প্রকাশ্যে ও গোপনে সুলভে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ রেনিটিডিন – Nobobarta

আজ বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কাউখালীতে ৪০ যাত্রীসহ খেয়া ট্রলার ডুবি, পিএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ পাকিস্তান থেকে এলো ৮২ টন পেঁয়াজ রহমতপুর ইউনিয়নে ওয়ার্ড আ’লীগের সম্মেলন, সভাপতি সুলতান, সম্পাদক স্বপন তারেক রহমানের জন্মদিনে জাবি ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ আগৈলঝাড়ায় পেঁয়াজ, চাউল ও লবণ নিয়ে গুজব, ইউএনও বিপুল চন্দ্র দাসের অভিযান অব্যাহত কাউখালীতে নৌকা ডুবিতে নিখোঁজ পিইসি পরীক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার কবি সুফিয়া কামালের নামানুসারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীনের জাবির হল খুলে দেওয়াসহ ৭দফা দাবি শিক্ষার্থীদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে শুরু হল বুড়ি তিস্তা খনন নলছিটিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
প্রকাশ্যে ও গোপনে সুলভে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ রেনিটিডিন

প্রকাশ্যে ও গোপনে সুলভে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ রেনিটিডিন

দেশে অ্যাসিডিটির নিষিদ্ধ ওষুধ ‘রেনিটিডিন’ এখনো বিক্রি হচ্ছে। ফার্মেসিগুলো প্রকাশ্যে ও গোপনে– দুভাবেই বিক্রি করছে এসব ট্যাবলেট ও সিরাপ। দোকানিরা বলছেন, দু-তিনটি বড় কোম্পানি তাদের ওষুধ ফেরত নিয়েছে ও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিক্রি বন্ধ রাখতে বলেছে। তবে অনেক বড় কোম্পানি নতুন ওষুধ না দিলেও পুরনো ওষুধ ফেরত নিচ্ছে না। অন্তত ২০-২২টি ছোট কোম্পানি নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে দোকানিদের কিছুই বলেনি। আগের দেওয়া ওষুধ ফেরতও নেয়নি।

দোকানিরা দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, তারা জানেন না কোন রেনিটিডিন বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। দু-তিনটি কোম্পানি ছাড়া অন্য কোম্পানিগুলো এ ব্যাপারে কিছুই বলেনি। ফলে তাদের কাছে থাকা সব ধরনের রেনিটিডিন বিক্রি করছেন তারা। তাছাড়া যেহেতু এই ট্যাবলেট প্রচুর চলে, মজুদও অনেক। তাই আর্থিক লোকসান ঠেকাতেও বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যদিকে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ভারতের দুটি কোম্পানির কাঁচামাল ব্যবহার করে রেনিটিডিন উৎপাদন ও সরবরাহের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এমনকি যেসব রেনিটিডিন এই দুই কোম্পানির কাঁচামালে তৈরি, তার একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে অধিদপ্তর। কিন্তু বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারতের অন্য কোম্পানির কাঁচামালে তৈরির কথা বলে দুটি কোম্পানি প্রকাশ্যেই তাদের উৎপাদিত রেনিটিডিন বিক্রি করছে। এ দুই কোম্পানির মধ্যে অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালস দাবি করেছে, তাদের রেনিটিডিন নিষিদ্ধ নয়। কারণ তারা ভারতের ওই দুই কোম্পানির বাইরের একটি কোম্পানির কাঁচামাল দিয়ে তৈরি করছে। ওষুধ প্রশাসনও তাই বলছে।

তবে অন্য আরেক বড় কোম্পানির দাবি, তাদের উৎপাদিত ওষুধের খুব কম অংশই তৈরি হতো ভারতের ওই দুই কোম্পানির কাঁচামাল দিয়ে। বেশিরভাগই অন্য কোম্পানির কাঁচামালে। অথচ তাদের ওষুধ নিষিদ্ধের তালিকায় রয়েছে এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর তাদের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি। রেনিটিডিন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তারপরও বাজারে বিক্রি হচ্ছে– জানতে চাইলে এই কোম্পানির পরিচালক (বিপণন ও বিক্রয়) দেশ রূপান্তরকে বলেন, ভারতের যে দুটি কোম্পানির কাঁচামালের ব্যাপারে আপত্তি এসেছে, আমরা তার মধ্যে ভারতের সারাকা ল্যাবরেটরিজ থেকে আনা কাঁচামাল দিয়ে মোট রেনিটিডিনের মাত্র ১০ শতাংশ উৎপাদন করি। অবশিষ্ট ৯০ শতাংশ উৎপাদন করি ভারতের এসএমএস কোম্পানির কাঁচামাল দিয়ে। এটা বিক্রিতে আপত্তি নেই। ওই ১০ শতাংশ ওষুধ আমরা বাজার থেকে তুলে নিয়েছি। এমনকি এসএমএসের কাঁচামাল দিয়ে তৈরি রেনিটিডিনও উৎপাদন বন্ধ রেখেছি। দুই কাঁচামালের রেনিটিডিন পরীক্ষার জন্য দেশের বাইরে পাঠিয়েছি। রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে।

ফলে রেনিটিডিন নিয়ে এক ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছে। অবশ্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী কোম্পানিগুলো এ ওষুধ ব্যাচ নম্বরসহ প্রশাসনে জমা দিয়েছে। প্রশাসন সেগুলোর যাচাই-বাছাই করছে। এমনকি এসব ওষুধে আদৌ ক্যানসারের কোনো উপাদান রয়েছে কি না– তা পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরেও পাঠিয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট এলে আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সে অনুযায়ী নতুন করে ব্যবস্থা নেবে। এ সুযোগে গতকাল সোমবারও ওষুধের বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন নামে উৎপাদিত রেনিটিডিন বিক্রি হতে দেখা গেছে। বিশেষ করে পাড়া-মহল্লার ফার্মেসিগুলোতে আগের মতোই সব ধরনের রেনিটিডিন বিক্রি হচ্ছে। এই প্রতিবেদক নিজে দুটি বড় কোম্পানির রেনিটিডিন কিনেছেন। আগের মতোই সেগুলো প্রতি ট্যাবলেট ৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু ট্যাবলেটই নয়, রেনিটিডিনের সিরাপ এমনকি ইনজেকশনও বেশ বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।

এ বিষয়ে মৌচাক, মালিবাগ, মগবাজার ও বাংলামোটরের কয়েকটি ফার্মেসির বিক্রেতা দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন, কোম্পানির লোকেরা বলেছেন, এগুলো অন্য কোম্পানির কাঁচামালে তৈরি। সুতরাং বিক্রিতে কোনো অসুবিধা নেই। তারা আরও জানিয়েছেন, আগের দেওয়া ওষুধই বিক্রি করছেন। নতুন করে কোম্পানিগুলো রেনিটিডিন দিচ্ছে না। যেহেতু এই ওষুধ ব্যাপক চলে, তাই দোকানিগুলোর মজুদও ভালো। অবশ্য শাহবাগে ওষুধের বাজারে যে ৩১ কোম্পানির রেনিটিডিন বিক্রির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা এসেছে, সেগুলো বিক্রি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে তারা অপসোনিনের রেনিটিড বিক্রি করছেন। কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর নিষিদ্ধ রেনিটিডিনের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় ৩৮ ধরনের রেনিটিডিন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওষুধ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, তালিকার ১৭ থেকে ৩২ নম্বর পর্যন্ত ১৬ ধরনের রেনিটিডিন মূলত ছোট কোম্পানির। সেগুলোর বিক্রিও কম। এখনো বাজারে রয়েছে।

ওষুধের পাইকারি বাজার মিটফোর্ড ও শাহবাগের ওষুধ ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিটি দোকানে অ্যাসিডিটির প্রচুর ওষুধ মজুদ রয়েছে। বড় কোম্পানির মধ্যে স্কয়ার, একমি, এসিআই, এসকেএফসহ আরও কয়েকটি কোম্পানি তাদের ওষুধ বাজার থেকে তুলে নিয়েছে। তবে অন্য কোম্পানিগুলো এখনো নেয়নি। সেগুলো বিক্রি হচ্ছে। একটি বড় কোম্পানি গত সপ্তাহে বাজারে ছাড়া শেষ ব্যাচের ওষুধের ব্যাপারে বলেছে কোনো অসুবিধা নেই। তারা পুরনো ওষুধ তুলে নিয়ে গেছে।

চিকিৎসকরা ঝুঁকি এড়াতে রেনিটিডিন গোত্রের কোনো অ্যাসিডিটির ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন না বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, রেনিটিডিন গ্রুপের ওষুধ একেবারে বন্ধ হয়ে গেলেও সমস্যা হবে না। কারণ একই গ্রুপের সমান ক্ষমতার তুলনামূলক কম দামের ‘ফেমোটিডিন’ গ্রুপের ওষুধ বাজারে আছে। যেহেতু বিতর্ক উঠেছে, তাই আমরা এখন রেনিটিডিন গ্রুপের ওষুধ প্রেসক্রাইব করছি না। ‘রেনিটিডিন’ গ্রুপের ওষুধ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগে ওমিপ্রাজল বা ইসোমিপ্রাজলের মতো গ্যাস্ট্রিক-আলসারের ওষুধের দাম বাড়িয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা যেন ফায়দা নিতে না পারেন সেদিকে কঠোর নজর রাখার তাগিদ দিলেন এই চিকিৎসক।

এমন পরিস্থিতিতে রেনিটিডিন ওষুধের বিক্রি কমে গেছে বলে দোকানিরা জানান। দেশ রূপান্তরকে তারা বলেন, দেশের বাজারে ওমিপ্রাজল, ইসোমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল, ল্যান্সোপ্রাজল ও রেনিটিডিন জেনেরিকের অ্যাসিডিটির ওষুধ বিক্রি হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ওমিপ্রাজল ও ইসোমিপ্রাজল জেনেরিকের ওষুধ। রেনিটিডিন জেনেরিকের অ্যাসিডিটির ওষুধের বিক্রিও কম নয়। দেশের অধিকাংশ কোম্পানিই রেনিটিডিন জেনেরিকের ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি করে। তবে নিষেধাজ্ঞার ফলে লোকজন এখন আর কোনো রেনিটিডিনই কিনতে চান না। ফলে এ ধরনের ওষুধের বিক্রি কমে গেছে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রেনিটিডিন উৎপাদন করে এমন ৩১ কোম্পানির কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ওষুধ শিল্প সমিতির নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। সেদিনই ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভারতের দুই প্রতিষ্ঠান সারাকা ল্যাবরেটরিজ ও ডা. রেড্ডির তৈরি কাঁচামাল (এপিআই) দিয়ে রেনিটিডিন ওষুধ উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) এবং ইউরোপিয়ান মেডিসিনস এজেন্সি (ইএমএ) একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করে। গবেষণায় রেনিটিডিন ওষুধে ক্যানসারের জন্য দায়ী এনডিএমএ’র উপস্থিতি পাওয়া যায়। জ্যানটেক ব্র্যান্ড নামে রেনিটিডিন উৎপাদনকারী গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনও ভারতে তৈরি তাদের রেনিটিডিন ট্যাবলেট বাজার থেকে তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশেও রেনিটিডিন নিষিদ্ধ করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

এখনো বাজারে রেনিটিডিন বিক্রি হচ্ছে– জানতে চাইলে অপসোনিনের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের নির্বাহী সাইফুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘যে দুটি কোম্পানির কাঁচামালের কথা বলা হয়েছে, আমরা ওদের থেকে কাঁচামাল আনি না। আমাদের রেনিটিডিন তৈরি হয়ে ভারতের আরেকটি কোম্পানি “এসএমএস”-এর কাঁচামাল দিয়ে। সুতরাং আমাদের রেনিটিডিন বন্ধ হয়নি। তবে এভাবে রেনিটিডিন নিষিদ্ধ করায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। কারণ সাধারণ মানুষ অত বোঝে না। তারা ভাববে সব রেনিটিডিনই ক্ষতিকর। এর ফলে ওষুধের বাজার আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়বে।’

এমন পরিস্থিতিতে রেনিটিডিনের বাজার নিয়ন্ত্রণে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কী ব্যবস্থা নিচ্ছে– জানতে চাইলে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘৩১টি কোম্পানি তাদের রেনিটিডিন ব্যাচ নম্বরসহ জমা দিয়েছে। তালিকাভুক্ত সব কোম্পানিকেই বলেছি বাজার থেকে তাদের রেনিটিডিন তুলে নিতে। অধিকাংশ ওষুধই জমা পড়েছে। এখন আমরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করছি। পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠিয়েছি। ওই রিপোর্ট আসার পর আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। তিন-চার দিনের মধ্যেই রিপোর্ট চলে আসবে। তবে অপসোনিনের রেনিটিডিন বিক্রিতে বাধা নেই।’

এ বিষয়ে ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব এসএম শফিউজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ভারতের দুই কোম্পানির কাঁচামালে তৈরি রেনিটিডিনে কোনো ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে কি না– তা নিশ্চিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাজারে রেনিটিডিন বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটির অপেক্ষায়ও রয়েছি। তারা যে সিদ্ধান্ত নেবে, বাংলাদেশের ড়্গেত্রেও আমরা তা অনুসরণ করব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক লুৎফুল কবির বলেন, রেনিটিডিন বিক্রি বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বাজারে এর প্রচুর বিকল্প আছে। রেনিটিডিন যে উদ্দেশ্যে গ্রহণ করছেন এ জাতীয় ওষুধ আপনার হাতে আছে। এ ড়্গেত্রে রেনিটিডিন যেন বাজারে না পাওয়া যায় এ ব্যাপারে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কড়া নজরদারি প্রয়োজন বলে মত দেন এই শিক্ষক।


Leave a Reply