বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা : এমডিসহ কারাগারে ৩ – Nobobarta

আজ মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:২৯ অপরাহ্ন

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা : এমডিসহ কারাগারে ৩

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা : এমডিসহ কারাগারে ৩

দুর্নীতি মামলায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) তিনজনকে কারাগারে ও ২০ জনকে জামিনে মুক্তি দিয়েছেন দিনাজপুর জেলা আদালত।

বুধবার দুপুরে দিনাজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আসামিরা আত্মসমর্পণ করলে বিচারিক আজিজ ভূঁইয়া দুদকের করা মামলার অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে এ আদেশ দেন। এর আগে, ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ৭ ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকায় ৫ কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (মাইন অপারেশন) বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত আবু তাহের মো. নুর-উজ-জামান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপক (স্টার ডিপার্টমেন্ট) এবং বর্তমানে সাময়িক বরখাস্তকৃত এ.কে. এম খালেদুল ইসলাম, অপর আরেকজন হলেন বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বর্তমানে সাময়িক বরখাস্তকৃত প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহাম্মদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. সামসুল আলমের পক্ষে দুদক দিনাজপুর সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক আবু হেনা আশিকুর রহমান মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার চার্জশিট থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত (বিভিন্ন মেয়াদে) ঘাটতিকৃত ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭.৯৯ টন কয়লা আত্মসাৎ করেন। আত্মসাৎকৃত কয়লার বাজার মূল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির পক্ষে ম্যানেজার (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিছুর রহমান বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় দুদককে। দুদকের উপপরিচালক মো. সামসুল আলম এই তদন্ত শেষে চার্জশিট তৈরি করেন।


Leave a Reply