বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত ঢাকার সিটি কর্পোরেশন – Nobobarta

আজ বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত ঢাকার সিটি কর্পোরেশন

বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত ঢাকার সিটি কর্পোরেশন

কোরবানির বর্জ্য গত বছর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছিল ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। যদিও অলিগলি-ভিতরের রাস্তা, পাড়া-মহল্লার সব স্থানে কোরবানির বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করা হয়নি বলে সে সময় অভিযোগ করেছিলেন বিভিন্ন এলাকাবাসী।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ পদক্ষেপ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ বছর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত নতুন এলাকাসহ আনুমানিক ৩ লক্ষাধিক পশু কোরবানি দেয়া হবে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬৮ হাজার বেশি। কোরবানির পশু জবাই করার জন্য এ বছর মহাখালী পশু জবাইখানাসহ ২৭৩টি স্থানে কোরবানির সুব্যবস্থা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। এ ছাড়া কোরবানি করা যাবে এমন ৪০০টি স্থান চিহ্নিত করা আছে।

কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে মহাখালী আঞ্চলিক কার্যালয়ে অস্থায়ী কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর ৯৮৩০৯৩৬। তাছাড়া নতুন অন্তর্ভুক্ত অঞ্চলসহ ৫টি পুরাতন আঞ্চলিক কার্যালয় ও ৫৪টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের অফিস কন্ট্রোল রুম হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও এ সংক্রান্ত সহযোগিতার জন্য কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম ছাড়াও যে মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে :

অঞ্চল-১ (উত্তরা, কুড়িল, খিলক্ষেত, টানপাড়া, জোয়ার সাহারা, নিকুঞ্জ, আজমপুর, আব্দুল্লাহপুর এলাকাসমূহ) এবং অঞ্চল-৮ (উত্তরখান, মাজার রোড এর উত্তর ও দক্ষিণ অংশ) ০১৭১৭১০২০২৫।

অঞ্চল-২ (মিরপুর স্টেডিয়াম এলাকা, পল্লবী, মিরপুর-১, ১০, ১২ ও ১৪ এলাকাসমূহ) এবং অঞ্চল-৬ (হরিরামপুর এলাকা) ০১৭১১৩১৩২৮৯।

অঞ্চল-৩ (গুলশান, বনানী, বাড্ডা, নর্দা, নাখালপাড়া, মগবাজার, রামপুরা, বনশ্রী এলাকাসমূহ) এবং অঞ্চল-৯ (ভাটারা এলাকা) ০১৯২৩১১৩৬৩৬।

অঞ্চল-৪ (শেওড়াপাড়া, রোকেয়া সরণি, কল্যাণপুর, দারুস সালাম এলাকাসমূহ) এবং অঞ্চল-৭ (দক্ষিণখান এলাকা) ০১৭৩৩৮৯৫৫৩২।

অঞ্চল-৫ (কারওয়ানবাজার, ফার্মগেট, মনিপুরীপাড়া, তেজকুনী বাজার, লালমাটিয়া ও মোহাম্মদপুর এলাকাসমূহ) এবং অঞ্চল-১০ (বাড্ডা, সাতারকুল ও বেরাইদ এলাকা) ০১৭১১৫৭৭৪৭৪। কন্ট্রোল রুমের পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকির জন্য ১৯ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে। তাদের তদারকির জন্য ওয়ার্ডভিত্তিক দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ইতোমধ্যে ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার, স্যাভলন ১৮০০ লিটার, ব্লিচিং পাউডার ১৪০০ ড্রাম এবং ১ লাখ লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। কোরবানির স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০২টি, সামিয়ানা টাঙানো হবে ৩২৯টি স্থানে, ঈদের দিন খোলা ট্রাক থাকবে ১১৭টি, কনটেইনার বক্স থাকবে ৮২টি, ড্রাম ট্রাক থাকবে ৮০ টি।


Leave a Reply