রাজাপুরের বিষখালী নদীতে ‘মা’ ইলিশ নিধনে বেপরোয়া জেলেরা – Nobobarta

আজ মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

রাজাপুরের বিষখালী নদীতে ‘মা’ ইলিশ নিধনে বেপরোয়া জেলেরা

রাজাপুরের বিষখালী নদীতে ‘মা’ ইলিশ নিধনে বেপরোয়া জেলেরা

রাজাপুর সংবাদদাতাঃ ঝালকাঠির রাজাপুরে নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে ‘মা’ ইলিশ নিধনে জেলেরা বেপরোয়া, উপজেলা প্রশাসন ‘মা ইলিশ নিধন রক্ষায় মরিয়া। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানগেছে, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ৯ অক্টোবর থেকে অবরোধ শুরু হয়েছে চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সোহাগ হাওলাদার দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেন অসাধু জেলেদের সাথে পেরে উঠছে না। জেলেরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মা ইলিশ নিধন করে যাচ্ছে। এদিকে বড়ইয়া ইউনিয়নের পালট এলাকার বিষখালী নদীর অপর প্রান্তে নলছিটি উপজেলার গজালিয়া,ইসলামাবাদ এলাকার নদী অরক্ষিত রয়েছে। ফলে ঐ এলাকার জেলেরা উৎসব করে দিন-রাত সমান তালে মা ইলিশ নিধন করছে। নদীর অপর প্রান্তের রাজাপুরের জেলেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছে উপজেলা প্রশাসন রাজাপুর আমাদেরকে মাছ ধরতে দিচ্ছেনা। অথচ নলছিটির প্রশাসন নদীর দিকে নজর দিচ্ছেনা তাদের জেলেরা দিন রাত সমান তালে মাছ ধরছে।
অভিযোগ রয়েছে নলছিটি উপজেলার গজালিয়া,ইসলামাবাদ এলাকার জেলেরা নিয়ামতি নৌ-পুলিশদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে প্রতিদিন মাছ শিকার করছে। নদীতে জোয়ার শুরুর আগমূহুর্ত ও ভাটার আগমূহুর্ত জাল ফেলার সময়। নৌ-পুলিশ ঠিক এই দুই সময় গজালিয়া,ইসলামাবাদ এলাকার জেলেদের সুযোগ করে দিয়ে বাকি সময় লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এদিকে মাছ ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতি বছরের থেকে এ বছর নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। এলাকায় বসে তাদের সিন্ডিকেটের বাহিরে কেউ মাছ ক্রয়-বিক্রয় করেনা বলেই চলে। মাছ পরিবহনে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করা হচ্ছে। মাছ বহনের ক্ষেত্রে স্থল পথের চেয়ে জল পথেই বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজাপুর উপজেলা সদর থেকে শুরু করে প্রতিটি রাস্তায় প্রশাসনের লোকদের পাহারা দিতে জেলে ও মাছ ক্রয়-বিক্রয় সিন্ডেকেটের নিজেস্ব গোয়েন্দা রয়েছে। তাদের মাধ্যমে প্রশাসনের লোকজনের অবস্থান সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে নিয়ে তারা নিরাপদে চলে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। ফলে তারা রয়ে যায় দরা ছোয়ার বাহিরে। বিষখালী নদীর তীরবর্তী এলাকা ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
এব্যাপারে নলছিটি উপজেলা মৎস্য কর্তকর্তা রমনী কুমার মিস্ত্রী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,মোল্লার হাট পুলিশ ফারীর সহায়তায় ঐ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযোগের ব্যাপারে নলছিটি উপজেলা মৎস্য কর্তকর্তা রমনী কুমার মিস্ত্রী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,মোল্লার হাট পুলিশ ফারীর সহায়তায় ঐ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহাগ হাওলাদার জানান,‘মা’ ইলিশ রক্ষায় আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। ‘মা’ ইলিশ রক্ষায় সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন।


Leave a Reply