বাড়ছে মশার প্রকোপ, ডেঙ্গু আতঙ্কে জাককানইবি'র শিক্ষার্থীরা - Nobobarta

আজ বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

বাড়ছে মশার প্রকোপ, ডেঙ্গু আতঙ্কে জাককানইবি’র শিক্ষার্থীরা

বাড়ছে মশার প্রকোপ, ডেঙ্গু আতঙ্কে জাককানইবি’র শিক্ষার্থীরা

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    1
    Share

মনিরা নুসরাত ফারহা, জাককানইবি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিয়মিত মশার ঔষুধ না দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মশার প্রকোপ বাড়ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি শীঘ্রই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার।

সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বর মহামারিতে পরিণত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ এ পরিবারের সদস্যদের। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটি আবাসিক হল, শিক্ষক কোয়াটার মিলে প্রায় ১৫০০ জন সদস্য ক্যাম্পাসে থাকেন। ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক তাদেরই বেশি।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর পাশের ডোবা ও ড্রেনগুলেতে অনেক দিনের পানি জমে আছে। ড্রেনগুলো পরিষ্কার করা হলেও ছোট হওয়ায় পানি ঠিকভাবে প্রবাহিত না হওয়ায় ময়লা জমে থেমে আছে। এগুলো থেমে দুর্গন্ধ ছাড়াচ্ছে ও মশা জন্ম নিচ্ছে।বর্ষা মৌসুম হওয়ায় হলের বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে আছে। এছাড়া অনেক হলের বেসিন নষ্ট থাকায় পানি জমে আছে যা থেকে সহজেই মশা ডিম ফুঁটাতে পারে।

তাছাড়া ময়লা জমে থাকা এগুলো থেকেও মশা জন্ম নেয়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। অগ্নিবীণা হলের শিক্ষার্থী রহমত আলী তুহিন বলেন, সারাদেশ ডেঙ্গু মহামারি আকারে রুপ নিয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় আশেপাশে বিল ডোবা থাকায় ফলে মশা নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। প্রশাসনকে অনুরোধ করবো দ্রুত মশা নিধন অভিযানের ব্যবস্থা করার।

সন্ধ্যা নামলে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের বেশি আনাগোনা দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরির সামনে, মুক্তমঞ্চ, শহিদ মিনার এলাকা, খেলার মাঠে সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের আড্ডায় মুখরিত থাকে। বর্তমানে সন্ধ্যা হলেই এ জায়গা গুলোতে মশার উৎপাত বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বসে আড্ডা দিতে আতঙ্কবোধ করে।

ক্যাস্পাসে প্রতিদিন আড্ডা দেয়া সাব্বির আহমেদ বলেন, বিকেল, সন্ধায় বন্ধুদের সাথে প্রতিদিন ক্যাম্পাসে আড্ডা দেই। প্রায় সময় বসে গ্রুপ পড়াশুনা করি। হঠাৎ মশা বৃদ্ধি পেয়েছে ফলে মশা নিধন না করতে পারলে ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী এডিস মশার কারণে যেকোনো সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে ডেঙ্গু জ্বর ছড়িয়ে পড়বে।

এদিকে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের (ব্যথার দান) প্রস্তুতি নিয়েও শঙ্কায় আছেন শিক্ষার্থীরা। এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার বলেন, আমরা সকল শিক্ষার্থীকে বলবো ডেঙ্গু নিয়ে সচেতন থাকার জন্য। ডেঙ্গু নিধনের রেজিস্ট্রার বরাবর চিঠি দেওয়া হয় পৌরসভা মেয়রকে বিষয়টি অবহিত এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনে জন্য।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কি অবস্থা নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে উপ পরিচালক এবং পিএস টু ভাইস চ্যান্সেলর এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, ডেঙ্গুর প্রতিরোধে প্রশাসন থেকে এখনো কোনও দৃশ্যমান প্রদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার (ব্যথার দান) মেডিকেল অফিসারে সাথে কথা বলেন মশক নিধনের জন্য অভিযান শুরু করার আহবান জানান।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply