দুমকিতে ইউরিয়া সার সংকট, কৃষকের মাঝে হাহাকার - Nobobarta

আজ মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
আটোয়ারীতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলায় ২ আসামীকে আদালতে হাজির, জামিন না মঞ্জুর হামদর্দ এমডির বিরুদ্ধে যুদ্ধোপরাধের অভিযোগ তোলায় বিস্মিত স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা আটোয়ারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ব্যক্তি সহ দুটি গরুর মৃত্যু দ্রুত জকসু গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ও রাতে ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার দাবি আবির্ভাব: এক নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে মাদার তেরেসার মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গণ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নেতাদের অভিষেক সম্পূর্ন বিচার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ ইউপি সম্মাননা পুরস্কার পেলেন দন্ডপাল ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী সাইফুদ্দীন আহ্মদ কে কেউ মনে রাখেনি!
দুমকিতে ইউরিয়া সার সংকট, কৃষকের মাঝে হাহাকার

দুমকিতে ইউরিয়া সার সংকট, কৃষকের মাঝে হাহাকার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  

জসিম উদ্দিন, দুমকি প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দুমকিতে ইউরিয়া সার সংকটে কৃষকদের মধ্যে হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। বিগত তিন-চার দিন ধরে এ সংকট দেখা দিয়েছে। এর আগেও কৃষকরা চাহিদা মতো সার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ অঞ্চলের কৃষকরা আমন ধানের বীজ রোপন সবেমাত্র শেষ করেছেন। কৃষি অফিস বলছে ২-৩ দিনের মধ্যে এ সংকট কেটে যাবে। আর কৃষকরা বলছে বর্তমান আবহাওয়া জমিতে সার ছিটানোর উপযোগী সময়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের কৃষকরা ধোপারহাট বাজারে সার কিনতে এসে পাচ্ছে না। তাদের চোখে মুখে হতাশার ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। জমিতে সার ছিটানোর উপযোগী সময় সার না পেলে তাদের অপূরণীয় ক্ষতি হবে এমনটাই জানিয়েছেন কৃষকরা। পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগি গ্রামের কৃষক আবদুল লতিফ আকন সার কিনতে এসে সার পায় নি।

একই ইউনিয়নের বাঁশবুনিয়া গ্রামের রুহুল আমীন ফরাজী, আলগির বশির বিশ্বাসসহ কয়েকজন কৃষক জানান, সার ডিলারের দোকানে গিয়েছি, কিন্তু দোকানে সার পাইনি। আমাদের জমিতে এখন সার না দিলে ব্যাপক ক্ষতি হবে। পার্শ্ববর্তী মৌকরণ বাজারের সারের দোকানে গিয়ে জানা গেছে, মৌকরণ বাজারের কোন দোকানে সার নেই। উপজেলা শহরের সারের দোকানে গিয়ে দেখাযায় দুই এক বস্তা সার আছে খুচরা বিক্রয় করার জন্য। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ডিলার বা দোকানদাররা বেশি দামে বিক্রয় করছেন এমন কোন অভিযোগ পাওয়া যায় নি। তবে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সকল দোকানদার সার বিক্রয় করছেন এ কথ সত্য। তাদের দাবি সরকার প্রতি বস্তা সারের মূল্য ৮’শ টাকা নির্ধারণ করলেও ৮’শ ত্রিশ টাকায় দোকানে সার পৌঁছে। তারা ৮’শ চল্লিশ-পঞ্চাশ টাকা দরে সার বিক্রয় করেন।

এ প্রসঙ্গে পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের সার ডিলার আনোয়ার মুন্সী বলেন, তিনদিন আগে সার শেষ হয়ে গেছে। আগামী ২-৩দিনের মধ্যে সার আসবে বলে শোনা যাচ্ছে। বর্তমানে সারের পর্যাপ্ত চাহিদা রয়েছে। এ বিষয়ে কথা হয় পাংগাশিয়া ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কৃষি স¤প্রসারণ কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন সিকদার বলেন, বর্তমানে পটুয়াখালী জেলার সর্বত্রই ইউরিয়া সারের সংকট আছে। আগামী দু’এক দিনের মধ্যেই সার এসে যাবে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (কৃষিবিদ) সঞ্জীব কুমার গোস্বামী বলেন, উপজেলার ৫ইউনিয়নের জন্য ৯০ মে.টন সারের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে ৬০ মে.টন সার বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। যা চাহিদার চেয়ে ৩০.মে.টন কম। বরাদ্ধকৃত সার উত্তোলনের জন্য রবিবার ট্রলার ভাড়া করে ভোলার সার গুদামে পাঠানে হয়েছে। লোডিং সিরিয়ালে আছে। আগামী কাল ট্রলার লোড করতে পারলে আগামী পরশু কৃষকের মাঝে পৌছানোর চেষ্টায় আছি।

লাইক দিন এবং শেয়ার করুন


Leave a Reply