সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই চেয়ারম্যানের নির্দেশে ৭০ টি গাছ কর্তন - Nobobarta

আজ রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
পুঠিয়ায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে পুরুষের দায়িত্ব ও ভূমিকা বিষয়ক আলোচনা সভা লিসা’র হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না : খন্দকার লুৎফর জাবি উপাচার্যকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কালো পতাকা প্রদর্শন আন্দোলনকারীদের মোহামেডানসহ ৪ ক্লাবে জুয়ার বর্ণাঢ্য আয়োজন জবিতে শুরু হচ্ছে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেইস কম্পিটিশন আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু’র মৃত্যুতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির শোক দুর্নীতি দমনে প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছে দেশবাসী : জিএম কাদের বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করবেন নার্গিস ফাখরি
সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই চেয়ারম্যানের নির্দেশে ৭০ টি গাছ কর্তন

সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই চেয়ারম্যানের নির্দেশে ৭০ টি গাছ কর্তন

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    1
    Share

নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: সরকারি শর্ত পূরণ না করেই পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের প্রায় ৭০টি গাছ নির্বিচারে কাটার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বিনা কারণে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান লিটন তার লোকজন দিয়ে গাছগুলো কেটে গোপনে বিক্রির চেষ্টা করছিলেন।পরে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে গাছগুলো ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরেই জমা করে রাখা হয়। সরকারি শর্ত পূরণ না করে বিনা কারণে পরিষদ চত্বরে সুশোভিত বড় বড়গাছগুলো কাটায় ওই এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বিষয়টি তদন্ত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহ আগে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান লিটন হঠাৎ তার লোকজন দিয়ে পরিষদ চত্বরের গাছগুলো বিনা কারণে কাটতে থাকে।ওই পরিষদের চত্বরের চারপাশে থাকা মেহগনি,কাঁঠাল,আকাশমনি ও জলপাইসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় গাছ কেটে ফেলা হয়। স্থানীয়রা কিছু বুঝে উঠার আগেই ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৭০টি গাছ কেটে ফেলে লিটন চেয়ারম্যানের লোকজন। গাছগুলো কেটে জমা করে রাখা হয় পরিষদ চত্বরেই। তার মধ্য থেকে কিছু গাছের লগ গোপনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পরিষদ চত্বরে কাটা কিছু গাছের গোড়ালি তুলে সরিয়ে ফেলা হলেও অধিকাংশ গাছের গোড়ালি এখনো রয়ে গেছে।

এ বিষয়ে শালবাহান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান লিটনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।তবে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply