বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জয়প্রকাশ সরকারের দুটি কবিতা - Nobobarta

আজ রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না : খন্দকার লুৎফর জাবি উপাচার্যকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কালো পতাকা প্রদর্শন আন্দোলনকারীদের মোহামেডানসহ ৪ ক্লাবে জুয়ার বর্ণাঢ্য আয়োজন জবিতে শুরু হচ্ছে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেইস কম্পিটিশন আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু’র মৃত্যুতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির শোক দুর্নীতি দমনে প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছে দেশবাসী : জিএম কাদের বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করবেন নার্গিস ফাখরি পাকিস্তানে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ২৬ আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে হাইকোর্টে মিন্নি
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জয়প্রকাশ সরকারের দুটি কবিতা

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জয়প্রকাশ সরকারের দুটি কবিতা

  • 45
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
    45
    Shares

রক্তের স্রোত

মাঝ রাতে নির্বোধে অবশ প্রাণ
হায়েনাদের কর্কশ আওয়াজে,
নেই নেই, সব বুঝি হলো শেষ!
বিনিদ্র উন্মাদী তমসার সাজে।

রক্তের স্রোত নামে বত্রিশ হয়ে
স্রোতস্বিনী উত্তাল পদ্মার জলে;
বাষ্পীভূত ছোপ ছোপ লাল
অস্তমিত প্রভাকর আঁচলে।

অন্তিম রক্ত নিংঢ়ানো আভা
শ্রাবণের ঘৃনার ঘনঘটায়;
ফোঁটা ফোঁটা রক্ত বৃষ্টিতে,
উড়ন্ত চুলগুলো স্থবিরতায়।

এ যে পিতৃঘাতী ঘোর পাপের
নিঃসাড় হতভম্ভ নরক!
বিন্দু ফোটা মাটির স্পর্শে
ফেটে যায় হৃদয় তাবৎ।

নির্ভয় ছিলে একালে-ওকালে,
যেখানে সবার ভয়েই মৃত্যু;
শতনদে তুমি ক্ষণজন্মা মানব
চিরকাল সতত সিদ্ধ।

ছ’ফুট উচ্চতার মহান সুপুরুষ
কথার বুলিতে সন্মোহন;
ঘাতক বুলেটের ব্যর্থ প্রয়াস!
কোষে কোষে বিরাজন।

সে আমাদের জন্মের গর্ব
বাঙ্গালীর ভিত স্থপতি,
আদরে হাসিতে বুকে নেয় গুলি
এক জীবনের ইতি।

সে যে বাংলার সবুজ ঘাসে
মিশে থাকা দেহ বৈভবে,
কাস্তে হাতে নিরবে কেটেছে,
মাথা নোয়ায়নি প্রভাবে।

মাটিতে গজায় উর্বর উদ্ভিদ
শাখা-প্রশাখায় ভাষণ,
শত সহস্র প্রতিবাদ ইতিহাস
এক হও,হটাও দুঃশাসন।

সোনালি বর্ন ধানক্ষেত যখন
চিটেধান হয়ে ঝরে,
তোমার অভাবে এটুকু বুঝি
বেড়াজাল না সরে।

জেল জুলুম আর আঘাতে
কতবার! ক্ষত বিক্ষত শরীর,
ঐ জনই যে বাংলার মাটি
প্রতি অনুতে পাই মিল।

এক পা দু পা, হাতে হাতে ধরে
দেশখানি হাসি মুখে,
রক্ত দর্শনে উল্লাসও দেখেছি
বেজন্মা সন্তান থেকে!

এ যে বিশ্বাসঘাতকের রাইফেলের
বারুদ নিংড়ানো সন্ত্রাস;
কোমড়ে শক্ত গামছা বাধি- প্রতিশোধের;
ঘাতক গোষ্ঠীর সহবাস।

শতধিক ওদের, শতবার বলি
ওরাই আসলে ফেক,
নানা বাহানায়, নানা তালে ঝুলায়
বগলে রঙিণ ভেক!

শেখ সাহেব

কথা শুনে শেখ সাহেব
তুললেন বড় হাই,
শুনছেন তিনি এসব কি!
ধুলো বালি ছাই?
সাত কোটি শীতকম্বল
বিতরণ হলো দেশে,
কেউ পেলো,কেউ পেলোনা
নিজেরটাও নিরুদ্দেশে।

সাহেব বসে পান চিবোয়
আলতো আলতো করে,
মাথায় চিন্তা দেশটা
চোরে গেছে ভরে।
চোরে চোরে গলাগলি
সে কি ফালাফালি!
শেখ সাহেব রেগেমেগে
কষে দিলেন গালি।

চোরের দল এক হলো
গোপন দলে দলে,
ষড়যন্ত্রের জাল বুনলো-
একই ছত্রতলে।
অধম রাজ্যে শেখ সাহেব
জীবন দিলেন বলি,
আমজনতার অসহায়ত্বের
আকুলি বিকুলি।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply