শেখ রাসেল; জন্মদিনে হারানোর বেদনা… – Nobobarta

আজ বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কাউখালীতে ৪০ যাত্রীসহ খেয়া ট্রলার ডুবি, পিএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ পাকিস্তান থেকে এলো ৮২ টন পেঁয়াজ রহমতপুর ইউনিয়নে ওয়ার্ড আ’লীগের সম্মেলন, সভাপতি সুলতান, সম্পাদক স্বপন তারেক রহমানের জন্মদিনে জাবি ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ আগৈলঝাড়ায় পেঁয়াজ, চাউল ও লবণ নিয়ে গুজব, ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাসের অভিযান অব্যাহত কাউখালীতে নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ পিইসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার কবি সুফিয়া কামালের নামানুসারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীনের জাবির হল খুলে দেওয়াসহ ৭দফা দাবি শিক্ষার্থীদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে শুরু হল বুড়ি তিস্তা খনন নলছিটিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
শেখ রাসেল; জন্মদিনে হারানোর বেদনা…

শেখ রাসেল; জন্মদিনে হারানোর বেদনা…

শেখ রাসেল,
জাতির পিতার কনিষ্ঠ সন্তান, পরিবারের সবচেয়ে আদরের সদস্য। ভালোবাসতেন সাইকেল চালাতে। সাইকেল চালিয়ে কখনো কখনো অদূরেই প্রিয় হাসু আপার বাসার নিচে গিয়ে বেল বাজাতেন।হাসু আপাও ক্রিং ক্রিং শব্দ শুনলেই বুঝতেন আদরের ভাইটি বেল বাজাচ্ছে। বেলকনিতে আসতেন। আদুরে ধমক দিতেন। ওরে দুষ্টু, মিরপুর রোডে যাবি না।
অবুঝ শিশু শেখ রাসেল। সত্যিকার অর্থে অবুঝ ছিলেন না। পাকিস্তানি পুলিশ কিংবা সেনাবাহিনীর গাড়ি ৩২ নম্বর বাড়ির সামনে দিয়ে গেলেই শিশু রাসেল চিৎকার করে বলতেন, “ঐ পুলিশ কাল হরতাল, জয় বাংলা”। অবশ্যই “জয় বাংলা” প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। বঙ্গবন্ধু কেন শেখ রাসেলের চোখ দিয়ে সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখতেন? কি এমন সম্ভাবনা ছিল শেখ রাসেলের মাঝে? তাই, ব্যক্তিগতভাবে আমি মানতে পারি না যে, শেখ রাসেল অবুঝ ছিলেন। তিনি ১০ বছরের শিশু ছিলেন, কিন্তু মস্তিষ্কের দিক দিয়ে তিনি অনেক রাজনীতি সচেতন ছিলেন। তাই, এই ছোট্ট শিশুটিকেও খুনীরা বাঁচিয়ে রাখে নি, নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।

বঙ্গবন্ধুর রেসিডেন্ট পি. এ মুহিতুল ইসলামকে শিশু রাসেল ভীতসন্ত্রস্ত গলায় বলছিল, “ভাইয়া, আমাকে মারবে না তো?” উত্তরে বললেন, “না ভাইয়া, তোমাকে মারবে না”। মুহিতুল ইসলামও ভেবেছিলেন, নিশ্চয়ই খুনীরা ১০ বছরের এই শিশুটিকে হত্যা করবে না।
খুনী মেজর আজিজ পাশা অয়্যারলেসে কথা বলছিলেন। পাশেই ‘মায়ের কাছে যাবো’ বলে কান্নাকাটি করছিলেন শেখ রাসেল। বিরক্ত হচ্ছিলেন আজিজ পাশা। ল্যান্সারের এক হাবিলদারকে নির্দেশ দিলেন, শেখ রাসেলকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যাও। রাসেলকে দোতলায় নিয়ে যাওয়া হলো। কিছুক্ষন পরেই গুলির আওয়াজ। হাবিলদার নিচে এসে আজিজ পাশাকে জানালেন, “স্যার, সব শেষ”।
এভাবেই, শিশু রাসেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে ৩২ নম্বরের বাড়িতে নির্মম হত্যাকান্ডের সমাপ্তি ঘটানো হয়।

লেখক-
সৈয়দ আরিফ হোসেন
সহ-সভাপতি
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ


Leave a Reply