৪ যুবলীগ নেতার ১৩ প্রতিষ্ঠানের লকার জব্দ | Nobobarta

আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:০১মি:

৪ যুবলীগ নেতার ১৩ প্রতিষ্ঠানের লকার জব্দ

৪ যুবলীগ নেতার ১৩ প্রতিষ্ঠানের লকার জব্দ

সম্প্রতি ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে আলোচনায় আসা যুবলীগের শীর্ষ পর্যায়ের চার নেতার ১৩ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যাংকের ভল্ট বা লকারে থাকা সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল সিআইসি।যুবলীগের এই চার নেতা হলেন, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, জি কে শামীম, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। সিআইসির চিঠির বরাত দিয়ে দেশের প্রথম প্রজন্মের একটি ব্যাংকের শীর্ষ ব্যাংকার জানিয়েছেন, চার নেতার ১৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে তিনটি, জি কে শামীমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে দুইটি, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আছে একটি আর নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের নিজের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে সাতটি।

এর আগেই নজরদারির মধ্যে আনা হয়েছে এ ১৩ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা সব ধরনের হিসাবকে। এসব প্রতিষ্ঠানের যেকোনও মেয়াদি আমানত (এফডিআর ও এসটিডি), মেয়াদি সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ, ক্রেডিট কার্ড, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ, এসব ব্যক্তি ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা যেকোনও ধরনের সেভিং ইনস্ট্রুমেন্ট বা ইনভেস্টমেন্ট স্কিম বা ডিপোজিটকে জব্দ করার জন্য আগে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সিআইসির নতুন এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলো লকারে থাকা সম্পদ জব্দের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যেসব সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: সিআইসির চিঠিতে ১৩ প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ করার তালিকার মধ্যে রয়েছে ব্যাংকের লকারে থাকা যেকোনো সম্পদ, যেকোনো মেয়াদি আমানত (এফডিআর ও এসটিডি), মেয়াদি সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ, ক্রেডিট কার্ড ও সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ। এর বাইরে এসব ব্যক্তি ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে যেকোনো ধরনের সেভিং ইনস্ট্রুমেন্ট বা ইনভেস্টমেন্ট স্কিম বা ডিপোজিট থাকলে তাও জব্দ করতে বলা হয়েছে।

১৩ প্রতিষ্ঠান: ১৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তিনটি হল- মেসার্স শারমিন এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স হিজ মুভিজ ও প্রিন্সিপেল রিয়েল এস্টেট। এর মধ্যে মেসার্স শারমিন এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী আর মেসার্স হিজ মুভিজের স্বত্বাধিকারী ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট নিজে। তবে প্রিন্সিপাল রিয়েল এস্টেটের মালিক কে তার উল্লেখ নেই। জি কে শামীমের দুই প্রতিষ্ঠান হল মেসার্স জি কে বিল্ডার্স ও জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড। জি কে বিল্ডার্সের প্রোপাইটর জি কে শামীম নিজেই। আর জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের কোনো মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে টিআইএন দেওয়া আছে-৩৭৮০৭০১৬৩২৪৫।

Rudra Amin Books

অপর দিকে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার প্রতিষ্ঠানটির নাম হল মেসার্স অর্পণ প্রোপার্টিজ। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় রয়েছেন খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া নিজেই। আর নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মেসার্স নাওয়াল কনস্ট্রাকশন ও মেসার্স আয়েশা ট্রেডার্স। প্রতিষ্ঠান দুইটির মালিকের নাম উল্লেখ নেই। তবে উভয় প্রতিষ্ঠানের টিআইএন নম্বর-৩৬০২২৫৬৯২৪০৯। মেসার্স নাওয়াল কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড বিদ্যা নিকেতন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রোপাইটর নুরুন্নবী চৌধুরী নিজেই।

এছাড়া নাওয়াল কনস্ট্রাকশন নামের আরও একটি প্রতিষ্ঠানের কোন ঠিকানা উল্লেখ নেই, তবে টিআইএন নম্বর দেওয়া আছে ১৫৯৪৪১৬৩৮৯৬৫। মেসার্স ফারজানা বুটিকের প্রোপাইটর ফারজানা চৌধুরী এবং মেসার্স ইনটিশার ফিশারিজ ও মেসার্স ডিজিটাল টেকের প্রোপাইটরের জায়গায় নুরুন্নবীর চৌধুরীর নাম উল্লেখ রয়েছে। ব্যাংকারেরা জানিয়েছেন, এসব প্রতিষ্ঠান নুরুন্নবী চৌধুরী ও তার স্ত্রী ফারজানা চৌধুরীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

সংরক্ষণাগার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta