অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে মানহানি মামলার প্রতিবেদন ১৫ নভেম্বর | Nobobarta

অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে মানহানি মামলার প্রতিবেদন ১৫ নভেম্বর

পড়ার সময়:4 মিনিট, 24 সেকেন্ড

অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১০০ কোটি টাকা মানহানি মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৫ নভেম্বর দিন ঠিক করেছেন আদালত। রোববার (১৮ অক্টোবর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমান প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ঠিক করেন

এর আগে গত বছরের ২ অক্টোবর শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাহাবুবুর রহমান। গত ২৪ অক্টোবর প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ওই দিন মামলার বাদী অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টুডেন্ট জার্নালবিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাসান প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেন। পরে শুনানি শেষে আদালত পিবিআইকে মামলাটি পুনরায় তদন্তের আদেশ দেন।

এর আগে প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, গত ২৪ এপ্রিল প্রেসক্লাবে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটন বিষয়ক সাইট ‘বিন্দু-৩৬৫’ এর উদ্বোধনকালে মিডিয়া কর্মীসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেলিব্রেটি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের উপস্থিতিতে শমী কায়সারের দুটি ফোন খোয়া যায়। ফলে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

খোয়া যাওয়া স্মার্ট ফোন দুটি উদ্ধারের লক্ষ্যে ওই স্থানে আগত কিছু সংখ্যক লোককে চেক করার জন্য তার সহকর্মীদের বললেও তারা কাউকে চেক করেননি। কিন্তু শমী কায়সারের কথায় ওই স্থানে উপস্থিত কতিপয় ‘সংবাদকর্মী চোর’ সম্বোধন করেছে মর্মে ভুল বুঝেছেন। পরবর্তীতে শমী কায়সার ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু সেখানে শমী কায়সার সাংবাদিকদের চোর বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, বা উপস্থিত সাংবাদিকদের আটকে রাখেন বা তার দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন প্রাথমিক তদন্তে এর কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই।

Rudra Amin Books

মামলায় বাদীর অভিযোগ, গত ২৪ এপ্রিল বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটনবিষয়ক সাইট ‘বিন্দু-৩৬৫’ উদ্বোধনকালে সংবাদকর্মীসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য মানুষের উপস্থিতিতে শমী কায়সার তার দুটি স্মার্ট ফোন খোয়া গেছে মর্মে অভিযোগ করেন।

সেখানে শমী কায়সার সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। উপস্থিত সাংবাদিকদের আটকে রাখেন এবং তার দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে শমী কায়সার আধাঘণ্টা গেটে দাঁড়িয়ে থেকে সাংবাদিকদের দেহ তল্লাশি করান। এতে সাংবাদিকদের মর্যাদাহানি হওয়ার অভিযোগে মিঞা মো. নুজহাতুল হাসান ৩০ এপ্রিল মামলাটি দায়ের করেন।

ফেসবুক থেকে মতামত দিন

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

0 Shares
Share
Tweet
Share
Pin