সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একটি বড় সুখবর | Nobobarta

আজ শনিবার, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:২০মি:

সংবাদ শিরোনাম:
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একটি বড় সুখবর

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একটি বড় সুখবর

২০১৫ সালে নতুন পে স্কেল প্রদানের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা হালনাগাদ হয়নি। তাই এবার পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৫০ লাখ টাকা থেকে বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভা করে এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা পরামর্শ দেন।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতর মহাপরিচালক সভায় জানান, ২০০৪ সালে পেনশনার সঞ্চয়পত্র চালু হওয়ার সময় ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমা ছিল ২০ লাখ টাকা। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এ সীমা বাড়ানো হয়। তিনি সভাকে আরও অবহিত করেন যে ২০০৯ সালে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিধিমালা সংশোধন করে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সভায় আরও আলোচনা হয় যে ২০১৫ সালে নতুন পে স্কেল প্রদানের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা হালনাগাদ হয়নি। তাই এ ক্ষেত্রে একজন সরকারি কর্মচারী আনুতোষিক ও ভবিষ্যত তহবিল হতে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু এ বিষয়ে সভায় সিনিয়র সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, এ ক্ষেত্রে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত জটিলতা বৃদ্ধি পাবে এবং অনিয়মের সুযোগ তৈরি হবে। তবে পূর্বের এবং ২০১৫ সালের বেতন পর্যালোচনা করে সামগ্রিক বাস্তবতার নিরিখে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে।

এসব আলোচনার পর সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, আগের এবং ২০১৫ সালের বেতন স্কেল পর্যালোচনা করে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করে পেনশনার সঞ্চয়পত্র বিধিমালা সংশোধনের জন্য প্রস্তাব সঞ্চয় অধিদফতরের মহাপরিচালক অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে পাঠাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পেনশনার সঞ্চয়পত্রটি শুধু অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরেদের জন্য। দেশে যত সঞ্চয়পত্র চালু আছে, তার মধ্যে এর গ্রাহকদেরই সবচেয়ে বেশি মুনাফা বা সুদ দেয় সরকার। মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় কোনো উৎসে কর নেবে না সরকার। তবে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের মুনাফায় উৎসে কর ১০ শতাংশ।

Rudra Amin Books

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ২০০৪ সালে চালু এ সঞ্চয়পত্র চালু করে। প্রাপ্ত আনুতোষিক ও ভবিষ্যত তহবিলের অর্থ মিলিয়ে একক নামে ৫০ (পঞ্চাশ) লাখ টাকা পর্যন্ত এ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে যত সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়, তার ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ হচ্ছে পেনশনার সঞ্চয়পত্র।

আপনার মতামত লিখুন :

ট্যাগস্:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

সংরক্ষণাগার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
Nobobarta © 2020 । About Contact Privacy-PolicyAdsFamily
Developed By Nobobarta