বইমেলায় আসছে কনকচাঁপা'র 'কাটা ঘুড়ি' | Nobobarta

বইমেলায় আসছে কনকচাঁপা’র ‘কাটা ঘুড়ি’

একজন শ্রোতাপ্রিয় কন্ঠশিল্পী হিসেবেই পরিচিত কনকচাঁপা। এর বাইরেও তিনি মাঝে মাঝে লেখালেখি করেন, আবার ছবিও আঁকেন। ২০১৬ সালে তার প্রথম একক চিত্রপ্রদর্শণী ‘দ্বিধার দোলাচল’ সবার মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছিলো। একজন লেখক হিসেবে সবার মাঝে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ২০১০ সালে অনন্যা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘স্থবির যাযাবর’ বইটি প্রকাশের মধ্যদিয়ে। এরপর আরো দুটি বই তিনি পাঠককে উপহার দেন। সে দুটো বই হচ্ছে ‘মুখোমুখি যোদ্ধা’ ও ‘মেঘের ডানায় চড়ে’। তিন বছর পর আবারো কনকচাঁপা তার লেখা নতুন একটি স্মৃতিচারণ মূলক বই নিয়ে পাঠকের মাঝে হাজির হচ্ছেন। এবারের বইটির নাম ‘কাটা ঘুড়ি’।

একটি অনলাইন পোর্টলে গত দুই বছর যাবত নিয়মিত স্মৃতিচারণ মূলক লেখা লিখে আসছেন। তিনি সেই লেখাগুলো একত্রিত করে বই আকারে প্রকাশ করতে যাচ্ছেন আগামী একুশে বই মেলায়। এরইমধ্যে বই প্রকাশের সব কাজ প্রায় শেষ বলে জানালেন কনকচাঁপা। এই বইটি প্রকাশ করছে যথারীতি অনন্যা প্রকাশনী।

কনকচাঁপা বলেন, ‘প্রতিটি মানুষই একটি দর্শন নিয়ে তার জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যায় সামনের পথে। আমার জীবনের দর্শন আমার বাবা-মা। আমার জীবনের দর্শনের স্থপতি তারাই। তাদের সঙ্গে জীবনের নানান মুহুর্তের স্মৃতিচারণ মূলক গল্পই উঠে আসবে কাটা ঘুড়ি বইটিতে। আমি অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে চাই আবিদা নাসরিন কলিকে। কারণ তার উৎসাহে নিয়মিত এই ধরনের লেখা না লিখে থাকলে এই বই প্রকাশের কথা চিন্তাও করতে পারতামনা আমি। তাছাড়া আরেকটি কথা না বললেই নয়, যে অনলাইন পোর্টালে আমি নিয়মিত লিখতাম, সেখানে দেশের অনেক বরেণ্য লেখকও নিয়মিত লিখতেন। নিজের লেখা পড়তে গিয়েও তাদের লেখা নিয়মিত পড়া আমার অভ্যাস হয়ে গিয়েছিলো। আমার ভীষণ ভালোলাগতো সেসব লেখকের লেখা পড়তে। পাঠক তাদের লেখা পড়তে গিয়েও আমার লেখা পড়বেন, সেই ভাবনা থেকেও নিয়মিত লিখতাম আমি।’

কেন বইয়ের নাম কাটা ঘুড়ি রেখেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কনকচাঁপা বলেন, ‘মানুষ সময়কে কখনোই ধরে রাখতে পারে না। সময় চলেই যায়। সময়ের সঙ্গে আমি ঘুড়ির সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছি। ঘুড়ির সুতা হচ্ছে স্মৃতি। সেই স্মৃতি দিয়ে আমি ফেলে আসা সময়কে খুঁজে বেড়াই। তাই এর নামকরণ করেছি কাটা ঘুড়ি।’ এদিকে নিয়মিত স্টেজ শো নিয়ে দারুণ ব্যস্ত রয়েছেন কনকচাঁপা। গেলো মাসে একটি নতুন চলচ্চিত্রেও প্লে-ব্যাক করেছেন তিনি। কনকচাঁপার সর্বশেষ একক এ্যালবাম ‘পদ্মপুকুর’ লেজার ভিশনের ব্যানার থেকে বাজারে আসে। এর সুর-সঙ্গীতায়োজন করেছেন মইনুল ইসলাম খান।

Rudra Amin Books
ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

0 Shares
Share
Tweet
Share
Pin