করুন।
আর কখনই ঈদ উপলক্ষ্যে কেনাকাটা করি না। কারণ সবসময় একটা বিষয় আমার দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবতাম যে কোনো দরিদ্র মানুষ হয়ত বা নতুন কাপড় নতুন জুতো ছাড়া ঈদ করছে। তারা করতে পারলে আমি পারব না কেন!.
মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে, নামাজ পরে সোজা বাসায় চলে আসব। মা-বাবা, বোন এর সাথে বাসায় সারাদিন সময় কাটাব। ভাইয়া বাসায় থাকলে যদিও বা আনন্দটা একটু বেশি হতো, মোটরসাইকেল দিয়ে ঘুরাঘুরির জন্য। বন্ধুবান্ধব, শিক্ষক, আত্মীয়স্বজন সবার সাথে ফোনে কথা বলব, শুভেচ্ছা বিনিময় করব।
ঈদের দিন গ্রামের বাড়িতে যেতাম, কিন্তু এবারের ঈদে যাওয়া যাবে, তার জন্য একটু মন খারাপ লাগছে।
কষ্ট হলেও এবারের ঈদের আনন্দটা পরবর্তী বছরের তুলে রাখলাম, তখন না হয় সব অানন্দ একসাথে উপভোগ করব।

লেখক:

মোঃ বায়েজিদ বোস্তামী মোরাদ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ।

হার্ড ইমিউনিটির আত্মঘাতী পথে আমরা?

ডা. জয়প্রকাশ সরকার : বাংলাদেশের করোনা সংক্রমণের বর্তমান ক্রান্তিলগ্নে ব্যক্তিপর্যায়ের সবাই যেমন কমবেশি বিভ্রান্ত তেমনি রাষ্ট্রের…

কোভিড-১৯, লকডাউন এবং আমরা বাংলাদেশিরা!

দোয়েল সালেহ : কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাসতংকে যেখানে পুরো বিশ্ব স্তম্ভিত, সেখানে আমাদের দেশের জনগণ সেটাকে…